মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারত সফর (২০—২২ অক্টোবর ২০২৬)করেছেন এমন সময়ে যখন অনেকের কাছেই মনে হচ্ছে যে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ক আবারও অস্থিরতার একটি চক্রে পড়েছে। বাণিজ্য আলোচনা স্থবির হয়ে পড়েছে, রাশিয়াকে কেন্দ্র করে মতপার্থক্য তীব্র হয়েছে, প্রকাশ্যে সমালোচনা বেড়েছে এবং ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি জনমত রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। বাণিজ্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা এবং আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা তাদের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে, বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নয়াদিল্লির অনমনীয় অবস্থান, রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং চীনের সাথে নতুন করে সম্পৃক্ততা—ওয়াশিংটনের অনেকের মনেই ভারতের প্রতি সংশয় জাগিয়ে তুলেছে।
তবে, প্রকাশ্যে চলা এই বিরোধের আড়ালে উভয় দেশ প্রতিরক্ষা-শিল্প সম্পর্ক, মহাকাশ গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও কার্যক্রমের ক্ষেত্রে কার্যকর সহযোগিতা আরও গভীর করে চলেছে। সম্পর্কের অবনতি সত্ত্বেও, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে একসঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা এই অংশীদারিত্বের মধ্যে এখনো টিকে আছে।
এই আপাত বৈপরীত্যের একটি সহজ ব্যাখ্যা থাকতে পারে। ব্যর্থতাগুলো সাধারণত সবার সামনে আসে, রাজনৈতিকভাবে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে এবং দ্রুত দৃশ্যমান হয়; কিন্তু সাফল্যগুলো প্রায়শই আড়ালে থাকে, অত্যন্ত কারিগরি প্রকৃতির হয় অথবা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হতে কয়েক বছর সময় নেয়। ফলে, কৌশলগত ভিত্তির তুলনায় রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতিবাচক ধারণা অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।
এই অস্থিরতার সূত্রপাত মূলত বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে। বাজার প্রবেশাধিকার, শুল্ক এবং রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের তেল কেনার বিষয় নিয়ে উভয় সরকারের মধ্যে মতভেদ এখনো রয়ে গেছে। এই অর্থনৈতিক বিরোধগুলো আসলে একটি গভীর ভূ-রাজনৈতিক পার্থক্যের প্রতিফলন: ওয়াশিংটন (এবং ব্রাসেলস) মস্কোকে ইউরোপীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি সক্রিয় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞামূলক আইনগুলোর কারণে নয়াদিল্লিও এই পরিস্থিতির চাপে পড়েছে। অন্যদিকে, ভারত রাশিয়াকে দেখে জ্বালানি নিরাপত্তা, দীর্ঘদিনের সামরিক সরঞ্জাম নির্ভরতা এবং কৌশলগত নমনীয়তার দৃষ্টিকোণ থেকে। পশ্চিমা বিশ্বের সমালোচনাকে ভারত ‘ভণ্ডামি’ বলে মনে করে এবং তা তাদের কাছে অত্যন্ত আপত্তিকর।
যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনও এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। ‘ট্রাস্ট ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে হোয়াইট হাউসের একটি প্রতিনিধি দলের নয়াদিল্লি সফরের ঠিক কয়েক দিন আগে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কর্তৃক ভারতীয় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ নীতিগত সামঞ্জস্যের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
গত এক বছরের মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি দুই দেশের সম্পর্ককে চাপের মুখে ফেলেছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে ঘনিষ্ঠতা স্থাপনের সমালোচনা করেছেন; তাদের মতে, এতে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জগুলোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সহানুভূতি নেই। এছাড়া, ইরানের সঙ্গে সংঘাত ভারতের ওপর তীব্র অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে, যার ফলে নয়াদিল্লি বাধ্য হয়ে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তদুপরি, চীনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গি ভারতের মনে দ্বিমেরু বিশ্বের পুরনো আশঙ্কাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে—এমন একটি বিশ্বব্যবস্থা যা ভারতের উত্থানকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
এই ধরনের মতপার্থক্যগুলো ভবিষ্যতের কোনো সংকটে প্রতিটি দেশ কেমন আচরণ করবে, সে বিষয়ে জনমনে থাকা প্রত্যাশাকে প্রভাবিত করে। একবার পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি দেখা দিলে, প্রতিটি ছোটখাটো বিরোধই যেন এক বড় ধরনের বিশ্বাসঘাতকতার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।
রাজনৈতিকভাবে আলোচিত উত্তেজনাগুলোর ওপর অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়ার ফলে অনেক সময় সেই ধারাবাহিক ও উপেক্ষিত অগ্রগতিগুলো আড়ালে পড়ে যায়, যা প্রকৃতপক্ষে উভয় পক্ষের জন্য একটি বড় কৌশলগত উৎকর্ষ সাধন করেছে।
মার্কিন-ভারত সম্পর্ক প্রায়শই আশাবাদ ও হতাশার চক্রের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। সংবাদ শিরোনামে উঠে আসা রাজনৈতিক মতপার্থক্যগুলো সত্ত্বেও, এই সম্পর্কের সামগ্রিক গতিপথ ঊর্ধ্বমুখী; অর্থাৎ, প্রতিটি ইতিবাচক পর্যায়ে সহযোগিতার মাত্রা আগের চেয়ে আরও গভীর হয়।
বর্তমানে, ব্যক্তিগত পর্যায়ের সম্পর্ক, বাণিজ্যিক স্বার্থ এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি, উভয় দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা-শিল্প অংশীদারিত্ব, প্রযুক্তিতে যৌথ বিনিয়োগ, নিয়মিত সামরিক মহড়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যকার আলোচনার এক নিবিড় নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। এই নেটওয়ার্কগুলো সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক ধরনের সহনশীলতা তৈরি করে। এমনকি যখন নতুন কোনো সহযোগিতামূলক উদ্যোগ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ে, তখনও এই কাঠামোটি কূটনৈতিক সম্পর্ককে—একটি ‘বাগানের’ মতো—যত্নসহকারে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে, যা পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন এবং যৌথ প্রচেষ্টার ধারা অব্যাহত রাখার জন্য অপরিহার্য।
অনেক পর্যবেক্ষক বলেন যে, চীনকে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত পরাশক্তিতে পরিণত হতে সহায়তা করার ফলে তারা এখন আমেরিকার সবচেয়ে বড় কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে, ভারতের উত্থানের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন এবার ভিন্ন পথে এগোতে বদ্ধপরিকর।
চলতি বছরের শুরুর দিকে নয়াদিল্লি সফরের সময় ডেপুটি সেক্রেটারি অফ স্টেট ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ এই বিষয়টি তুলে ধরেন। ল্যান্ডাউ স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে, চীন-সংক্রান্ত ভুলের পুনরাবৃত্তি আমেরিকা আর করবে না। অর্থাৎ, ভারতকে এমনভাবে গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না—যেখানে তারা সব বাজার ও সক্ষমতা অর্জন করে শেষ পর্যন্ত ‘অনেক বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে আমাদেরই পেছনে ফেলে দেবে।’
এই মন্তব্যটি ভারতের উত্থান নিয়ে ওয়াশিংটনের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্বিবেচনারই প্রতিফলন। এর দুই মাস আগে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পাঁচ বছর মেয়াদী কৌশলগত পরিকল্পনায় ভারতের উল্লেখ ছিল মাত্র একবার। সেখানে বলা হয়, ওয়াশিংটন ‘ভারতের মতো ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক অর্থনীতির দেশগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায়, তবে তা হতে হবে এমন শর্তে—যা আমেরিকার নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে এগিয়ে নেবে এবং অতীতের ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি রোধ করবে।’
কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও অংশীদারিত্ব নিয়ে দুদেশের মধ্যে স্পষ্ট অবস্থানের ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন কেবল ভারতের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়। প্রতিটি বড় শক্তিই নিজেদের কাজের স্বাধীনতা বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকে, আর এক্ষেত্রে আমেরিকাও ব্যতিক্রম নয়। সুতরাং, সমস্যাটি কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন নিয়ে নয়। বরং সমস্যাটি হলো ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যকার ক্রমবর্ধমান টানাপোড়েন নিয়ে—যেখানে ওয়াশিংটন আশা করে যে ভারতের উত্থান আমেরিকার কৌশলগত লক্ষ্যগুলোকে আরও শক্তিশালী করবে, অন্যদিকে নয়াদিল্লি চায় তাদের ক্রমবর্ধমান শক্তি যেন তাদের কাজের স্বাধীনতাকে সংকুচিত না করে বরং আরও প্রসারিত করে।
বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনা স্থবির হয়ে আছে। ভারত একটি উৎপাদনমুখী শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হতে চায়, বাইরের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চায় এবং কৌশলগত শিল্পগুলোকে সুরক্ষা দিতে চায়। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজারে—যা বিশ্বের বৃহত্তম এবং দ্রুত বর্ধনশীল বাজারগুলোর একটি—আরও বেশি প্রবেশাধিকার চায়।
তবে,অনেক বিশ্লেষকের মতে, এই উত্তেজনাগুলো নিয়ন্ত্রণযোগ্য, যদি ওয়াশিংটন অংশীদারিত্বকে (partnership) পুরোপুরি একাত্মতা (alignment) বলে ভুল না করে এবং নয়াদিল্লি কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে কৌশলগত অবাধ্যতা (strategic defiance) বলে গুলিয়ে না ফেলে।
বেইজিংয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনের অভিজ্ঞতা চীন-সংক্রান্ত নতুন আলোচনার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে; এটি অর্থনৈতিক আন্তঃনির্ভরশীলতার বিষয়ে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে। আগে ধারণা করা হতো যে, কোনো উদীয়মান শক্তিকে আরও ধনী হতে এবং বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হতে সাহায্য করলে তারা দায়িত্বশীল অংশীদার হয়ে উঠবে, এমনকি হয়তো কৌশলগত মিত্রও হতে পারে।
বর্তমানে ওয়াশিংটন যে শিক্ষাটি পাচ্ছে তা এই নয় যে ভারতের উত্থানকে থামিয়ে দিতে হবে, বরং এর অর্থ হলো—অন্য কোনো বড় শক্তির উত্থানে সহায়তা করার সময় আমেরিকাকে শর্তাবলির বিষয়ে আরও সতর্ক হতে হবে।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, চীনও ভারতের উত্থানকে বাধাগ্রস্ত করার পদক্ষেপ নিচ্ছে। এ বছর বেইজিং ভারতের জন্য নির্দিষ্ট কিছু রপ্তানি বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যাকে ভারতের একটি বিকল্প বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার প্রক্রিয়াকে ধীর করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে নিজেদের আধিপত্যকে কাজে লাগিয়ে চীন ভারতে উৎপাদন সরঞ্জাম, শিল্পাংশ, লিথিয়াম-আয়ন ও ব্যাটারি প্রযুক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের একে অপরের প্রয়োজন এখনো রয়েছে, তবে তাদের সম্পর্কটি আরও বাস্তবসম্মত ভিত্তির ওপর গড়ে তোলা প্রয়োজন। নয়াদিল্লির জন্য চ্যালেঞ্জ হলো—নিজেদের স্বার্থ বিসর্জন না দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশাগুলোকে সামাল দেওয়া। আর ওয়াশিংটনের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো—এটি মেনে নেওয়া যে, একটি প্রকৃত শক্তিশালী ভারত মাঝেমধ্যে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারে যা আমেরিকার পছন্দ নাও হতে পারে। ওয়াশিংটনের এটি উপলব্ধি করা উচিত যে, একটি শক্তিশালী ভারত একটি মূল্যবান অংশীদার হতে পারে ঠিক এই কারণেই যে, তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম। ট্রাম্প প্রশাসন যখন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকে তাদের নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আরও বেশি করে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে, তখন প্রতিরক্ষা নীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি ঘোষণা করেছেন, “ভারত হলো এমন এক আদর্শ মিত্র, যারা নিজেদের প্রতিরক্ষার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখে।”
চীন বিষয়ক আমেরিকার অভিজ্ঞতা শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারে। তবে তা তখনই সম্ভব, যদি ওয়াশিংটন একজন স্বাধীন অংশীদার এবং সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে পার্থক্য করতে শেখে, আর নয়াদিল্লি এটি প্রমাণ করে যে, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রেখেও পারস্পরিক সহযোগিতা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। (ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক-০২ আগামীকাল)
দুলাল আহমদ চৌধুরী, সম্পাদক ও প্রকাশক, News Diplomats
www.newsdiplomats.com
ইমেইল: [email protected]
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats