২০১০-এর দশক মধ্যপ্রাচ্য-কেন্দ্রিক ভূরাজনীতিতে দ্রুত পরিবর্তন নিয়ে আসে; এই সময়ে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর ভূমিকা হ্রাস পায় এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর প্রভাব বৃদ্ধি পায়। এই আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে তুরস্ক ও ইরান গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করে। তুরস্কের উত্থানের সাথে সাথে তার আঞ্চলিক কৌশল এবং সামগ্রিক পররাষ্ট্রনীতির ধারণাগত ভিত্তিরও পরিবর্তন ঘটে; অন্যদিকে, ইরান মূলত আগে থেকেই বিদ্যমান আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের কৌশলের ওপর নির্ভর করে এবং কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার চেয়ে বরং স্বাভাবিক ধারাবাহিকতার (inertia) কারণেই তার ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়।
বর্তমানে লিবিয়া, সিরিয়া ও ইরাকের ক্ষমতার ভারসাম্য বিবেচনা করার সময় তুরস্কের বিষয়টিকে উপেক্ষা করা অসম্ভব। ২০২৩ সালের পর থেকে ইরানের প্রভাব কিছুটা হ্রাস পেলেও, লেবানন ও ইরাক থেকে শুরু করে ইয়েমেন ও উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো পর্যন্ত এখনও তার প্রভাবের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
ইতিহাসের দিকে তাকালে, এই অঞ্চলে ইরান ও তুরস্ক নিয়ে আলোচনা সাধারণত শুরু হয় উসমানীয় ও সাফাভিদ সাম্রাজ্যের যুগের ঐতিহাসিক পর্যালোচনা, মেসোপটেমিয়া ও তার বাইরে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং তাদের আদর্শগত সংঘাত—সুন্নিবাদ বনাম শিয়াবাদ—দিয়ে।
ঐতিহাসিক মানদণ্ডে একটি সংক্ষিপ্ত বিরতির পর, ২০১০-এর দশকে দেশ দুটি তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিরাচরিত চক্রে ফিরে আসে। আরব বসন্তের ঘটনাপ্রবাহ উভয় পক্ষকে তাদের প্রভাব বিস্তারের নতুন সুযোগ করে দেয়। নবায়িত আদর্শগত আখ্যান দ্বারা শক্তিশালী আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে একটি সুস্পষ্ট আদর্শগত মাত্রা প্রদান করে। তুরস্ক আরব দেশগুলোতে (মিশর, সিরিয়া, লিবিয়া) মুসলিম ব্রাদারহুডের ঘনিষ্ঠ শক্তিগুলোর ক্ষমতায় আসাকে সমর্থন করে, অন্যদিকে ইরান তার শিয়া অক্ষকে প্রসারিত করে। সিরিয়া সংঘাতের প্রধান রণাঙ্গনে পরিণত হয়।
ইরান ও তুরস্ক—উভয় দেশই সিরিয়াকে তাদের আঞ্চলিক প্রভাবের অন্যতম উৎস হিসেবে বিবেচনা করে। তেহরানের কাছে সিরিয়ার ভূখণ্ড হলো ‘প্রতিরোধের অক্ষ’ (axis of resistance)-এর এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোগসূত্র, লেবাননে হিজবুল্লাহকে অস্ত্র সরবরাহের একটি কেন্দ্র এবং পারস্য উপসাগর থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত প্রভাব বিস্তারের একটি মাধ্যম। অন্যদিকে, আঙ্কারা সিরিয়ায় নিজেদের উপস্থিতিকে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রতীকী প্রত্যাবর্তনের স্বীকৃতি এবং সিরিয়ায় সক্রিয় কুর্দি শক্তিগুলোর (তুরস্কের দৃষ্টিতে যারা ‘কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি’ বা পিকেকে-রই একটি বর্ধিত অংশ) সৃষ্ট হুমকি নির্মূল করার সুযোগ হিসেবে দেখে।
২০২৪ সালে আসাদ সরকারের পতন এবং ইসলামপন্থী শক্তির ক্ষমতায় আরোহণের ফলে সিরিয়া ও ইরানের মধ্যে পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা মৈত্রীর অবসান ঘটে। মনে করা হচ্ছিল, এর ফলে দেশটিতে ইরানের বহু-বিলিয়ন ডলারের দীর্ঘদিনের বিনিয়োগও ভেস্তে গেছে এবং তুরস্কের জন্য এক নতুন সুযোগের দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
দামেস্ক দখলকারী শক্তিগুলোর প্রধান মিত্র হিসেবে তুরস্ক সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একচ্ছত্র ভূমিকা দাবি করছে। আঙ্কারা মূলত তিনটি প্রধান লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে:
১) উত্তর সিরিয়ায় কুর্দি স্বায়ত্তশাসনের সম্পূর্ণ অবসান, সীমান্তে একটি ‘বাফার জোন’ বা মধ্যবর্তী নিরাপত্তা বলয় তৈরি এবং কুর্দি-নেতৃত্বাধীন ‘সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস’-কে নিয়মিত সিরীয় সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত করা। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে এই প্রক্রিয়ার সূচনাকে আঙ্কারার জন্য একটি সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে; কারণ তারা সিরীয় কুর্দিদের ওপর একটি কৌশলগত পরাজয় চাপিয়ে দিতে চাইছে।
২) তুরস্ক থেকে সিরীয় শরণার্থীদের (যাদের সংখ্যা আনুমানিক ৪০ লাখ) নিজ দেশে ফেরত পাঠানো। সিরীয় শরণার্থীরা আঙ্কারার অর্থনীতির ওপর এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে; তাই তারা সিরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবকাঠামো গড়ে তুলছে এবং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ প্রায় পাঁচ লাখ সিরীয় নাগরিককে তাদের মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে নিয়েছে।
৩) দামেস্কে এমন একটি শাসনব্যবস্থা বজায় রাখা—যা দেশের সমগ্র ভূখণ্ডের ওপর সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এবং উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর আর্থিক সহায়তায় আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সক্ষম; পাশাপাশি সিরিয়ার প্রধান বহিরাগত শক্তি হিসেবে তুরস্কের ওপর নির্ভরশীল থাকবে।
যদিও প্রথম লক্ষ্যটি নতুন সিরীয় সরকারের স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তবুও অন্য দুটি লক্ষ্যের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের অবস্থানে ভিন্নতা রয়েছে। সিরীয়দের ব্যাপক হারে ফিরে আসা সিরিয়ার অর্থনীতির জন্য এমন একটি বোঝা যা বহন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়, বিশেষ করে যখন দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা এখনো অস্পষ্ট। এটিও স্পষ্ট যে, সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার জন্য আঙ্কারার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়াটা সুবিধাজনক নয়; আর এ কারণেই তিনি সম্পর্ক বহুমুখী করার—বিশেষ করে উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের—বিষয়ে আগ্রহী।
পরিস্থিতির এই বিন্যাস ইরানের জন্য কিছু সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। বিপুল বিনিয়োগের মাধ্যমে গড়ে তোলা স্থানীয় সমর্থন-ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে তেহরান এই সংকটের মধ্যেও তার হারানো অবস্থান আংশিকভাবে পুনরুদ্ধার করতে এবং নিজের প্রভাব পুনরায় সক্রিয় করতে সক্ষম।
ইরাকের ক্ষেত্রে শক্তির বিন্যাস ভিন্ন। এখানে ইরান তার সুপ্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে; অন্যদিকে তুরস্কের উপস্থিতি অনেক সীমিত এবং তা মূলত সামরিক প্রকৃতির। তেহরান ইরাককে ‘প্রতিরোধ অক্ষ’ (axis of resistance)-এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করে, যা লেভান্ট (Levant) অঞ্চলের পথে কৌশলগত গভীরতা ও সংযোগ সুবিধা প্রদান করে।
ইরানের প্রভাব মূলত তিনটি কাঠামোগত সম্পদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে:
১) রাজনৈতিক-প্রশাসনিক: শিয়া রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে এবং ক্ষমতাসীন জোট গঠনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এই প্রভাব বিস্তার করা হয়; এর ফলে তেহরান বাগদাদে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সরাসরি প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়।
একই সাথে, ইরানের অবস্থান পুরোপুরি নির্মূল করার বিষয়ে তুরস্কের কোনো আগ্রহ নেই। আঙ্কারা আশঙ্কা করে যে, প্রভাবের ক্ষেত্রে হঠাৎ কোনো শূন্যতা সৃষ্টি হলে তা বিশৃঙ্খলা ও অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন সমস্যার জন্ম দেবে। তাই তুরস্কের কৌশলের লক্ষ্য ইরানকে হটিয়ে দেওয়া নয়, বরং আঞ্চলিক ভারসাম্যকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যাওয়া যা আরও স্থিতিশীল ও পূর্বাভাসযোগ্য এক কাঠামো গড়ে তোলে।
কিছু কৌশলগত স্বার্থের মিল থাকার ফলে ইরান ও তুরস্কের সম্পর্কের মধ্যে সীমিত মাত্রায় পারস্পরিক সমন্বয়ের বিষয়টিও বিদ্যমান।
প্রথমত, এই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের ভূমিকা নিয়ে তুরস্ক ও ইরান—উভয় দেশই অসন্তুষ্ট; তাই মার্কিন প্রভাব কমিয়ে আনার বিষয়ে উভয়েরই আগ্রহ রয়েছে। তেহরানের জন্য, বর্তমান সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি হটিয়ে দেওয়াটা তাদের রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থার টিকে থাকার জন্য একটি অপরিহার্য শর্ত এবং এর অর্থ হলো সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দূর করা। অন্যদিকে আঙ্কারার ক্ষেত্রে বিষয়টি ‘কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন’-এর সাথে সম্পর্কিত: তুরস্ক তার পররাষ্ট্রনীতিতে বৈচিত্র্য আনতে এবং ন্যাটোর ‘জুনিয়র’ বা অনুগত মিত্রের তকমা ঝেড়ে ফেলতে সচেষ্ট।
দ্বিতীয়ত, উভয় দেশই কুর্দি সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর কার্যক্রমকে অস্থিতিশীলতা ও বিচ্ছিন্নতাবাদের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করে। এর ফলে উত্তর ইরাক ও সিরিয়া বিষয়ক কৌশলের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে এক ধরনের সমন্বয় গড়ে উঠেছে; যার মধ্যে রয়েছে তথ্য আদান-প্রদান এবং কুর্দি সংগঠনগুলোর ওপর যুগপৎ চাপ প্রয়োগ। এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ইরান ও তুরস্কের মধ্যকার সমন্বয়—যখন ইরানি ভূখণ্ডে কুর্দিদের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের হুমকি দেখা দিয়েছিল। তুরস্ক অনুধাবন করে যে, এ ধরনের পরিস্থিতির ফলে সমস্যাটি ইরাক ও তুরস্কের ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
তৃতীয়ত, দেশ দুটিকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসার আরেকটি কারণ হলো ইসরায়েলের প্রতি তাদের অভিন্ন বৈরী মনোভাব। গাজায় সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সমালোচনার ধরন ইরানের অবস্থানের সাথে অনেকটাই মিলে গেছে এবং ইহুদি রাষ্ট্রটির সাথে তুরস্কের সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটেছে। দীর্ঘমেয়াদে এর ফলে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে; আর এমনটি ঘটলে তা কেবল তুরস্ককেই নয়, বরং ‘সুন্নি অক্ষ’ভুক্ত দেশগুলোকেও (পাকিস্তান, সৌদি আরব ও কাতার) তেহরানের সাথে কৌশলগত ঘনিষ্ঠতার দিকে ধাবিত করবে।
মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ রূপান্তরের ক্ষেত্রে মূল বিষয়টি হলো একদিকে ইরান এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ও ক্রমবিকাশমান সংঘাত। এই সংঘাতের মাত্রা ও তীব্রতার ওপর কেবল তেহরানের অবস্থানই নয়, বরং তুরস্ক ও উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রসহ অন্যান্য আঞ্চলিক শক্তিগুলোর আচরণও নির্ভর করবে।
ইরান ও তুরস্কের মধ্যকার সম্পর্ক এবং এই অঞ্চলে তাদের গৃহীত নীতিগুলো বেশ কিছু বিষয়ের সমন্বয়ে নির্ধারিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে—সিরিয়া ও ইরাকে নতুন রাজনৈতিক বিন্যাসের স্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার মাত্রা এবং সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতা।
কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়া সত্ত্বেও, তুরস্ক ও ইরান বর্তমানে একে অপরকে প্রধান বা অগ্রাধিকারযোগ্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে না। ২০২৩ সালের পরবর্তী ঘটনাবলির প্রেক্ষাপটে তাদের মধ্যে যে কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা বা সমঝোতা দেখা গেছে, তা কোনোভাবেই তাদের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে অস্বীকার করে না; বরং ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা বলে যে, উভয় পক্ষই সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে সীমিত সমন্বয়ের পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতাও বজায় রাখতে পছন্দ করে।
নিয়ন্ত্রিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাই সম্ভবত সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি। সিরিয়া ও ইরাকে প্রভাব বিস্তারের জন্য ইরান ও তুরস্কের মধ্যে প্রতিযোগিতা অব্যাহত থাকবে, তবে একই সাথে তারা রাজনৈতিক যোগাযোগের পথগুলো খোলা রাখবে এবং সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে চলবে। তুরস্কের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের বিষয় হবে কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা এবং সিরিয়া ও ইরাক—উভয় দেশেই নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব সুসংহত করা। অন্যদিকে, ইরান ইরাকে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার মাধ্যমে সিরিয়ায় দুর্বল হয়ে পড়া অবস্থান পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে।
তবে ইরানের আরও দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিতে অভ্যন্তরীণ সংকট ঘনীভূত হলে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপ তীব্র হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে তুরস্ক সিরিয়ায় তার আধিপত্যবাদী প্রভাব সুসংহত করতে, ইরাকে অর্থনৈতিক উপস্থিতি বাড়াতে এবং উপসাগরীয় রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর সাথে সমন্বয় জোরদার করতে সক্ষম হবে। একই সাথে, সিরিয়ায় আল-শারা-র নেতৃত্বাধীন সরকারের স্থিতিশীলতা এবং দেশটির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আঞ্চলিক অস্থিরতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।
দুলাল আহমদ চৌধুরী, সম্পাদক ও প্রকাশক, News Diplomats
www.newsdiplomats.com
ইমেইল: [email protected]
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats