সম্প্রতি কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট। নতুন মা লেভিটকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া অভিনন্দনমূলক পোস্টে একই সঙ্গে লেভিটকে ইরানের ‘মিনাব’ স্কুলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত প্রায় দেড় শ শিশুর কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ক্যারোলাইন লেভিট তাঁর দ্বিতীয় সন্তান জন্মের কথা জানান। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে ভিভিয়ান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লেভিট লেখেন, ‘১ মে, ভিভিয়ানা ওরফে ‘‘ভিভি’’ আমাদের পরিবারে যুক্ত হয়েছে, আর আমাদের হৃদয় মুহূর্তেই ভালোবাসায় পূর্ণ হয়ে উঠেছে।’ ২৮ বছর বয়সী লেভিট হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রেস সেক্রেটারি।
মেয়ের জন্মের খবর দেওয়া পোস্টে লেভিট একটি ছবিও দিয়েছেন। ছবিতে লেভিট একটি নার্সারিতে নবজাতক মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। গত ৭ মের ওই পোস্টে লেভিট আরও লেখেন, ‘সে একদম স্বাভাবিক ও সুস্থ, আর তার বড় ভাই আনন্দের সঙ্গে ছোট বোনের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে। নবজাতককে নিয়ে আমরা আমাদের এই আনন্দময় সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছি।’
আর্মেনিয়ায় ইরানের দূতাবাস থেকে লেভিটের ওই এক্স পোস্ট রিটুইট করে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। গতকাল দূতাবাস থেকে ওই পোস্টে বলা হয়, ‘আপনাকে অভিনন্দন। শিশুরা নিষ্পাপ ও ভালোবাসার যোগ্য। মিনাবের স্কুলে আপনার বস যে ১৬৮ শিশুকে হত্যা করেছেন এবং আপনি যেটা সমর্থন করেছিলেন, তারাও শিশুই ছিল। যখন আপনি আপনার শিশুকে চুমু দেবেন, তখন সেই শিশুদের মায়েদের কথা ভাববেন।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ৭৩ ছেলে ও ৪৭ মেয়েশিশু নিহত হয়। তারা সবাই ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সেদিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানজুড়ে হামলা চালায় এবং বোমাবর্ষণ করে।
এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিনাবের শাজারেহ তায়িবা স্কুলে ওই হামলায় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ২৬ জন শিক্ষক, ৭ জন অভিভাবক, স্কুলের একটি বাসের চালক ও স্কুলের পাশের ক্লিনিকের একজন ফার্মেসি টেকনিশিয়ানও নিহত হন।
পরে নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মিনাবের ওই বিদ্যালয়ে আঘাত হানে। প্রতিবেদনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়েছিল, লক্ষ্য নির্ধারণে ভুল করে ক্ষেপণাস্ত্রটি স্কুলে আঘাত হেনেছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে দাবি করেছিলেন, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ওই স্কুলে আঘাত হেনেছে, যদিও তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। আর ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নেই।
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats