24 August 2026
The News Diplomats
দুলাল আহমদ চৌধুরী :
Publish : 02:02 PM, 24 August 2026.
Digital Solutions Ltd

দক্ষতা ও সফল কূটনীতি:

প্রধানমন্ত্রীর গভীর আস্থার প্রতীক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে ঘিরে ষড়যন্ত্র কেন?

প্রধানমন্ত্রীর গভীর আস্থার প্রতীক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে ঘিরে ষড়যন্ত্র কেন?

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

Publish : 02:02 PM, 24 August 2026.
দুলাল আহমদ চৌধুরী :

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক হুমায়ুন কবির। বিশ্ব কূটনীতিতে বাংলাদেশের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে তাঁর অসাধারণ ভূমিকা দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসা ও গভীর বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।

আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান সুসংহত করার ক্ষেত্রে গত ছয় মাসে উল্লেখযোগ্য পারদর্শিতা দেখিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ পর্যন্ত তাঁর গতিশীল নীতি ও কূটনৈতিক সাফল্য দেশে-বিদেশে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

হুমায়ুন কবিরের ভূ-রাজনৈতিক পারদর্শিতা ও অগ্রগতি যখন সুধী মহলে সমাদৃত, ঠিক তখনই একটি নির্দিষ্ট পক্ষ তাঁর দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি সামনে এনে কৃত্রিম বিতর্ক তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, বিগত ছয় মাসে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিতে যে অনন্য গতিশীলতা এসেছে, তার অন্যতম কাণ্ডারি হুমায়ুন কবির। সরকারের অর্জিত সাফল্যকে ম্লান করা এবং তাঁর আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাগরিকত্ব বিতর্ক উসকে দেওয়া হচ্ছে বলে তাঁদের অভিমত।

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিভিন্ন সরকারের আমলেই অনেক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের দ্বৈত নাগরিকত্ব বা বিদেশি রেসিডেন্সি থাকার নজির রয়েছে। এরশাদ সরকারের পতনের পর থেকে প্রায় প্রতিটি সরকারেই বিদেশে নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশি রাজনীতিকরা প্রভাবশালী মন্ত্রী ও এমপি হয়েছেন। এমনকি ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারেও বিদেশি নাগরিকত্ব থাকা ব্যক্তিরা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু তখন এসব নিয়ে তথাকথিত ষড়যন্ত্রকারী মহল ছিল একেবারেই নিশ্চুপ।

বর্তমান সরকারের যাত্রাতেও সেই ধারার ব্যতিক্রম ঘটেনি। তবে হুমায়ুন কবির দায়িত্ব গ্রহণের পর হঠাৎ করে একটি মহলের ব্যাপক তৎপরতার পেছনে সরাসরি কারও ইন্ধন রয়েছে কি না, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

 ঐতিহাসিক রেওয়াজ ও টেকনোক্র্যাট নিয়োগের যৌক্তিকতা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, প্রশাসনিক রেওয়াজ এবং সাংবিধানিক কাঠামোর সুষম প্রয়োগ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, হুমায়ুন কবিরের মতো একজন দক্ষ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পুরোপুরি অনুকূলে।

রাজনীতি-বহির্ভূত ক্ষেত্র থেকে নিজ নিজ পেশায় সুনির্দিষ্ট জ্ঞান ও দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্বদের রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করাই সংবিধানে টেকনোক্র্যাট কোটার মূল উদ্দেশ্য। আধুনিক বিশ্ব কূটনীতির জটিল সমীকরণ সামলাতে পেশাদার রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও নেটওয়ার্কসম্পন্ন প্রবাসীদের অন্তর্ভুক্তি রাষ্ট্রগঠনের একটি সুদীর্ঘ ঐতিহ্য।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে বিভিন্ন সরকারের আমলে অর্থনীতি, বিজ্ঞান, শিক্ষা ও কূটনৈতিক অঙ্গনে আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত প্রবাসী বিশেষজ্ঞদের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়ে আসার বহু উদাহরণ রয়েছে। একাধিক সাবেক উপদেষ্টা, প্রবাসী বিজ্ঞানী কিংবা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের টেকনোক্র্যাট হিসেবে দায়িত্বে আনার দৃষ্টান্তও রয়েছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিকভাবে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগাযোগকে রাষ্ট্রগঠনে কাজে লাগানো বাংলাদেশের জন্য কোনো নতুন বিষয় নয়; বরং এটি একটি প্রতিষ্ঠিত প্রশাসনিক ঐতিহ্য।

যুক্তরাজ্যে দীর্ঘদিন রাজনীতি ও প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত থাকায় পশ্চিমা নীতি-নির্ধারকদের কার্যপদ্ধতি, কৌশল ও চিন্তাভাবনা সম্পর্কে হুমায়ুন কবিরের প্রত্যক্ষ ও গভীর অভিজ্ঞতা রয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বৈশ্বিক অর্থনীতির জটিল সমীকরণের সময়ে এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত সুবিধা তৈরি করেছে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার এবং বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণে প্রবাসীদের অর্জিত মেধা ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক কাজে লাগানোর ঐতিহ্যও দীর্ঘদিনের। সেই ধারাবাহিকতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হুমায়ুন কবিরের অন্তর্ভুক্তি দেশের কূটনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিভিন্ন দেশে সরকারি সফরের মাধ্যমে বাণিজ্য বৃদ্ধি, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা ত্বরান্বিত করতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বিগত ছয় মাসের উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক সাফল্য

যুক্তরাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে গভীর পাণ্ডিত্য নিয়ে দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই হুমায়ুন কবির দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক কূটনীতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এনেছেন। গত ছয় মাসে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, ভারত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরিশাস ও ফিলিপাইনসহ বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ দেশে সফল সরকারি সফর সম্পন্ন করেছেন।

পশ্চিমা বিশ্বের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষায় তাঁর গৃহীত কৌশল কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্য চুক্তি বৃদ্ধি, প্রবাসী কল্যাণ এবং কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন ভূমিকা দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে দীর্ঘদিন রাজনীতি ও প্রশাসন পরিচালনার অভিজ্ঞতার আলোকে হুমায়ুন কবির আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থান দৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর কূটনৈতিক পারদর্শিতা, সততা ও নিবেদিত কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতি পূর্ণ আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে সাফল্য প্রদর্শনের পর টেকনোক্র্যাট কোটায় তাঁকে পূর্ণাঙ্গ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে তাঁর শপথ গ্রহণ প্রমাণ করে যে, নীতি-নির্ধারণী পর্যায় ও সরকারের সর্বোচ্চ স্তরে তাঁর ওপর কতটা অবিচল আস্থা ও নির্ভরতা রয়েছে।

কিন্তু পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই একটি পক্ষ তাঁর দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি সামনে এনে নেতিবাচক প্রচারণা শুরু করে। কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত হুমায়ুন কবিরের সাফল্যকে খাটো করার অপচেষ্টা। গত ছয় মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি যেভাবে একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী ভিত্তি পেয়েছে, তাতে ঈর্ষান্বিত হয়েই একটি মহল এই কৃত্রিম বিতর্ক তৈরি করছে বলে তাঁরা মনে করেন।

প্রবাসে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে যদি শুধুমাত্র কাগুজে জটিলতায় আটকে দেওয়া হয়, তবে ভবিষ্যতে কোনো আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ দেশের সেবায় এগিয়ে আসতে উৎসাহিত হবেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারিত অসত্য ও অতিউৎসাহী প্রোপাগান্ডায় সমালোচকদের ভূমিকা নিয়ে দেশপ্রেমিক ও কূটনৈতিক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের মতে, দেশপ্রেম ও পারদর্শিতাই যেখানে মূল মাপকাঠি, সেখানে হুমায়ুন কবিরের অর্জনকে এড়িয়ে নাগরিকত্বের বিষয়টি সামনে আনা স্পষ্টতই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিজেও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি একজন খাঁটি বাংলাদেশি হিসেবেই দেশের স্বার্থে কাজ করছেন। অহেতুক জলঘোলাকারীদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, যাঁরা দেশকে এগিয়ে নিতে দিতে চান না বা সরকারের আন্তর্জাতিক সাফল্য সহ্য করতে পারছেন না, তাঁরাই এই কৃত্রিম বিতর্ক তৈরির চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশি। আমি মনে করি না এমন কেউ আছে যে আমার বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বা আমার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। এখানে এসে বাংলাদেশের জন্য কাজ করা কোনো সুবিধাবাদী লোকের পক্ষে সম্ভব নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনাকে উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “আমি সিটিজেন (নাগরিক) নিয়ে ভাবছি, আর আপনারা বলছেন নেটিজেন! কোন নেটিজেন? কোন সংবাদপত্র? কার এত জ্বালা যে আমাকে কাজ করতে দেবে না? তিনি ২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন করেন, “মঈনউদ্দীন-ফখরুদ্দীনের আমলের জ্বালা কি আবার নতুন করে উঠছে?”

কবির বলেন, দেশপ্রেমিক নাগরিক, গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক নেতাদের একসঙ্গে কাজ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।

দেশপ্রেম, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং পররাষ্ট্রনীতিতে অর্জিত সাফল্যের ওপর ভর করেই প্রধানমন্ত্রী তাঁকে রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা ও অবস্থান জোরদার করার এই সময়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত হচ্ছে। ফলে এমন দক্ষ ও অভিজ্ঞ কূটনীতিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার মূলত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও দেশের উন্নয়নযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

বাংলাদেশের সংবিধানে থাকা বিধির আলোকে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিশেষ বিবেচনায় পররাষ্ট্রনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হুমায়ুন কবিরকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ঐতিহাসিক রেওয়াজ, আন্তর্জাতিক যোগ্যতা এবং বিগত ছয় মাসের সাফল্য—সব মানদণ্ডেই তাঁর এই নিয়োগ পুরোপুরি যৌক্তিক এবং দেশের সার্বিক কূটনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক সিদ্ধান্ত।

দুলাল আহমদ চৌধুরী, সম্পাদক ও প্রকাশক, নিউজ ডিপ্লোমেটস্‌

ইমেইল: [email protected]

OPINION বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম প্রধানমন্ত্রীর গভীর আস্থার প্রতীক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে ঘিরে ষড়যন্ত্র কেন? শিরোনাম নুসরাত হত্যা: ৪ জনের সাজা কেন কমল, ১০ আসামি কেন খালাস? শিরোনাম মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ‘আগ্রহ প্রকাশ’করেছে ঢাকা: হুমায়ুন কবির শিরোনাম আ.লীগ নেতাদের অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখার অবসান চায় এইচআরডব্লিউ শিরোনাম কুড়িগ্রামে ডিলারের সার লুট করেছে কৃষকরা, কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ শিরোনাম সমন্বয়, কাজের মূল্যায়ন ও গতি বাড়াতে মন্ত্রিসভায় রদবদল