(এশিয়ার দুই শীর্ষ পরাশক্তি -০১ এর পরের অংশ)
চীনের বিবৃতিতে এটি স্পষ্ট যে, ভারতের নীতির বিষয়ে বেইজিংয়ের গভীর সন্দেহ বা সংশয় রয়ে গেছে। সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে শি যে চারটি বিষয় উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যে প্রথমটি হলো ‘কৌশলগত বোঝাপড়া’ বা দৃষ্টিভঙ্গি; এর মূল অর্থ হলো, চীনের প্রতি ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি বা কর্মপদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তিনি চান দিল্লি যেন এই সম্পর্ককে প্রতিযোগিতামূলক হিসেবে না দেখে সহযোগিতামূলক হিসেবে বিবেচনা করে। তার যুক্তি হলো, "উভয় দেশের বর্তমান উন্নয়ন পর্যায় এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির" ওপর ভিত্তি করেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বা দৃষ্টিভঙ্গিতে উপনীত হয়েছে। অবশ্য, কৌশলগত বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে যখন এমন কাঠামোর কথা বলা হয়, তখন তা মূলত অপর পক্ষকে কী বুঝতে হবে—তার ওপরই জোর দেয়; অর্থাৎ চীন নিজে কী আত্মস্থ করবে, তার ওপর নয়।
তৃতীয় বিষয়টি মূলত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বা ছায়া সংক্রান্ত। বিষয়টি বেশ আগ্রহোদ্দীপক, কারণ শি একদিকে হস্তক্ষেপ দূর করার কথা বলছেন, আবার অন্যদিকে বৃহত্তর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সীমান্ত সমস্যা—এই দুটি বিষয়কে সমান্তরালভাবে এগিয়ে নেওয়া এবং একে অপরকে "পারস্পরিকভাবে সহায়তা" করার ওপর জোর দিচ্ছেন। চীনের যুক্তি কি তবে এমন যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের সম্পর্কই সীমান্ত ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিষয়ক বিষয়গুলোতে দিল্লির দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করছে? বিষয়টি বেশ অদ্ভুত লেগেছে যে, এই বিষয়গুলোকে একটিমাত্র পয়েন্ট বা বিন্দুর আওতায় আনা হয়েছে। যাই হোক, সীমান্ত সমস্যার বিষয়ে ভারতের বিবরণে বিষয়টি স্পষ্ট: "প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন যে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অব্যাহত উন্নয়নের জন্য সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অপরিহার্য ভিত্তি। তিনি সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়ে বিদ্যমান চুক্তি ও বোঝাপড়াগুলো উভয় পক্ষের মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।" সম্পর্কের ক্ষেত্রে 'দ্বৈত—ধারা' বা 'ডুয়াল—ট্র্যাক' পদ্ধতির যে ক্রমবিন্যাস, সে বিষয়ে ভারতের অবস্থানের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনরাবৃত্তি। এই দিক থেকে বিচার করলে, বেইজিং যা বলছে এবং দিল্লি যা বলছে—তার মধ্যে একটি পার্থক্য বা মতভেদ লক্ষ্য করা যায়। বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিষয়ে কিছু নীতিগত ঐকমত্যের জায়গা রয়েছে বলে মনে হয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, উভয় পক্ষই "একে অপরের উদ্বেগের বিষয়গুলো—যার মধ্যে কাঠামোগত বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা ও সরবরাহ শৃঙ্খল বা সাপ্লাই চেইন সংক্রান্ত সমস্যা এবং অর্থবহ ও পূর্বাভাসযোগ্য বাজার—প্রবেশের সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত—সমাধানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে"। শি—র তৃতীয় পয়েন্টে বলা হয়েছে, "ভারসাম্যপূর্ণ উপায়ে একে অপরের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক উদ্বেগগুলোর সমাধান করা এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের সুস্থ ও স্থিতিশীল বিকাশকে এগিয়ে নেওয়া"। এতে বলঅ যায় যে, কোনো সুনির্দিষ্ট ফলাফল হয়তো আসেনি; তবে আলোচনার জন্য কিছু সাধারণ ভিত্তি বা ঐকমত্যের জায়গা রয়েছে বলে মনে হয়।

চীনের বিবৃতির মাধ্যমে এটাও স্পষ্ট যে বেইজিং দিল্লির কাছে তিব্বত ও তাইওয়ান সংক্রান্ত বিষয়গুলো উত্থাপন করেছিল এবং এ বিষয়ে এক ধরণের নিশ্চয়তা চেয়েছিল। ভারতের বিবৃতিতে অবশ্য এসব বিষয়ের কোনো উল্লেখ নেই। তবে চীনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে মোদী বলেছিলেন: "তাইওয়ান এবং তিব্বত—সংক্রান্ত বিষয়ে ভারতের নীতি ও অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং ভারত কোনো শক্তিকেই তার ভূখণ্ডে চীন—বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার অনুমতি দেয় না।"
স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আসা এমন মন্তব্য নিঃসন্দেহে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও নজিরবিহীন; তবে আবারও উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ভারতের বিবৃতিতে এর কোনো উল্লেখ নেই—অথচ অতীতে এ ধরণের আলোচনার বিষয়বস্তু ভারতের বিবৃতিতে স্থান পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালের আগস্টে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ওয়াং ই যখন ভারত সফর করেছিলেন, তখন চীনা পক্ষ তাইওয়ানের সাথে ভারতের সম্পর্কের বিষয়টি উত্থাপন করেছিল। সে সময় ভারতের বিবৃতিতে বলা হয়েছিল: "চীনা পক্ষ তাইওয়ানের বিষয়টি উত্থাপন করে। ভারতীয় পক্ষ জোর দিয়ে বলে যে এ বিষয়ে তাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারা উল্লেখ করে যে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই ভারতের সাথে তাইওয়ানের সম্পর্ক মূলত অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। ভারতীয় পক্ষ আরও উল্লেখ করে যে, চীন নিজেও ঠিক এই ক্ষেত্রগুলোতে তাইওয়ানের সাথে সহযোগিতা বজায় রাখে।" যা—ই হোক, এটিও উল্লেখ করা প্রয়োজন যে ব্রিকস সম্মেলন চলাকালে দিল্লিতে তিব্বতি সম্প্রদায়ের সদস্যরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিলেন।

অনেকের কাছেই এসব বিবৃতি ও দৃশ্যপট এমন আশাবাদের জন্ম দিয়েছে যে, এশিয়ার এই দুই বৃহৎ শক্তি হয়তো শেষ পর্যন্ত আরও স্থিতিশীল সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাবে। তবে এই ধরনের আশাবাদ গভীর ও অমীমাংসিত উত্তেজনাকে নিমেষে আড়াল করে ফেলার নামান্তর।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ওয়াং ই ব্রিকস সম্মেলন শেষে চীনের এক পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, যেখানে ভারতে শি—র সফরের ফলাফলগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
“প্রধানমন্ত্রী মোদী ইতিবাচক সাড়া দিয়ে বলেছেন যে, ভারত সবসময়ই ভারত—চীন সম্পর্ককে কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখে এসেছে; ভারত চীনের প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং অংশীদার হতে আগ্রহী এবং একে অপরের উন্নয়নকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে বরং একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করে। চীনের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত কোনো তৃতীয় পক্ষের প্রভাব স্বীকার করে না এবং ভারতের মাটিতে কোনো শক্তিকেই চীন—বিরোধী কর্মকাণ্ড চালাতে দেয় না। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার ভিত্তিতে চীনের সাথে উচ্চ—পর্যায়ের যোগাযোগ বজায় রাখতে, কৌশলগত আলোচনা জোরদার করতে, জনগণের মধ্যে ও সাংস্কৃতিক আদান—প্রদান বাড়াতে এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যেতে ভারত আগ্রহী।”
“ওয়াং ই বলেছেন যে, চীন ও ভারতের নিজ নিজ উন্নয়ন একে অপরের জন্য একটি সুযোগ এবং চীন—ভারত সহযোগিতার প্রভাব কেবল দ্বিপাক্ষিক গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ‘গ্লোবাল সাউথ’ এবং সমগ্র বিশ্বের জন্যই তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীন—ভারত সম্পর্কের এই উন্নতি ও ইতিবাচক মোড় সহজে আসেনি এবং তা অত্যন্ত মূল্যবান। আশা করা হচ্ছে, ভারত চীনের সাথে একই অভিমুখে অগ্রসর হবে, দুই দেশের নেতাদের মধ্যে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করবে, প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হিসেবে কাজ করবে, স্থবিরতা বা পশ্চাদপসরণ ছাড়াই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেবে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সীমান্ত সমস্যাকে যথাযথ অবস্থানে রাখবে, সংলাপ ও সহযোগিতাকে মূলধারায় পরিণত করবে, নিজ নিজ উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবন ত্বরান্বিত করবে এবং এই অঞ্চল তথা বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় অবদান যৌথভাবে রাখবে।”
এখানে লক্ষ্য করার মতো তিনটি বিষয়:
১. তিব্বত ও তাইওয়ান ইস্যুতে ভারতীয় পক্ষ যেসব মন্তব্য করেছিল বলে চীন দাবি করে, ওয়াং সেগুলোরই পুনরাবৃত্তি করেছেন।
২. উভয় পক্ষ আসলে কী বিষয়ে একমত হয়েছে—সেই অংশটি বা অনুচ্ছেদটি দেখলে বোঝা যায় যে, বাস্তব বা দৃশ্যমান ফলাফলের দিক থেকে খুব সামান্যই অর্জিত হয়েছে।
৩. ওয়াং—এর আহ্বান—"স্থবিরতা বা পশ্চাদপসরণ ছাড়াই এগিয়ে যাওয়া" এবং "দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সীমান্ত সমস্যাকে যথাযথ অবস্থানে রাখা"—থেকে বোঝা যায় যে, বিরোধের মূল একটি বিষয়ে উভয় পক্ষ এখনও বেশ বড় ব্যবধানে অবস্থান করছে। ভারত মনে করে সম্পর্ক আরও গভীর করার জন্য সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অপরিহার্য; কিন্তু চীন এটিকে পূর্বশর্ত হিসেবে দেখে না।
উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে, পাঁচ বছরের টানাপড়েনের পর, ভারত—চীন সম্পর্ক এখন সতর্ক ও এক পুনর্সংযোগের পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। তবে, সম্পর্কের গভীরে কাঠামোগত মতপার্থক্য বা ফাটল এখনো বিদ্যমান। অর্থবহ অগ্রগতির বিষয়টি নির্ভর করছে বেইজিং ভারতের কৌশলগত স্বার্থকে কতটা গুরুত্ব দেয় বা মেনে নেয় তার ওপর।
গত কয়েক দশকের চীন ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কটি দ্বান্দ্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতে (ডায়ালেকটিক্যাল এপ্রোচ) দেখলে এটা বলা যায় যে, যারা ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য ও দ্রুত উন্নতির আশা করছেন, তারা হয়তো পরিস্থিতিটি বাস্তবসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করছেন না। কারণ দেশ দুটির মধ্যে কাঠামোগত মতপার্থক্য বা বিরোধ এখনও বিদ্যমান। এর মধ্যে অমীমাংসিত সীমান্ত বিরোধই তাদের পারস্পরিক অবিশ্বাসের মূল কারণ হয়ে রয়েছে।
চীনের সাথে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের সতর্ক ও ধীরগতির পদক্ষেপ গ্রহণ মোটেও বিস্ময়কর নয়। তবে, বর্তমান এই পুনর্সংযোগের প্রক্রিয়াটি এমন এক সময়ে ঘটছে যখন উভয় দেশই অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে এবং একই সাথে চরম বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। চীনের জন্য বাহ্যিক পরিবেশ—বিশেষ করে পশ্চিমা বাজার, পুঁজি ও প্রযুক্তিতে ভবিষ্যৎ প্রবেশাধিকার—অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। অন্যদিকে ভারতের জন্য, মার্কিন নীতির কৌশলগত অসামঞ্জস্যতা ‘মাল্টি—অ্যালাইনমেন্ট’ বা বহুমুখী সম্পর্কের নীতির কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করছে।
এমতাবস্থায়, কৌশলগত পরিবেশ উভয় পক্ষের জন্যই সম্পর্কের ভারসাম্য পুনরুদ্ধারের বা ‘রি—ব্যালেন্সিং’—এর তাগিদ তৈরি করছে। এ লক্ষ্যে, নয়াদিল্লি সম্ভবত দ্বিপাক্ষিক আলোচনার (সামরিক পর্যায়সহ) পরিধি বাড়াবে; স্বার্থের মিল রয়েছে এমন ক্ষেত্রে বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা বজায় রাখবে ও সম্প্রসারিত করবে; ঝুঁকি কমানোর (ডি—রিস্কিং) নীতি অনুসরণ করেও বাণিজ্য সম্পর্ক ধরে রাখবে; এবং নির্দিষ্ট কিছু চীনা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করবে। এই ধরনের নীতি বাস্তববাদিতা এবং ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন (স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি) বাড়ানোর লক্ষ্য দ্বারা পরিচালিত হবে। তবে, চীনের বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক উদ্যোগগুলোর প্রতি ভারত নতি স্বীকার করবে—এমন সম্ভাবনা খুবই কম। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এমন পরিস্থিতি তৈরির জন্য বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে ছাড় দেওয়া প্রয়োজন; বিশেষ করে ভারতের স্বার্থ, আকাঙ্ক্ষা ও উদ্যোগের ক্ষেত্রে। দুর্ভাগ্যবশত, বেইজিং সম্ভবত মনে করে যে বর্তমান ক্ষমতার ভারসাম্য এমন উদারতা প্রদর্শনের দাবি রাখে না। দুই দেশের মধ্যকার ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতার কারণে এমনটি ঘটার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
অমীমাংসিত বিরোধ এবং দীর্ঘস্থায়ী অবিশ্বাস ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি বা সম্পর্কের উন্নতির স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় তৈরি করলেও তাদের মধ্যে সত্যিই বন্ধুত্বপূর্ণ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার বা সহযোগিতা বাড়ানোর জোরালো কারণ বা তাগিদ প্রতিনিয়ত পরিলক্ষিত হচ্ছে।
ভারত-চীন সম্পর্কের বর্তমান গতিপথ রাতারাতি পরিবর্তনের কিংবা গভীর আস্থার প্রতিশ্রুতি দেয় না, বরং এটি একটি বাস্তবমুখী ও সতর্ক সহযোগিতার নির্দেশক। এই পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশকে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে নিজস্ব অর্থনৈতিক বিকাশ, নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে বাংলাদেশ প্রথমনীতি অনুসরণ করে যেতে হবে।
দুলাল আহমদ চৌধুরী, সম্পাদক ও প্রকাশক, News Diplomats
ইমেইল: [email protected]
https://www.facebook.com/share/p/1CabuK52ca/
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats