Wednesday, 04 February 2026
The News Diplomats
আল–জাজিরা :
Publish : 06:27 AM, 04 February 2026.
Digital Solutions Ltd

বাংলাদেশ নির্বাচন ২০২৬

কোনো প্রত্যাশা নেই : নির্বাচন ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর কাছে তেমন কিছুই নয়

কোনো প্রত্যাশা নেই : নির্বাচন ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর কাছে তেমন কিছুই নয়

Publish : 06:27 AM, 04 February 2026.
আল–জাজিরা :

দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলই বলছে, তারা মিয়ানমারকে প্রত্যাবাসনের জন্য চাপ দেবে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেটা বাস্তবসম্মত নয়। এদিকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাবিরোধী মনোভাবও বাড়ছে।

 

কক্সবাজার, বাংলাদেশ—বৃহস্পতিবার দুপুরে ১৯ বছর বয়সী মাহমুদুল হাসান বালুখালী রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে তার বাঁশ ও ত্রিপল দিয়ে বানানো ঘরের মেঝেতে বসার জায়গা গোছাচ্ছিলেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই ৩৫ জন ছোট শিশু ভেতরে ঢুকে পড়ে। হাসান নিজেও এখনো কিশোর বয়সে, কিন্তু তিনিই তাদের শিক্ষক। শিশুরা তাকে রাখাইন ভাষায় অভিবাদন জানায়: “সায়ার, নে কং লা? (স্যার, কেমন আছেন?)”

এই শিশুরা হাসানের কমিউনিটি-চালিত বেসরকারি স্কুলের ৮০ জন শিক্ষার্থীর অংশ, যেখানে তিনি তাদের বার্মিজ, ইংরেজি ও গণিত পড়ান।

কিন্তু কাছেই, একটি মোটরসাইকেলে থাকা বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা অন্য এক বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছিলেন। তিনি মাইকে করে দেশের আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে ঘোষণা দিচ্ছিলেন।

৯ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শরণার্থী ক্যাম্পের মানুষদের দোকান বন্ধ রাখতে এবং ক্যাম্পের বাইরে না যেতে বলা হয়। পাশাপাশি সতর্ক করে দেওয়া হয়—কেউ যদি কোনো রাজনৈতিক প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা যায়, তাহলে তাকে “কঠোর শাস্তি” দেওয়া হবে। এমনকি তার নিবন্ধন কার্ড ও ভর্তুকিযুক্ত খাদ্য রেশন পাওয়ার অনুমতিপত্র বাতিল হতে পারে।

কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোতে এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছে, যারা ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্মম দমন-পীড়নের মুখে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। যখন অধিকাংশ দেশ তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছিল, তখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ তাদের আশ্রয় দেয়।

তবে নির্বাচনী মৌসুমে দেওয়া এসব সতর্কবার্তা মনে করিয়ে দেয়, বাংলাদেশে তাদের জীবন একধরনের অনিশ্চয়তার জীবন—সীমিত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, রেশন, জীবিকার সুযোগ ও চলাচলের স্বাধীনতা।

বাংলাদেশের ১২ কোটি ৭০ লাখ ভোটার যখন তাদের পরবর্তী সরকার নির্বাচন করতে যাচ্ছে, তখন হাসানের মতো রোহিঙ্গা শরণার্থীরা জানে—তারা প্রকৃত অংশীজন নয়।

“আমার কোনো নতুন প্রত্যাশা নেই,” হাসান আল জাজিরাকে বলেন। “আমি মর্যাদা ও মানবাধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই। এই জীবন (বাংলাদেশে) আমার পছন্দ নয়।”

তবুও তিনি স্বীকার করেন, যে দুই প্রধান রাজনৈতিক জোট—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট—উখিয়া ও টেকনাফ অঞ্চলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিষয়ে কথা বলেছে। জাতীয় পর্যায়ের নেতারাও এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। এটাই তার সামান্য আশার জায়গা।

এটা যথেষ্ট নয়’

২০১৭ সালে, ১০ বছর বয়সে, পরিবারসহ অন্য রোহিঙ্গাদের সঙ্গে হাসান বাংলাদেশে আসে।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো হত্যাযজ্ঞ—যেখানে তাদের নাগরিকত্বই স্বীকৃত নয়—এখন আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে সম্ভাব্য গণহত্যা হিসেবে তদন্তাধীন। এদিকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে।

এর পর থেকে বাংলাদেশেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় অংশের রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছে।

রোহিঙ্গা প্রবাসী নেতা ও আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল কাউন্সিলের (এআরএনসি) সহ-সভাপতি নাই সান লুইন বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি তারা কৃতজ্ঞ হলেও “অ-একীভূতকরণ” নীতির কারণে রোহিঙ্গারা সমাজের প্রান্তেই রয়ে গেছে। ক্যাম্পগুলো কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা, রোহিঙ্গা শিশুরা বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রবেশ করতে পারে না।

“ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত সরকারকে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, জীবিকা এবং শরণার্থী ও স্বাগতিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে,” তিনি বলেন।

কিন্তু বাস্তবে কাজটি সহজ নয়। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার সহায়তায় চলছে—আর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্থায়ন কমে যাওয়ায় সীমিত সেবাগুলো আরও সংকুচিত হয়েছে।

“নিরাপত্তাহীনতা, অর্থসংকট, শিক্ষার অভাব এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে মানবিক পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হচ্ছে,” বলেন ইউনাইটেড কাউন্সিল অব দ্য রোহিঙ্গার সভাপতি সায়েদ উল্লাহ।

ক্যাম্পের ৬৪ বছর বয়সী দোকানদার হাফেজ আহমেদ বলেন, চিকিৎসাসেবা আগের চেয়ে খারাপ হয়ে গেছে।

“হাসপাতালে শুধু সাধারণ ওষুধই পাওয়া যায়। গুরুতর অসুস্থতা ধরা পড়লে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে বলা হয়, কিন্তু আমাদের সেই টাকা নেই,” তিনি বলেন। “রেশনও কমছে; এটা যথেষ্ট নয়।”

তরুণ রোহিঙ্গাদের জন্য, হাসানের মতো, ক্যাম্পের জীবন ভাঙা স্বপ্নের নাম।

“ক্যাম্পজীবন মানসিক আঘাত; এটা যেন কারাগারের জীবন,” তিনি বলেন। “আমি বিশ্বমানের শিক্ষক হতে চেয়েছিলাম, বিশ্বশিক্ষায় অবদান রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি নিজেকে কী বলব—একজন ভাগ্যহীন মানুষ?”

বাংলাদেশে জীবনের প্রতি হতাশা বাড়তে থাকায় আরও বেশি রোহিঙ্গা আবারও সেই ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রায় নামছে—এবার অন্য দেশে যাওয়ার আশায়।

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) নভেম্বরের এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, ২০২৫ সালে ৫,৩০০-এর বেশি রোহিঙ্গা বিপজ্জনক নৌযাত্রায় বের হয়েছিল। অনেকে মিয়ানমার ছাড়লেও, অনেকেই বাংলাদেশ থেকেও পালানোর চেষ্টা করছিল। মোট ৬০০ জনের বেশি নিখোঁজ বা নিহত হয়েছে।

২৩ বছর বয়সী বিবি খাদিজাও বাংলাদেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেন, নভেম্বর মাসে তিনি “ভালো জীবনের খোঁজে মালয়েশিয়া যেতে” চেয়েছিলেন। কিন্তু এক মানবপাচারকারী তাকে ও তার তিন বছরের ছেলেকে আটকে রাখে। পরে তিনি সন্তানসহ পালিয়ে যান। বাজারে স্থানীয়দের কাছে সাহায্য চাইলে, তিনি বলেন, তারা তাকে মারধর করে।

“তোমরা রোহিঙ্গা, সব সময় ঝামেলা তৈরি করো,”—এই কথা শুনেছিলেন তিনি। শেষে এক অপরিচিত স্থানীয় তাকে কিছু টাকা দিয়ে ক্যাম্পে ফিরতে সাহায্য করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদিজার গল্প ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা এক জটিল বাস্তবতার মাঝে রয়েছে—একদিকে সম্ভাব্য গণহত্যার শিকার, অন্যদিকে অপরাধ ও সামাজিক চাপের জন্য দায়ী হিসেবে চিহ্নিত।

নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ নতুন শুরুর দিকে তাকিয়ে থাকলেও, রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি—উভয় পক্ষের অনেকেই সম্প্রদায়টির জন্য নতুন কোনো সমাধানের আশা করছে।

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়’

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নেন। পরে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে ১,৪০০-এর বেশি মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনায় তাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

তার অপসারণের পর নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনা করছেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বিএনপি ও জামায়াত—দুটি প্রধান রাজনৈতিক শক্তি—রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বক্তব্য দিয়েছে।

“রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিএনপির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার,” আল জাজিরাকে বলেন বিএনপি নেতা ইসরাফিল খসরু। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী।

তিনি বলেন, “আমরা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে বিশ্বাস করি। মিয়ানমারে তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মতামত নিতে একটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে।“আমরা বিপুল সংখ্যক নীতিগত প্রস্তাব পেয়েছি,” বলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

“রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান আমাদের দলের অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার—তাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদাসহ নিজ দেশে ফেরানো। শুধু জাতিসংঘ নয়, চীন, ভারতসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদেরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানভীর হাবিব বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নির্বাচনী প্রচারণার বড় বিষয় নয়।

“পরবর্তী সরকারকে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে এই ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে,” তিনি বলেন।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক থমাস কিয়ান বলেন, যে দলই জিতুক না কেন, রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে জীবনমান উন্নয়নকে স্বাগত জানাবে। তবে তারা বাংলাদেশে অবস্থানকে সাময়িকই মনে করে—তাই প্রত্যাবাসনই মূল লক্ষ্য।

 

ফর্টিফাই রাইটসের পরিচালক জন কুইনলি সতর্ক করে বলেন, রোহিঙ্গাদের শুধু নির্বাচনী “রাজনৈতিক হাতিয়ার” হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

“যেই ক্ষমতায় আসুক, তাকে প্রত্যাবাসনের বাইরে একটি সমন্বিত রোহিঙ্গা কৌশল দিতে হবে। এখন প্রত্যাবাসনই একমাত্র এজেন্ডা হতে পারে না,” তিনি বলেন। “মিয়ানমারের জান্তা এখনও রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছে।”

সবাই অবশ্য রোহিঙ্গাদের প্রতি সহানুভূতিশীল নন।

ক্যাম্পের বাইরে উখিয়ার বাসিন্দা ২৯ বছর বয়সী ছাত্র মাহাবুব আলম রোহিঙ্গাদের “বোঝা” বলে আখ্যা দেন।

“তারা কম মজুরিতে স্থানীয় শ্রমবাজার দখল করছে, চাকরির সুযোগ কমে যাচ্ছে,” তিনি বলেন। তিনি মানবপাচারসহ স্থানীয় অপরাধের জন্যও রোহিঙ্গাদের দায়ী করেন।

রোহিঙ্গা নেতারা এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেও, উদ্বেগ শুধু স্থানীয়দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

সাবেক কূটনীতিক ও মিয়ানমারে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে মেজর জেনারেল (অব.) শহীদুল হক বলেন,

“মানুষ রোহিঙ্গা সমস্যার দীর্ঘসূত্রতায় বিরক্ত। এটা আইনশৃঙ্খলা ও জাতীয় নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলছে। সবাই চায়, পরবর্তী সরকার এই সমস্যার সমাধান করুক।”

সমাধান কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে কক্সবাজারের ক্যাম্পে ফিরে দোকানদার আহমেদ জানেন, তিনি কী চান—অধিকারসহ নিজ দেশে ফেরা।

“আমি আমার মাতৃভূমিতে মরতে চাই,” তিনি বলেন। “আমি ঘরে ফিরতে চাই।”

BANGLADESH বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম ১২ ফেব্রুয়ারী পাতানো নির্বাচন : জালিয়াতির চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি? শিরোনাম দাম্পত্য জীবনের বেদনাদায়ক সময়গুলো আবার মনে পড়ছে শিরোনাম কোনো প্রত্যাশা নেই : নির্বাচন ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর কাছে তেমন কিছুই নয় শিরোনাম আ. লীগ নেতারা ভারত বসে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের পরিকল্পনা আঁকছেন শিরোনাম লিবিয়ায় সাবেক নেতা গাদ্দাফি পুত্র সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি নিহত শিরোনাম জামায়াত, যুক্তরাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় স্বার্থ এবং নির্বাচনে কৌশল