তেহরানের একটি সড়কে দেয়ালচিত্রের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক নারী। ছবি: রয়টার্স
হোয়াইট হাউস মনে করছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে তারা। এই প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে শুরু করা তিন দিনের নৌ-মিশন স্থগিত করেন।
উপসাগরীয় যুদ্ধ বন্ধে এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের খুব কাছাকাছি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। রয়টার্স বলছে, এই আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাকিস্তানের একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্রটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সঠিক। অ্যাক্সিওস দুই মার্কিন কর্মকর্তা ও আলোচনার সঙ্গে পরিচিত আরও দুই সূত্রের বরাতে খবরটি প্রকাশ করেছিল। পাকিস্তানি সূত্রটি জানায়, ‘খুব দ্রুতই আমরা এটি শেষ করব। আমরা সমঝোতার খুব কাছাকাছি’।
গত মাসে পাকিস্তানই যুদ্ধ নিয়ে এখন পর্যন্ত একমাত্র শান্তি আলোচনা আয়োজন করেছিল এবং এরপরও তারা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির খবরে বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় প্রভাব পড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০০ ডলারে নেমে গেছে। একইসঙ্গে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি এবং বন্ডের সুদহারও কমে গেছে।
হোয়াইট হাউস, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এবং রয়টার্সের সঙ্গে যোগাযোগ করা ইরানি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে সিএনবিসি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের বরাতে জানিয়েছে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৪ দফা প্রস্তাব মূল্যায়ন করছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াইট হাউস মনে করছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে তারা। এই প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে শুরু করা তিন দিনের নৌ-মিশন স্থগিত করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইরানের প্রতিক্রিয়া পাওয়ার আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় ইরান পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিতে সম্মত হবে, যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে এবং জব্দ করা ইরানি তহবিলের কয়েক বিলিয়ন ডলার ছাড় করবে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের বিধিনিষেধও উভয় পক্ষ তুলে নেবে।
অ্যাক্সিওস জানায়, ১৪ দফার এই সমঝোতা স্মারক নিয়ে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার এবং কয়েকজন ইরানি কর্মকর্তার মধ্যে সরাসরি ও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা চলছে। বর্তমান খসড়া অনুযায়ী, স্মারকে অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা এবং পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনার সূচনা থাকবে। ওই আলোচনায় হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এই ৩০ দিনের সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের আরোপিত বিধিনিষেধ এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ধীরে ধীরে শিথিল করা হবে। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় অবরোধ বা সামরিক অভিযান শুরু করতে পারবে বলে এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।
এর আগে ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি মিশন স্থগিতের ঘোষণা দেন। রোববার ঘোষিত ওই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা। কিন্তু এ উদ্যোগ বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বস্ত করতে ব্যর্থ হয় এবং উল্টো ইরানের নতুন হামলার আশঙ্কা তৈরি করে।
সর্বশেষ ঘটনায় বুধবার একটি ফরাসি শিপিং কোম্পানি জানায়, তাদের একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ আগের দিন প্রণালিতে হামলার শিকার হয়েছে এবং আহত নাবিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
মিশন স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প সামাজিকমাধ্যমে লেখেন, ‘আলোচনায় বড় অগ্রগতি হয়েছে’। তিনি আরও বলেন, ‘উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে যে অবরোধ বহাল থাকলেও, চুক্তি চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরের সম্ভাবনা যাচাই করতে “প্রজেক্ট ফ্রিডম” সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।’
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ইরান কার্যত নিজেদের জাহাজ ছাড়া অন্য সব জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে। পরে এপ্রিল মাসে ওয়াশিংটনও ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আলাদা অবরোধ আরোপ করে।
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সহায়তায় প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রচেষ্টা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদ বোধ করাতে ব্যর্থ হয়। একই সময়ে ইরান নতুন করে হামলা চালায় এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের বিস্তীর্ণ অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে।
এই সময় ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হরমুজ প্রণালি ও আশপাশে কয়েকটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে একটি দক্ষিণ কোরীয় কার্গো জাহাজের ইঞ্জিনকক্ষে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে।
তেহরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতেও হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে প্রণালির বাইরের উপকূলে অবস্থিত দেশটির প্রধান তেলবন্দরও ছিল, যেখান দিয়ে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে কিছু রপ্তানি কার্যক্রম চলছিল।
এক পাতার সমঝোতা স্মারকে কী কী থাকছে
যুদ্ধ বন্ধ ও বিস্তারিত পারমাণবিক আলোচনার একটি কাঠামো তৈরি করতে ইরানের সঙ্গে এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউস এমনটাই মনে করছে। দুজন মার্কিন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত আরও দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে ইরানের জবাব আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। তবে সূত্রগুলো বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর দুই পক্ষ এবারই চুক্তির সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।
সমঝোতার খসড়া অনুযায়ী, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দেবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে এবং আটকে থাকা কয়েক শ কোটি ডলার অর্থ ছাড় দেবে। এ ছাড়া উভয় পক্ষই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর থাকা সব বিধিনিষেধ তুলে নেবে।
এ সমঝোতা স্মারকের অনেক শর্তই চূড়ান্ত চুক্তির ওপর নির্ভর করছে। ফলে আবারও যুদ্ধ শুরু বা দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা তৈরির আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সম্মুখযুদ্ধ থামলেও শেষ পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান না-ও হতে পারে।
হোয়াইট হাউস মনে করছে, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব কয়েক ভাগে বিভক্ত। তাই দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি করা কঠিন হতে পারে। এমনকি প্রাথমিকভাবে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে কি না, তা নিয়ে কিছু মার্কিন কর্মকর্তা সংশয় প্রকাশ করেছেন।
এর আগে বিভিন্ন আলোচনা ও বর্তমান যুদ্ধ চলাকালেও মার্কিন কর্মকর্তারা একাধিকবার চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তিই আলোর মুখ দেখেনি।
তবে দুজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অভিযানের ঘোষণা থেকে সরে এসেছেন। মূলত আলোচনায় অগ্রগতির কারণেই তিনি এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নেপথ্যের খবর হলো, এক পৃষ্ঠার এই ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক নিয়ে এখন দর–কষাকষি চলছে। ট্রাম্পের প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন
সমঝোতা স্মারকের বর্তমান খসড়া অনুযায়ী, এই অঞ্চলে যুদ্ধের অবসান ঘোষণা করা হবে। এরপর শুরু হবে ৩০ দিনের নিবিড় আলোচনা। এ সময়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে একটি চূড়ান্ত ও বিস্তারিত চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে।
দুটি সূত্রের দেওয়া তথ্য বলছে, এই আলোচনা ইসলামাবাদ অথবা জেনেভায় হতে পারে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ওই ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের দেওয়া বিধিনিষেধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পর্যায়ক্রমে তুলে নেওয়া হবে। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে মার্কিন বাহিনী আবার অবরোধ আরোপ করতে পারবে, অথবা সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারবে।
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখার মেয়াদ নিয়ে এখন মূল দর–কষাকষি চলছে। তিনটি সূত্র বলছে, এই মেয়াদ হবে অন্তত ১২ বছর। তবে একটি সূত্র জানায়, এটি ১৫ বছর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ইরান ৫ বছরের প্রস্তাব দিলেও যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের দাবিতে অটল ছিল।
সূত্রটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে এমন একটি শর্ত যুক্ত করতে চায়, যাতে ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের নিয়ম ভাঙলে স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও বেড়ে যাবে। আর এই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ইরান ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত নিম্ন মাত্রার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে।
সমঝোতা স্মারকে ইরান অঙ্গীকার করবে, তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। এ–সংক্রান্ত কোনো কর্মকাণ্ডেও জড়াবে না তারা। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ইরান যেন কোনো ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা পরিচালনা না করে, এমন একটি ধারা নিয়েও দুই পক্ষ আলোচনা করছে।
ওই কর্মকর্তার মতে, ইরান কঠোর তদারকি ব্যবস্থার আওতায় থাকতেও রাজি হবে। ফলে জাতিসংঘের পরিদর্শকেরা যেকোনো সময় ইরানি স্থাপনায় আকস্মিক পরিদর্শন (স্ন্যাপ ইন্সপেকশন) করতে পারবেন।
বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে আটকে থাকা ইরানের শত শত কোটি ডলার অর্থ পর্যায়ক্রমে অবমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেবে ওয়াশিংটন।
সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র দাবি করেছে, ইরান তাদের কাছে থাকা উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশ থেকে সরিয়ে নিতে রাজি হতে পারে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল। তবে তেহরান এত দিন সেটা মানতে চায়নি। একটি সূত্রের দাবি, এসব তেজস্ক্রিয় পদার্থ যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত মঙ্গলবার বলেন, ‘আমাদের এক দিনেই মূল চুক্তিটি লিখে ফেলতে হবে, এমন কোনো কথা নেই।’
রুবিও আরও বলেন, ‘পুরো বিষয়টি অত্যন্ত জটিল ও কৌশলগত। তবে আমাদের এমন একটি কূটনৈতিক সমাধান দরকার, যেখানে আলোচনার বিষয়গুলো স্পষ্ট থাকবে। চুক্তিটি ফলপ্রসূ করতে হলে শুরুতেই তারা কতটা ছাড় দিতে রাজি, তা–ও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।’
তবে রুবিও ইরানের শীর্ষ নেতাদের কয়েকজনকে ‘উন্মাদ’ বলে মন্তব্য করেন। তাঁরা শেষ পর্যন্ত আদৌ কোনো চুক্তিতে আসবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats