স্কারবরো সাউথওয়েস্টের লিবারেল মনোনয়ন নির্বাচনের ফলাফলকে আনুষ্ঠানিকভাবে চ্যালেঞ্জ করেছেন বিচেস ইস্ট ইয়র্কের ফেডারেল এমপি নেট এরস্কাইন স্মিথ। তাঁর অভিযোগ, ৯ মে অনুষ্ঠিত এই মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় এমন কিছু “গুরুতর অনিয়ম” ঘটেছে, যা শুধু একটি প্রার্থিতার পরাজয় নয়, দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। মাত্র ১৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার পর মঙ্গলবার প্রাদেশিক দলের সালিশি কমিটির কাছে জমা দেওয়া তাঁর তিন পৃষ্ঠার আপিল আবেদনটি এখন অন্টারিওর রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
শনিবার অনুষ্ঠিত মনোনয়ন ভোটে ব্যবসায়ী আহসানুল হাফিজকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া হাফিজ ওন্টারিওতে ৩০টি পিৎজা স্টোর ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক এবং অন্টারিওতে ফেডারেল লিবারেল পার্টির ভাইস চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্কারবরো সাউথওয়েস্টের মতো অভিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় তাঁর স্থানীয় কমিউনিটি সংযোগ ও সংগঠনিক উপস্থিতি এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা। পরিচিত ফেডারেল এমপি নেট এরস্কাইন স্মিথকে পরাজিত করে তাঁর এই জয় স্থানীয় রাজনীতি ও কমিউনিটি ভিত্তিক সংগঠনের শক্তিকেও নতুনভাবে সামনে এনেছে।

এরস্কাইন স্মিথের আপিলের সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগ হলো, নথিভুক্ত ভোটারের সংখ্যার তুলনায় ৩৪টি বেশি ব্যালট গণনা করা হয়েছে। জয় ও পরাজয়ের ব্যবধান যেখানে মাত্র ১৯ ভোট, সেখানে এই ৩৪ অতিরিক্ত ব্যালটের প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই পুরো ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর আপিল নোটিশে বলা হয়েছে, “এটি এখন আর কোনো ব্যক্তিগত প্রার্থিতার বিষয় নয়। এটি আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সততার প্রশ্ন। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত অপরিহার্য।”
এরস্কাইন স্মিথের আপিল শুধু অতিরিক্ত ব্যালটের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর প্রচার টিমের অভিযোগ, ভোটকক্ষে প্রবেশ করা প্রায় ৫০০ জনের পরিচয়পত্র বা ঠিকানার প্রমাণ নিয়ে সমস্যা ছিল। তাঁদের মধ্যে প্রায় ১৭৫ জনকে শেষ পর্যন্ত ভোট দেওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আপিলে বলা হয়েছে, অনেক অস্থায়ী বাসিন্দা প্রথমে নিজেদের ঠিকানা বলতে পারেননি এবং পরে বিভিন্ন নথিপত্রের ওপর নির্ভর করেছেন। কারও কারও ক্ষেত্রে স্বাক্ষরিত বা স্বাক্ষরবিহীন বাড়ি ভাড়ার চুক্তিনামা, ডিজিটাল রিপোর্ট কার্ড ও Amazon order গ্রহণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। এমনকি এক ভোটারকে কানাডার ভিজিটর ভিসা, ছবি সংবলিত পরিচয়পত্র হিসেবে বাংলাদেশি পাসপোর্ট এবং ব্যাংকিং তথ্য দিয়ে ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলে আপিলে দাবি করা হয়েছে।
ভোটগ্রহণের পরিবেশ নিয়েও আপিলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কেউ কেউ ভোট দেওয়ার পর আবার ক্রেডেনশিয়াল লাইনে ফিরে গেছেন, কেউ বের হওয়ার পথ দিয়ে ভোটকক্ষে ঢুকেছেন, আবার কেউ পরিচয় যাচাই ছাড়া ভোটগ্রহণ এলাকায় অবস্থান করেছেন এবং সারাদিন আসা যাওয়া করেছেন। আরও দাবি করা হয়েছে, ভোটকক্ষের ভেতরে কিছু মানুষ অন্যদের কীভাবে ভোট দিতে হবে তা নির্দেশনা দিচ্ছিলেন এবং অনেকে ব্যালটের ছবি তুলছিলেন।

অবশ্য অভিযোগ মানেই প্রমাণ নয়। রাজনীতিতে অভিযোগ অনেক সময় মুহূর্তের উত্তাপ থেকেও আসে। বিশেষ করে অল্প ভোটে পরাজয়ের পর এমন পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। তবে অভিযোগের সংখ্যা, প্রকৃতি এবং ভোটের ব্যবধান বিবেচনায় অন্টারিও লিবারেল পার্টির জন্য বিষয়টি উপেক্ষা করা কঠিন। কারণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা শুধু ফলাফলে নয়, সেই ফলাফল কোন প্রক্রিয়ায় এসেছে, তার বিশ্বাসযোগ্যতার মধ্যেও নিহিত।
নেট এরস্কাইন স্মিথের আপিলে একটি বিশেষ অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। দল যদি স্বচ্ছ তদন্তের স্বার্থে পুনরায় নির্বাচনের নির্দেশ দেয়, তবে তিনি নিজে আর প্রার্থী হবেন না বলে জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি বিষয়টিকে ব্যক্তিগত জয় পরাজয়ের বাইরে নিয়ে প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও দলীয় গণতন্ত্রের প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছেন। আপিলে তিনি আরও বলেছেন, অন্টারিওজুড়ে এবং অন্টারিও লিবারেল পার্টির ভেতর পরিবর্তন দরকার। তাঁর বক্তব্য, নিজেদের ঘর ঠিক না করা পর্যন্ত ডগ ফোর্ডের কনজারভেটিভদের কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। ফলে এই আপিল শুধু একটি মনোনয়ন ফলাফলের আপত্তি নয়, দলীয় সংস্কার ও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার দাবিতেও পরিণত হয়েছে।

অন্টারিও লিবারেল পার্টি অবশ্য আপিল পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দল জানিয়েছে, বিষয়টি স্বাধীন আরবিট্রেশন কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে, যার চেয়ারম্যান সাবেক অন্টারিও মন্ত্রী ডেভিড জিমার। লিবারেল পার্টির অন্তর্বর্তী নেতা জন ফ্রেজার বলেছেন, দলের প্রক্রিয়ার সততা এবং আরবিট্রেশন কমিটির কাজের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা আছে। তিনি আরও বলেছেন, কমিটি দলীয় নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে, ন্যায্যভাবে এবং দ্রুত পর্যালোচনা করবে। এর আগে সোমবার কুইন্স পার্কে সাংবাদিকদের ফ্রেজার বলেন, অন্টারিও লিবারেলরা একটি সুষ্ঠু ও স্বাধীন মনোনয়ন প্রক্রিয়া পরিচালনা করেছে এবং ওই আয়োজনে দলের ৫০ জনের বেশি কর্মী কাজ করেছেন। তাঁর ভাষায়, কারও যদি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে উদ্বেগ থাকে, তাহলে তা প্রমাণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, মানুষ মুহূর্তের উত্তাপে নানা কথা বলে, কারণ হারতে কেউই পছন্দ করে না।
অন্টারিও লিবারেল পার্টির জন্য এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হলো দ্রুত কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্তটি এমন হতে হবে, যাতে পরাজিত প্রার্থী, বিজয়ী প্রার্থী, দলীয় কর্মী এবং সাধারণ ভোটার সবাই অন্তত বুঝতে পারেন, অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। গণতন্ত্রে সব পক্ষ সবসময় সন্তুষ্ট হয় না, কিন্তু ন্যায্য প্রক্রিয়ার অনুভূতি থাকলে পরাজয়ও মেনে নেওয়া সহজ হয়।

স্কারবরো সাউথওয়েস্ট আসনটি গত তিন নির্বাচনে এনডিপির দখলে ছিল। সাবেক অন্টারিও এনডিপি ডেপুটি লিডার ডলি বেগম ফেডারেল লিবারেলদের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য হয়। ফলে আসন্ন উপনির্বাচন অন্টারিও লিবারেলদের জন্য শুধু একটি আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং এনডিপির পুরোনো ঘাঁটিতে নিজেদের অবস্থান পুনর্গঠনেরও পরীক্ষা।
নেট এরস্কাইন স্মিথের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন কিছুটা অনিশ্চিত। তিনি ২০২৩ সালে অন্টারিও লিবারেল নেতৃত্ব প্রতিযোগিতায় বনি ক্রম্বির কাছে দ্বিতীয় হয়েছিলেন এবং এবার প্রাদেশিক রাজনীতিতে প্রবেশ করে নেতৃত্বের লড়াইয়ে আরও শক্ত অবস্থান নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্কারবরো সাউথওয়েস্টে এই পরাজয় তাঁর সেই পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা দিয়েছে। তিনি কি এখনো অন্টারিও লিবারেল নেতৃত্বের লড়াইয়ে থাকবেন, নাকি এই ফলাফল তাঁকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তাঁর পরাজয় দলীয় রাজনীতির একটি পুরোনো সত্য আবার সামনে এনেছে। নেতৃত্বের উচ্চাকাঙ্ক্ষা যত বড়ই হোক, স্থানীয় রাজনীতির মাটি শক্ত না হলে সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা টেকসই হয় না।

নেট এরস্কাইন স্মিথের অভিযোগ উড়িয়ে দিল লিবারেলরা
স্কারবরো সাউথওয়েস্টের লিবারেল মনোনয়ন যুদ্ধ শেষ হলেও এর রেশ এখনো কাটেনি। ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে, ফলাফল ঘোষণা হয়েছে, বিজয়ী প্রার্থীও সামনে এসেছেন। কিন্তু পরাজিত প্রার্থীর অভিযোগ ঘিরে অন্টারিও লিবারেল পার্টির ভেতরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা, নতুন অস্বস্তি এবং নতুন রাজনৈতিক উত্তাপ।
গত ৯ মে অনুষ্ঠিত মনোনয়ন ভোটে ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আহসানুল হাফিজ মাত্র ১৯ ভোটের ব্যবধানে বিচেস ইস্ট ইয়র্কের ফেডারেল এমপি নেট এরস্কাইন স্মিথকে পরাজিত করেন। এই পরাজয়ের পরপরই এরস্কাইন স্মিথ অভিযোগ করেন, ভোটারদের পরিচয় যাচাই এবং ভোটাধিকারের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, দলের ভেতরের প্রভাবশালী একটি অংশ তার বিরুদ্ধে কাজ করেছে।
তবে অন্টারিও লিবারেল পার্টি এসব অভিযোগকে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে। সোমবার অন্টারিও আইনসভায় আহসানুল হাফিজকে নতুন লিবারেল প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে অন্তর্বর্তীকালীন লিবারেল নেতা জন ফ্রেজার স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কেউ যদি মনে করেন মনোনয়ন প্রক্রিয়া ন্যায্য হয়নি, তাহলে তাকে অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দিতে হবে।
ফ্রেজারের ভাষায়, উত্তেজনার মুহূর্তে মানুষ অনেক কথাই বলে। কেউ হারতে পছন্দ করে না। তাই অভিযোগ থাকলে সেটি প্রমাণসহ সামনে আনতে হবে।

লিবারেল নেতা জানান, মনোনয়ন সভায় দলের প্রায় ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেছেন। কোনো ভোটারের পরিচয়পত্র বা যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তা যাচাইকরণ ডেস্কে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সমাধান করা হয়েছে। ফলে দলীয়ভাবে প্রক্রিয়াটি নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
অন্টারিও লিবারেল পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়ন সভার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সালিশি বোর্ডে আপিল করার সুযোগ থাকে। সেই হিসেবে নেট এরস্কাইন স্মিথ মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক আপিল করার সময় পাচ্ছেন। টরন্টো স্টারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও সোমবার তার প্রচারণা দল কোনো মন্তব্য করেনি।

অন্যদিকে, বিজয়ী প্রার্থী আহসানুল হাফিজকে ঘিরে লিবারেল শিবির এখন দ্রুত মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। জন ফ্রেজার বলেন, আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য দলকে আর সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই। প্রচারপত্র ছাপা হচ্ছে, নির্বাচনী অফিস প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ক্যাম্পেইন শুরু করার কাজ এগিয়ে চলছে।
আহসানুল হাফিজ ফেডারেল লিবারেল পার্টির অন্টারিও শাখার ভাইস চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত। তার মালিকানায় রয়েছে ৩০টি ডমিনো’স পিজ্জা আউটলেট। তবে এই জয় যেমন তাকে আলোচনার কেন্দ্রে এনেছে, তেমনি লিবারেল দলের ভেতরের বিভাজনও প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে।
ভোটের ফলাফলের পর অনলাইনে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরে আলোচনা, সমালোচনা ও পাল্টা বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। এই অবস্থায় আহসানুল হাফিজ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার বক্তব্য, মনোনয়ন প্রতিযোগিতা শেষ হয়েছে, এখন লক্ষ্য হওয়া উচিত স্কারবরো সাউথওয়েস্টের আসন্ন উপনির্বাচনে লিবারেলদের জয় নিশ্চিত করা।
লিবারেল এমপিপি লি ফেয়ারক্লফও একই সুরে দলীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা শেষে এখন সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।

স্কারবরো সাউথওয়েস্ট আসনটি অন্টারিও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ। গত আট বছর এই আসন ছিল এনডিপি নেত্রী ডলি বেগমের দখলে। তিনি গত ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করে ফেডারেল রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং উপনির্বাচনে জয়ী হন। ফলে আসনটি এখন শূন্য। প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড আগামী গ্রীষ্মে এ আসনে উপনির্বাচনের ডাক দিতে পারেন।
এদিকে এনডিপি ইতোমধ্যে তাদের প্রার্থী হিসেবে ফাতিমা শাবানকে মনোনীত করেছে। প্রগ্রেসিভ কনজারভেটিভ পার্টি এবং গ্রিন পার্টি এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি।
লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats