Thursday, 05 February 2026
The News Diplomats
অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন :
Publish : 04:42 PM, 04 February 2026.
Digital Solutions Ltd

১২ ফেব্রুয়ারী পাতানো নির্বাচন : জালিয়াতির চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি?

১২ ফেব্রুয়ারী পাতানো নির্বাচন : জালিয়াতির চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি?

Publish : 04:42 PM, 04 February 2026.
অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন :

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন “বাঙ্গালীরা জালিয়াতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন”। তিনি বলেছেন পাসপোর্ট জাল, সনদ জাল, পদপদবি ভূয়া বা জাল,  সার্টিফিকেট জাল ইত্যাদি। তবে বলেননি যে প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গাকে জাল পাসপোর্ট দেওয়া হচ্ছে বা বিশেষভাবে উল্লেখ‍্য যে, তাকে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়েছে বিচারপতিদের সই জালিয়াতি করে।  বলেননি যে, তার ‘থ্রী-জিরো বা তিন শূন্য থিওরি’এবং ‘সামাজিক ব‍্যাবসা’অন‍্যের চিন্তা ধারা থেকে সংগৃহীত।  আর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট হচ্ছে জালিয়াতির ট্রাম্প কার্ড।  সেজন্য হয়তো তিনি একথা বলেছেন।

লেখক : সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন 

থ্রী-জিরো এবং সামাজিক ব‍্যবসাঃ ধারকরা চিন্তা

২০১৫ সালে জাতিসংঘের সদস্য‍্য রাস্ট্রসমূহ আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত এস-ডি-জি (SDGs) প্রস্তাব গ্রহণ করে । এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে দুনিয়াকে ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্যমুক্ত করবে —- কেউ না খেয়ে মরবে না এবং সবার জন্য কর্মের সংস্থান হবে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে এমনকি যারা ঝডে পডে বা যারা প্রতিবন্ধী তাদেরকেও উন্নয়নের মহাসড়কে সম্পৃক্ত করতে জোর আবেদন জানান । তাঁর প্রতিবন্ধী বিষয়ক প্রস্তাব (Autism and other disabilities) এবং জনগণের ক্ষমতায়ন (People’s Empowerment) প্রস্তাবসমূহ জাতিসংঘের ১৯৩টি দেশ ২০১২ সালে সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করে । তিনি বলেন “No one should be left behind “. যা জাতিসংঘ তার এসডিজিকে লিপিবদ্ধ করে। 

বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, এই এসডিজির ধারণা থেকে মুহাম্মদ ইউনূস তার বিখ্যাত ক্ষুধা মুক্ত (Zero hunger) এবং বেকারমুক্ত (Zero unemployment) ধারণা আবিষ্কার করেন।

২০১৫ সালে প‍্যারিসে বিশ্বের জলবায়ু সম্মেলনে সিদ্ধান্ত হয় যে, এই ধরিত্রীকে বাঁচানোর জন্য আর কার্বন নির্গমন করা চলবে না— ১.৫ ডিগ্রির বেশি তা করা যাবে না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই জলবায়ু সম্মেলনের কার্বন নির্গমনের বিষয়টি তার থ্রী-জিরো থিওরিতে সংযোজন করেন।  সুতরাং বিশ্লেষনে দেখা যায় যে, তার থ্রী-জিরো কোনো মৌলিক আবিষ্কার নয়, তাও ধার করা । 

একই ভাবে তার “সামাজিক ব‍্যবাসার” ধারণাও মৌলিক নয় ।  বিশ্ব বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ কার্ল মার্ক্সের মতে, মানুষ শুধু মাত্র মুনাফা অর্জনের জন্যে ব‍্যবসা করবে না— সামাজিক মানসম্মান, প্রভাব প্রতিপত্তি ও জনগণকে সাহায্য করার মহান আদর্শ নিয়ে কাজ করবে। মুনাফা মুখ‍্য নয়।  কার্ল মার্ক্সের এই থিওরি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। প্রফেসর ইউনূসের সামাজিক ব‍্যবসা রঙ্গিন গ্লাসে কার্ল মার্ক্সের কমিউনিস্ট চিন্তা ধারায় প্রতিফলন। সুতরাং এসব বিবেচনায় তার থ্রী জিরো এবং সামাজিক ব‍্যবসা উভয়ই অন‍্যের থেকে ধার করা। এগুলো কোনো মৌলিক আবিষ্কার নয়। বিশ্লেষকরা মনে করেন, যেহেতু এগুলো যারা সর্বপ্রথম চিন্তা করেছিলেন তাদের যথার্থ ভাবে সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া হয়নি, সুতরাং তা চৌর্যবৃত্তির সমতুল‍্য।  সোজা ভাষায় জালিয়াতি ।

শিশুকালের জালিয়াতির শুরু

প্রফেসর ইউনুসের নিজের লেখাতেই আমরা জানতে পারলাম যে, তিনি যখন স্কুলে পড়তেন তখনই জালিয়াতি শুরু করেন। শিশুবয়সেই তিনি তার সহপাঠীকে ঠকিয়ে তার পুরস্কার এক বছর উপভোগ করেন। এই ঠকানো বা জালিয়াতিকে তিনি খারাপ হিসাবে দেখেননি, বরং তিনি এটাকে তার স্মার্টনেস হিসাবে বিবেচনা করেন।

গ্রামীণের মূল প্রতিষ্ঠাতা ইউনূস নয়, সরকার

চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামের গ্রামীন প্রজেক্ট শুরু করে বাংলাদেশ সরকার এবং একটি বিদেশী প্রতিষ্ঠান সহায়তা করে। বাংলাদেশ সরকার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ‍্যালয়ের মাধ্যমে প্রজেক্টটি পরিচালনা করে। যেহেতু ড. ইউনূস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন সেজন্য তাকে এর সাথে সম্পৃক্ত করা হয়।

পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ড. ইউনূসের অনুরোধে এই প্রজেক্টকে গ্রামীণ ব্যাংকে রূপান্তরিত করেন এবং আট বছর পর ১৯৯০ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এর এমডি নিয়োগ দেয়া হয়।

তিনি পাঁচ বছর নয়, দীর্ঘদিন এই ব‍্যাংকের এমডি ছিলেন । সম্প্রতিকালে তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন যে, সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছরের অধিক চাকরি করা সঠিক নয়। তবে ২০০৯ সালে যখন তাকে সরকারি চাকরির নিয়ম অনুসারে এমডির পদ ছাড়তে নোটিস দেওয়া হয় তখন তিনি পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এমডির চাকরিতে মধু আছে: হাজার কোটি টাকার মালিক ইউনূস

মামলার রায় তার বিপক্ষে যায় এজন‍্য যে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৬০ বছরের বেশি বয়স হলে তাকে এমডির পদে রাখা যাবে না। তিনি যেহেতু একজন নেবেল পুরস্কার বিজয়ী সেজন‍্য তাকে সম্মান জানিয়ে সরকার তাকে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ দিতে প্রস্তাব দেয়। তিনি তা গ্রহণ না করে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় হারলেও তিনি গ্রামীণ ব্যাংক ভবনের কয়েক হাজার স্কয়ার ফিট এক টাকার বিনিময়ে নিজের দখলে রাখেন। গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি থাকাকালীন সময়ে তিনি গ্রামীন নাম ব্যবহার করে এবং গ্রামীণের অর্থ নয়ছয় করে দেশে বিদেশে প্রায় ৪৮টি প্রতিষ্ঠান গডে তুলেন।

এক সময় নেদারল্যান্ডের একজন সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির ও অনিয়মের অভিযোগ আনেন যে, তিনি নেদারল্যান্ড সরকার গ্রামীণ ব্যাংকের জন‍্য যে অনুদান দিয়েছিলে তা তিনি নয়ছয় করেছেন। টাকাপয়সা ও প্রভাব খাটিয়ে ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়া হয়।

পিস্ট-

শেখ হাসিনা ইউনূসের সবচেয়ে বড় সহায়ক

শেখ হাসিনা সরকার ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এবং গ্রামীণ ব্যাংককে সর্বোতভাবে সহায়তা করেন এবং ড. ইউনূসের এইসব সুনাম অর্জনের পেছনে শেষ হাসিনার অবদান সবচেয়ে বেশি। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম মাইক্রো ক্রেডিট সম্মেলনে কো-চেয়ারম্যান হিসাবে উপস্থিত হওয়ার ফলে মার্কিন ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিন্টন এবং সুইডেনের রাণী কোয়িং সোফিয়া ঐ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। শেখ হাসিনা গ্রামীণ ব্যাংককে বিশ্বের কাছে পরিচিত করার জন্য বিবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেন । তিনি তার জাতিসংঘে নিয়োজিত স্থায়ী প্রতিনিধি আনোয়ারুল করিম চৌধুরীকে দিয়ে “গ্রামীণ বন্ধু গোষ্ঠি” প্রতিষ্ঠা করেন। প্রায় ৭৭ টি দেশ এর সদস্য হয়। 

১৯৯৮ সালে ভয়াবহ বন‍্যার কারণে গ্রামীণ ব‍্যাংক যখন দেওলিয়া হবার উপক্রম হয় তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রামীণ ব‍্যাংককে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা অনুদান দিয়ে রক্ষা করেন । দরিদ্র মানুষকে সাহায্য করার জন‍্য তিনি গ্রামীণ ব্যাংককে “গ্রামীণ ফোন”ব‍্যবসা অনুমোদন দেন ।

তবে ২০০৯ সালে এমডির পদ রাখার জন‍্য ড. ইউনূস বিশ্বের অনেক নামীদামী বরেণ‍্য ব্যক্তিত্বকে এমনকি আয়ারল্যান্ডের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিন্টনকে দিয়ে তদবির করান । কিন্তু মামলার রায় তো বদলানো যায় না। ৬০ বছরের বেশি বয়স হলে আর এমডি পদে থাকা সম্ভবপর নয় এবং তখন তার বয়স প্রায় ৭১ বছর।

একি সময়ে বিভিন্ন সরকারী সংস্থা যেমন রাজস্ব বিভাগ জানতে পারে যে, তিনি বহু বছর থেকে প্রায় ৬৬০ কোটি টাকা আয়কর ফাঁকি দিয়েছেন । তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা তিনি তাদের পাওনা টাকা — কয়েক হাজার কোটি টাকা — পরিশোধ করেননি বলে লেবার কোর্টে মামলা করে। এসব মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।

শেখ হাসিনাকে মামলাগুলো বাতিল করতে অনুরোধ করলে তা তিনি করেননি বলে শেখ হাসিনার প্রতি তার ক্ষোভ চরমে উঠে। তাই তিনি শেখ হাসিনার সব উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা দিতে থাকেন। কথিত আছে যে, তিনি হিলারি ক্লিন্টনের মাধ্যমে বিশ্বব‍্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্টকে দিয়ে পদ্মাসেতু নির্মাণ বাবদ ঋণচুক্তি বাতিল করান। লক্ষণীয় যে , বিশ্বব‍্যাংকের প্রেসিডেন্ট যেদিন অবসরে যান সেদিনই পদ্মা সেতু প্রকল্পের ঋণচুক্তি বাতিল করেন। তবে তিনি প্রধান উপদেষ্টা হবার পর পরই তার বিরুদ্ধে আদালতের সব রায় বাতিল করেন। প্রধান উপদেষ্টা হবার পর তিনি প্রায় ২৬টি সুযোগ-সুবিধা নিজে নিজেই অনুমোদন করে বাগিয়ে নেন। এর মধ্যে রয়েছে লাভজনক আদম ব্যবসা এবং বিশ্ববিদ্যালয় বাণিজ্য।

নোবেল পুরস্কার তিনি একা পাননি

ড. ইউনূস গ্রামীনের  সব অর্জন নিজের নামে প্রচারণা করে নোবেল পুরস্কার ভাগিয়ে নেন। যদিও গ্রামীণ ব্যাংকের এক মহিলাও যৌথভাবে পুরস্কারটি পান, তবে জালিয়াতি করে তিনি তা একাই ভোগ করেন। পুরস্কার নেওয়ার সময় ঐ মহিলা পুরস্কারটা নেন, তবে পরবর্তীতে তাকে তিনি নিখোঁজ করে ফেলেন। তাছাড়া পুরস্কার নেওয়ার সময় তিনি জালিয়াতী করে দেখান যে, জোবরা গ্রামের দরিদ্র মহিলারা ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বিরাট অট্টালিকা বানিয়েছে। আসলে ঐ বাড়িটি ছিল ঐএলাকার এক প্রবাসীর। এখানে তিনি জালিয়াতির আশ্রয় নেন ।

গ্রামীণের ক্ষুদ্রঋণ: অনেক ঋণ গ্রহীতা সর্বস্ব হারিয়েছেন

ওয়াশিংটন ভিত্তিক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য মতে, যারা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন তাদের মধ্যে ৯১% শতাংশ ঋণ গ্রহীতা আরো অধিক ঋণে জর্জরিত হয়েছেন। অনেকেই নিজেদের বসতবাড়ি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।  তবে ড. ইউনূসের প্রচারণা এত শক্তিশালী যে, এসব গবেষণার ফলাফল খুব চাউর হয়নি। বাংলাদেশের পিকেএসের আরেক গবেষণায় অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদও চড়া সুদে গ্রামীণ ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে যে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে তা তুলে ধরেছেন।

ক্ষুদ্র ঋণের জনক: প্রথম ক্ষুদ্রঋণ ব‍্যাংক কোলোমবিয়ায় ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়

মুহাম্মদ ইউনুস নিজকে ক্ষুদ্র ঋণের জনক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে অনেক চেষ্টা করেন যদিও তিনি জানেন যে, ১৯৮২ সালে তার গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ২০ বছর পূর্বে দক্ষিণ আমেরিকার কোলোমবিয়ায় ১৯৬২ সালে প্রথম গ্রামীণ ব্যাংক স্থাপিত হয়। বঙ্গভূমে রবীন্দ্রনাথ এবং স‍্যার ফজলে আবেদের “ব্রাক”তার পূর্বে ক্ষুদ্রঝণ প্রদান করে বলে জানা যায়।

প্রফেসর ইউনূস যখন আমেরিকার ভেন্ডারবিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির ছাত্র ছিলেন তখন ওখানে কোলোমবিয়ার ক্ষুদ্রঋণ ব‍্যাংকে কয়েক কর্মচারী প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। তাদের ব্যাংকের প্রধান অন্তরায় ছিল রিপেমেন্ট (repayment) যা গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা তৈরি করেনি এবং ড. ইউনূসের মূলধন ও সুদ আদায়ের কৌশল একটি প্রশংসনীয় উদ্ভাবন।

আগামী নির্বাচন কি জালিয়াতিতে ভরা?

বস্তুত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জীবনটাই জালিয়াতিতে ভরা। তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যা জালিয়াতিতে পরিপূর্ণ — নিজের অবস্থান চিন্তা করেই তিনি সমগ্র বাঙালি জাতিকে জালিয়াতির বদনামে আখ‍্যায়িত করেন, যা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয় । তাকে এজন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে ।

সাধু সাবধান। ১২ই ফেব্রুয়ারি তিনি একটি পাতানো নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। এ নির্বাচনে দেশের বৃহত্তম দল আওয়ামী লীগ অংশ গ্রহণ করতে পারবে না।  অওয়ামী লীগ একটি নির্বাচনমুখী দল। সকল নির্বাচনে এ দল অংশ গ্রহণ করে থাকে । তবে এবারে জালিয়াতিতে চ্যাম্পিয়ান ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাদেরে নির্বাচন করতে দিবেন না। এতে আওয়ামী লীগের যত ক্ষতি হবে বরং তার চেয়ে সরকারেরই বড ক্ষতি হবে । কারণ এ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।

তাছাডা যারা এই পাতানো নির্বাচনে জয়লাভ করবেন তারা ইউনূসের জালিয়াতিতে মহা বিপদে পডতে পারেন এবং হতাশ হতে পারেন। এই নির্বাচনে যারা জিতবেন তারা সরকার গঠন করতে পারবেন কিনা সন্দেহ। যারা নির্বাচনে জয়লাভ করবেন, তারা গণপরিষদের সদস্য হবেন, সংসদ বা পার্লামেন্টের নয়।  তাদের কাজ হবে অবৈধ ইউনূস সরকারের সব অপকর্ম, দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, হত্যাকাণ্ড ইত্যাদিকে দায়মুক্তি দেওয়া। সূতরাং সাধু সাবধান । তাই সকল দল ও মতের লোকদের জন‍্য এবং আপামর দেশবাসীর জন্য এই পাতানো নির্বাচন বয়কট করা উচিত।

লেখক: অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন, সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রাক্তন স্থায়ী প্রতিনিধি।

(এই লেখার সকল তথ্যের দায় লেখকের। নিউজ ডিপ্লোমেটস- এর জন্য দায়ি নয়)

OPINION বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম ১২ ফেব্রুয়ারী পাতানো নির্বাচন : জালিয়াতির চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি? শিরোনাম দাম্পত্য জীবনের বেদনাদায়ক সময়গুলো আবার মনে পড়ছে শিরোনাম কোনো প্রত্যাশা নেই : নির্বাচন ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর কাছে তেমন কিছুই নয় শিরোনাম আ. লীগ নেতারা ভারত বসে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের পরিকল্পনা আঁকছেন শিরোনাম লিবিয়ায় সাবেক নেতা গাদ্দাফি পুত্র সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি নিহত শিরোনাম জামায়াত, যুক্তরাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় স্বার্থ এবং নির্বাচনে কৌশল