Tuesday, 12 May 2026
The News Diplomats
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :
Publish : 08:34 AM, 11 May 2026.
Digital Solutions Ltd

ইসলামী ব্যাংক: পর্ব–১

এটি একটি ব্যাংক দখলের গল্প,‘এই, আপনারা কারা’

এটি একটি ব্যাংক দখলের গল্প,‘এই, আপনারা কারা’

Publish : 08:34 AM, 11 May 2026.
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :

ইসলামী ব্যাংক দখলের ভেতরের গল্প প্রথম আলোকে বলেছেন এই ব্যাংকের তৎকালীন দুজন পরিচালক, দুজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়া এক ব্যক্তি। তবে তাঁরা কেউই নাম প্রকাশ করতে চাননি। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক, এস আলম গ্রুপসহ বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। অনুসন্ধানী রিপোর্টটি নিউজ ডিপ্লোমেটস পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি। প্রথা ভেঙে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সভা বসেছে ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেল র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে। উপস্থিত ১২ থেকে ১৩ জন পরিচালক। হঠাৎ সেখানে ঢুকে পড়লেন কয়েকজন ব্যক্তি, যাঁরা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নন। অপরিচিত লোকদের পর্ষদ সভায় ঢুকে পড়তে দেখে একজন পরিচালক বিরক্ত হন। তিনি বলে ওঠেন, ‘এই, আপনারা কারা, এখানে কেন?’

অপরিচিত ব্যক্তিরা কোনো জবাব দিলেন না। তাঁরা সভা ছেড়েও গেলেন না। কয়েকজন পরিচালক ও ব্যাংক কর্মকর্তা নিজেদের মধ্যে ফিসফাস শুরু করলেন। কিছুক্ষণ পরেই সভায় ঢুকলেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) তৎকালীন মহাপরিচালক মোহাম্মদ আকবর হোসেন। সঙ্গে ছিলেন ব্যাংকটির বড় গ্রাহকদের একজন সাইফুল আলম মাসুদ, যিনি নিজের নামে প্রতিষ্ঠিত এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান।

সভায় টেবিলের একদিকে বসেন সাইফুল আলম। তাঁর দুই পাশের তিনটি চেয়ারে বসেন ডিজিএফআইয়ের তৎকালীন মহাপরিচালক মোহাম্মদ আকবর হোসেন, ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান মুস্তাফা আনোয়ার ও পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সদস্য আরাস্তু খান।

সেনাকল্যাণ সংস্থার মালিকানাধীন র‍্যাডিসন হোটেলে সেদিনের সেই পরিচালনা পর্ষদের সভায় সরকারের নির্দেশে ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের তদারকিতে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় এস আলম গ্রুপের কাছে। সভায় ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মুস্তাফা আনোয়ার জানান, তিনি নিজে, ভাইস চেয়ারম্যান এম আজিজুল হক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মান্নান পদত্যাগ করেছেন।

পদত্যাগের কথা বলার সময় মুস্তাফা আনোয়ারের চোখ ছলছল করছিল। সভায় আরাস্তু খানকে চেয়ারম্যান এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ আহসানুল আলমকে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। এ ছাড়া মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিনকে নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান, বিডিবিএলের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জিল্লুর রহমানকে নিরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান এবং সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মো. আবদুল মাবুদকে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়।

সভাটি আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছিলেন ডিজিএফআইয়ের তৎকালীন শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা। সভার দিন সকালে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ডিজিএফআই কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল।

ব্যাংকের নিজের কার্যালয়ের বাইরে পাঁচ তারকা হোটেলে এই সভা ডাকাই হয়েছিল আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংকটির মালিকানা হস্তান্তরের জন্য। এর আগেই অবশ্য এস আলম গ্রুপ বিভিন্ন নামে ব্যাংকের শেয়ারের বড় অংশ কিনে নেয়।

সভাটি আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছিলেন ডিজিএফআইয়ের তৎকালীন শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা। সভার দিন সকালে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ডিজিএফআই কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনজনের পদত্যাগের বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদকে জানানোর জন্য চেয়ারম্যানকে পাঠানো হয়। ব্যবস্থাপনা পরিচালককে আটকে রাখা হয়।

অন্য পরিচালকদের সবাই এসব কথা জানতেন না। পর্ষদ সভার স্থান পরিবর্তন ও পাঁচ তারকা হোটেলে তা আয়োজিত হওয়ায় কেউ কেউ ধারণা করছিলেন যে কিছু একটা হতে যাচ্ছে। সভায় ঢোকার আগে তাঁদের সবার মুঠোফোন নিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

ইসলামী ব্যাংক দখলের ভেতরের গল্পটি এভাবেই প্রথম আলোকে বলেছেন ব্যাংকটির তৎকালীন দুজন পরিচালক, দুজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়া এক ব্যক্তি। তাঁরা নাম প্রকাশ করতে চাননি।

পাঁচজন পরিচালক ও কর্মকর্তার এই বয়ানের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক, এস আলম গ্রুপসহ বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়েছে ব্যাংক দখলের সেই কাহিনি।

বাংলাদেশে এই ঘটনা ছিল নজিরবিহীন। এর আগে ১৯৯৯ সালের ২৬ আগস্ট অস্ত্রের মুখে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক আখতারুজ্জামান চৌধুরী (প্রয়াত)। কিন্তু কোনো গোয়েন্দা সংস্থা জড়িত থেকে নিজেদের ব্যবস্থাপনায় ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তন করিয়েছে, তেমন নজির পাওয়া যায় না।

শুধু বাংলাদেশ নয়, এ ঘটনা আলোচনা তৈরি করেছিল বিভিন্ন দেশে। ২০১৭ সালের এপ্রিলে এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রভাবশালী ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট। শিরোনাম ছিল ‘দ্য গভর্নমেন্ট ইনিশিয়েটস আ ক্যু অ্যাট বাংলাদেশ বিগেস্ট ব্যাংক’ (সরকারি তৎপরতায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক দখল)।

ঘটনার পর ৯ বছর পেরিয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে। সাইফুল আলম আর দেশে আসছেন না, নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করেছেন। অবশ্য ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের ৮২ শতাংশের মতো এখনো নামে ও বেনামে এস আলমের নিয়ন্ত্রণে। তবে শেয়ারগুলো আপাতত বাংলাদেশ ব্যাংক জব্দ করে রেখেছে। ব্যাংকটি পরিচালনা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ করা স্বতন্ত্র পরিচালকেরা।

এদিকে ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন সংশোধন করে (গত ১০ এপ্রিল গেজেট) পুরোনো মালিকদের ব্যাংকের মালিকানায় ফিরে আসার সুযোগ দেওয়ার পর ব্যাংক দখলের সেই কাহিনি আবার আলোচনা তৈরি করেছে।

ইসলামী ব্যাংকের আদি পর্ব

সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে বাংলাদেশে বেসরকারি ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া শুরু হয়। ১৯৮২ ও ১৯৮৩ সালে আটটি বেসরকারি ব্যাংক যাত্রা শুরু করে, যার একটি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (১৯৮৩)। ব্যাংকটির বার্ষিক প্রতিবেদনে নিজেদের দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সত্তর ও আশির দশকে মুসলিমপ্রধান দেশগুলোয় ইসলামি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রবণতা শুরু হয়। এর পেছনে ছিল ইসলামি দেশগুলোর সংগঠন ওআইসি। ১৯৭৩ সালে সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসির মন্ত্রিপর্যায়ের সম্মেলনে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করে আইডিবি। এরপর দেশে দেশে ইসলামি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামী ব্যাংক।

ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৫ অনুযায়ী, তখন ব্যাংকটিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদের ৬৩ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার ছিল। বাকিটা ছিল দেশীয় বিনিয়োগকারীদের। দেশীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা ছিলেন। তাঁদের দুজন মীর কাসেম আলী ও আবু নাসের মুহাম্মাদ আবদুজ জাহের জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধে মীর কাসেম আলীর ফাঁসি হয়। ২০১৫ সালে জাহের ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করে বিদেশে যান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর তিনি দেশে ফিরেছেন।

ইসলামী ব্যাংকে জামায়াতে ইসলামীর সংশ্লিষ্টতা এবং চাকরিতে জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের বিশেষ অগ্রাধিকারের বিষয়টি সব সময় আলোচনায় ছিল।

এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ধীরে ধীরে শেয়ার ছেড়ে দেয় আইডিবি, দুবাই ইসলামি ব্যাংক, ইসলামিক ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড করপোরেশন দোহা, ইসলামিক ব্যাংকিং সিস্টেম ইন্টারন্যাশনাল হোল্ডিং লুক্সেমবার্গ, শেখ আহমেদ সালেহ জামজুম, শেখ ফুয়াদ আবদুল হামিদ আল-খতিব, আল-রাজি গ্রুপ, কুয়েতের সরকারি ব্যাংক কুয়েত ফাইন্যান্স হাউস, সৌদি কোম্পানি আরবসাস ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিস্ট এজেন্সিসহ বেশির ভাগ বিদেশি উদ্যোক্তা ও সাধারণ শেয়ারধারী প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয় উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান বায়তুল শরফ ফাউন্ডেশন, ইবনে সিনা ট্রাস্ট, বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার ও ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোও শেয়ার ছেড়ে দেয়।

২০১৭ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের (প্রয়াত) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে উদ্বেগ জানিয়ে আইডিবির প্রেসিডেন্ট বন্দর এম এইচ হাজ্জার লিখেছিলেন, ‘আইডিবিসহ সৌদি আরব, কুয়েতের উদ্যোক্তাদের ৫২ শতাংশ শেয়ার থাকার পরও ব্যাংকটিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা কোণঠাসা হয়ে পড়ছে।’

নেপথ্যের গল্প

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের উদ্যোগ নেয়। ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় হয়। তাঁর ফাঁসি না হওয়ার প্রতিবাদে এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের গোপন সমঝোতার সন্দেহে শাহবাগে শুরু হয় আন্দোলন। সেই আন্দোলনের সময়ে কথা ওঠে, ইসলামী ব্যাংক জামায়াতকে অর্থায়ন করে আসছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, সরকার ইসলামী ব্যাংকে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে চাপ দিয়েছিল। তাঁদের মতে, তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমান চেয়েছিলেন ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি না হোক।
এর আগে তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে ইসলামী ব্যাংক জঙ্গিবাদে অর্থায়ন করছে বলে অভিযোগ তোলা হয়। তখনকার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু ২০১১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকার কমিটির এক সভা শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক তাদের লভ্যাংশের ৮ শতাংশ জঙ্গিবাদের পেছনে ব্যয় করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে তদন্ত করছে। বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য ইসলামী ব্যাংক তাদের ব্যয়ের হিসাব স্বরাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেবে।’ (বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১)
ইসলামী ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা অবশ্য বলছেন, ব্যাংকটি দখলের চেষ্টার অংশ হিসেবেই এসব কথা বলা হয়েছিল।

( ‘ইউনাইটেড থেকে এস আলম, এটি একটি ব্যাংক দখলের গল্প’ শিরোণামে এই রিপোর্টের পরবর্তি অংশ পড়ুন।)

BANGLADESH বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম ৪ মাসে আমদানি দ্বিগুণ, সরকার-ব্যবসায়ি ‘উচ্চদামে যুক্তরাষ্ট্রমূখী’ শিরোনাম সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও শাকিলের জামিন, এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না শিরোনাম জাতিসংঘ কি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে? উত্তর হ্যাঁ এবং না শিরোনাম পাকিস্তানের জন্য নয়, সন্ত্রাসবাদে আটকে আছে সার্ক সার্ক: বীণা সিক্রি শিরোনাম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে গাইবেন কে-পপ তারকা লিসা শিরোনাম ছেলের সঙ্গে ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্মদিন উদযাপন করবেন ববিতা