মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ওয়াশিংটনের কৌশলগত মহলে তাইওয়ান নীতি নিয়ে এক নতুন ও জটিল বিতর্কের সূচনা হয়েছে। ঐতিহ্যগত 'তাইওয়ান-প্রতিরক্ষা' ও 'প্রতিরোধ-পুনর্ভারসাম্য' শিবিরের প্রভাব কমিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন এখন মূলত প্রথাগত 'কৌশলগত অস্পষ্টতা' (Strategic Ambiguity) এবং লেনদেনভিত্তিক দরকষাকষির (Transactional Bargaining) নীতিতে ফিরে এসেছে। 'মেকিং আমেরিকা গ্রেট এগেইন' দর্শনে চালিত এই নতুন নীতিতে তাইওয়ানকে একই সাথে চীনের সাথে দরকষাকষির হাতিয়ার এবং অর্থনৈতিক সর্বোচ্চ সুবিধা আদায়ের (Maximum Extraction) মাধ্যমে ঝুঁকি কমানোর (De-risking) ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তাইওয়ানের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্প হস্তান্তরের উদ্যোগের পাশাপাশি ওয়াশিংটনে 'ধাপে ধাপে তাইওয়ান পরিত্যাগ'-এর পক্ষে উদীয়মান যুক্তিগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সমীকরণে তাইওয়ানের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব এখন এক অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
২৩—২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন শীর্ষ বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেনন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর মধ্যকার আলোচনার পর চীনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট শি আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র "তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা"—র সঠিক অবস্থান বজায় রাখবে।
হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে তাইওয়ানের কোনো উল্লেখ নেই। তবে এতে বলা হয়েছে, "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ইন্দো—প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি একটি অবাধ ও উন্মুক্ত আঞ্চলিক ব্যবস্থা বজায় রেখেছে, যা আমেরিকার সমৃদ্ধির ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।" এটিকে পরোক্ষভাবে এই বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হিসেবে দেখা যেতে পারে যে, তাইওয়ান প্রণালীতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের অনুকূল।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন যে, উভয় পক্ষ তাইওয়ান নিয়ে খুব বেশি সময় আলোচনা করেনি এবং এই বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে চীন পুরোপুরি অবগত ছিল।
গণমাধ্যমের সাথে এক সাক্ষাৎকারে চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডু বলেন, যদিও চীন তাইওয়ান বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিবর্তনের জন্য বারবার চাপ দিয়েছে, তবুও যুক্তরাষ্ট্রের ভাষা ও নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান প্রণালীতে শান্তি চায়, জোরজবরদস্তির বিরোধিতা করে এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না। ওয়াশিংটনের মতে, বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বোঝে। পারডু আরও বলেন যে, ট্রাম্প তাইওয়ান ইস্যুতে সম্মান প্রদর্শন করেছেন এবং চীনা পক্ষের কথা শুনেছেন; এছাড়া গত এক দশকের তুলনায় তাইওয়ান বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এখন অনেক বেশি স্থিতিশীল।
অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত কেবল কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিবেচনার ওপরই নির্ভর করে না, বরং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা—শিল্প সক্ষমতা, অস্ত্রের মজুদ এবং বিশ্বজুড়ে প্রতিরক্ষা চাহিদার ওপরও নির্ভর করে। তাই সংশ্লিষ্ট অস্ত্র বিদেশে বিক্রির মতো পর্যাপ্ত সক্ষমতা তাদের আছে কি না, তা ওয়াশিংটনকে যাচাই করে দেখতে হবে। প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে (ট্রাম্প ২.০ যুগে) তাইওয়ান নীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মহলে (strategic community) চলমান বিতর্কে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। একদিকে, 'স্থিতাবস্থা বজায় রাখা'র পক্ষের শিবিরের (status-quo camp) অন্তর্ভুক্ত 'তাইওয়ান—প্রতিরক্ষা' (Taiwan-defence camp) ও 'প্রতিরোধ—পুনর্ভারসাম্য' (deterrence-rebalancing camp) পক্ষের গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব কমেছে; বিপরীতে, 'কৌশলগত অস্পষ্টতা'র (strategic ambiguity) নীতিতে ফিরে যাওয়ার মূলধারার ঐকমত্যটি (mainstream consensus) পুনরায় শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মহলে তাইওয়ানকে পরিত্যাগ করার পক্ষের যুক্তিগুলোও উল্লেখযোগ্য গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। 'নিউ রাইট' বা নতুন ডানপন্থী ধারার প্রবক্তা—সমর্থিত কৌশলগত সংকোচন ও পররাষ্ট্রনীতিতে সংযমের ধারণা তাইওয়ান—পরিত্যাগের এই যুক্তিকে বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তি জুগিয়েছে। পাশাপাশি ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন ধীরে ধীরে তাইওয়ান—পরিত্যাগের পক্ষের মতাদর্শ বিস্তারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।
প্রথমত, যুদ্ধ এড়ানোর বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের আগ্রহ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মহলে মূলধারার ঐকমত্যের পুনরুত্থান—উভয়ই মার্কিন তাইওয়ান নীতিকে প্রথাগত 'কৌশলগত অস্পষ্টতা'র দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন লেনদেন—ভিত্তিক দরকষাকষির (transactional bargaining) মাধ্যমে বাণিজ্যিক সুবিধা আদায়ের পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চায়। নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে তাইওয়ানের গুরুত্ব এবং 'প্রথম দ্বীপ শৃঙ্খল' (first island chain)—এর ক্ষেত্রে এর ভৌগোলিক গুরুত্বের কথা তুলে ধরা হলেও, শেষ পর্যন্ত এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার ওপরই অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের দৃষ্টিতে, চীনের মূল ভূখণ্ডের তুলনায় তাইওয়ানের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক কম। হোয়াইট হাউসে নিজের সময়কালের স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থে জন বোল্টন উল্লেখ করেছেন যে, ট্রাম্প প্রায়শই তাইওয়ানকে একটি 'শার্পি' (Sharpie) কলমের ডগার সাথে এবং চীনকে ওভাল অফিসের 'রেজলুট ডেস্ক' (resolute desk)—এর সাথে তুলনা করতেন।
দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প তাইওয়ানকে চীনের সাথে সামগ্রিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দরকষাকষির হাতিয়ার এবং একইসাথে সেই সম্পর্কের স্থিতিশীলতা ও পূর্বাভাসযোগ্যতা বজায় রাখার মাধ্যম—উভয় হিসেবেই বিবেচনা করেছেন। এটি 'তাইওয়ান কার্ড'কে বিপরীতমুখীভাবে ব্যবহারের একটি স্পষ্ট প্রবণতাকেই প্রতিফলিত করে। ক্ষমতায় ফেরার পর অন্তত চারটি ভিন্ন ঘটনায় ট্রাম্প প্রকাশ্যে তাইওয়ানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি বরাবরই 'কৌশলগত অস্পষ্টতা'র অবস্থান বজায় রেখেছেন।
এর মধ্যে প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৫ সালের মে মাসে। জেনেভায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিষয়ক টিমগুলো আলোচনায় বসেছিল। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন: “তারা চীনকে উন্মুক্ত করতে—পুরোপুরি উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। আমার বিশ্বাস, এটি চীনের জন্য চমৎকার হবে, আমাদের জন্যও দারুণ হবে এবং ঐক্য ও শান্তির ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান যে শি জিনপিং তাঁকে বলেছিলেন: “আপনি যতদিন প্রেসিডেন্ট থাকবেন, ততদিন আমি কখনোই এমনটা করব না।”
তৃতীয় ঘটনাটি ঘটে ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর। সেদিন চীনের মূল ভূখণ্ড কর্তৃক তাইওয়ানে “আক্রমণ” চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর দেন: “আমার মনে হয় চীনের সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালোই থাকবে। চীন আসলে এমনটা করতে চায় না।”
সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'—এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে। সেখানে ট্রাম্প বলেছিলেন, "তিনি [শি জিনপিং] এটিকে চীনের অংশ বলে মনে করেন এবং তিনি কী করবেন তা তাঁর নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়।" বাস্তবে, ট্রাম্প চীন—যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার বৃহত্তর সম্ভাবনাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলে মনে হয়; যেমন—লাই চিং—তের (Lai Ching-te) পরিকল্পিত যুক্তরাষ্ট্র সফর বা ট্রানজিট অনুমোদন না করা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মধ্যে পরিকল্পিত বৈঠক বাতিল করা।
পলিসি বিতর্ক ও কৌশলগত ঐকমত্যের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, ওয়াশিংটনে তাইওয়ানকে ধীরে ধীরে পরিত্যাগ করার পক্ষে যে নতুন গোষ্ঠীটি গড়ে উঠছে, তারা 'কৌশলগত অস্পষ্টতা' (strategic ambiguity) বজায় রাখার বিষয়ে প্রথাগত 'স্থিতাবস্থা' (status-quo) বজায় রাখার পক্ষের গোষ্ঠীর সাথে একটি সাময়িক ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এটি মূলধারার ঐকমত্যকে পুনরায় সুসংহত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠেছে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলগত অস্পষ্টতা নীতি মেনে চলার বিষয়টিকে প্রয়োজনীয় সমর্থন জুগিয়েছে। কিছু প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ইতিমধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের তাইওয়ান বিষয়ক নীতিতে সংযম প্রদর্শনের বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তবে এটি জোর দিয়ে বলা যায় যে, এই অবস্থান পরিবর্তন তাইওয়ান ইস্যুর জটিলতা বা কৌশলগত অস্পষ্টতার নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে আসার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ট্রাম্পের গভীর কোনো উপলব্ধির প্রতিফলন নয়। বরং, কৌশলগত অস্পষ্টতা চীনের সাথে স্থিতিশীল ও লেনদেন—ভিত্তিক দরকষাকষির (transactional bargaining) ক্ষেত্রে তার প্রাধিকারকে এগিয়ে নিতে আরও ভালোভাবে সহায়তা করে এবং একই সাথে যুক্তরাষ্ট্রকে আঞ্চলিক ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। ভবিষ্যতে যদি চীন—যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য আলোচনায় কোনো জটিলতা দেখা দেয়, তবে ট্রাম্প আবারও 'তাইওয়ান কার্ড' ব্যবহার করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত, ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মহলে বিদ্যমান সেই ন্যূূনতম ঐকমত্যকে আরও জোরদার করছে যে, তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের সমসাময়িক কৌশলগত চিন্তাধারার পরিসরে—তাইওয়ানের প্রতিরক্ষার পক্ষে থাকা গোষ্ঠী থেকে শুরু করে তাইওয়ানকে পরিত্যাগ করার পক্ষে থাকা গোষ্ঠী পর্যন্ত—সবাই এই বিষয়ে ব্যাপক সমর্থন জানায় যে, তাইওয়ানের উচিত নিজস্ব প্রতিরক্ষায় আরও বেশি সম্পদ বিনিয়োগ করা এবং 'অপ্রতিসম সক্ষমতা' (asymmetric capabilities) ও 'পর্কুপাইন কৌশল' (porcupine strategy) গড়ে তোলা।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষার পক্ষের গোষ্ঠীটি যুক্তরাষ্ট্র—তাইওয়ান প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শনের ও তা সুদৃঢ় করার একটি মাধ্যম হিসেবে দেখে। অন্যদিকে, তাইওয়ানকে পরিত্যাগ করার পক্ষের গোষ্ঠীটি তাইওয়ানের শক্তিশালী আত্মরক্ষা সক্ষমতাকে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক চূড়ান্তভাবে সরে আসার (withdrawal) একটি পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচনা করে। এমনকি তাইওয়ানকে পরিত্যাগ করার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা চার্লস এল. গ্লেসারও যুক্তি দিয়েছেন যে, তাইওয়ানকে রক্ষার জন্য শক্তি প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রের স্পষ্টভাবে প্রত্যাহার করা উচিত, তবে একই সাথে অস্ত্র সরবরাহ এবং 'পর্কুপাইন কৌশল'—এর ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান—এর মাধ্যমে তাইওয়ানকে আত্মরক্ষায় সহায়তা অব্যাহত রাখা উচিত।
পরবর্তি অংশ পড়ুন : ট্রাম্প ২.০ ও মার্কিন তাইওয়ান নীতি -০২
দুলাল আহমদ চৌধুরী, সম্পাদক ও প্রকাশক, News Diplomats
www.newsdiplomats.com
ইমেইল: [email protected]
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats