পাসপোর্টহীন শেখ হাসিনার ফেরার আইনি প্রক্রিয়া কী হতে পারে, সে বিষয়ে আইনজীবীদের দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে।
চব্বিশের জুলাই আন্দোলন দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশের ফেরার ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভারত থেকে তাকে ফেরাতে সরকারের প্রচেষ্টা ও আহ্বানের মধ্যে নিজেই ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
পাসপোর্টবিহীন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কীভাবে দেশে ফিরতে পারেন এবং দেশে ফিরলে কোন পথে আইনি প্রক্রিয়া এগোবে, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানোর আন্দোলনে সামনের সারির নেতাদের গড়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই দেশে ফিরবেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
অন্যদিকে, দীর্ঘ সময় নিয়ে এই ঘোষণা দেওয়াকে রাজনৈতিক ‘স্ট্যান্টবাজি’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, “ডিসেম্বরে আসবেন, জানুয়ারিতে আসবেন—এটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু আপনাকে তো আমরা কালকেই চাই। অতএব কোনো স্ট্যান্টবাজি করবেন না। এখানে আর কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করবেন না।”
২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন দমাতে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে গত নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ড দেয়।
জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই আন্দোলনে প্রায় ১৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তার আইনজীবীর।
ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। ঢাকা বারবার তাকে দেশে ফেরত পাঠাতে নয়াদিল্লির প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে।
ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে ভারতে নির্বাসনে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর নাগাদ দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা বলেছেন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে।
বৃহস্পতিবার রাতে টেলিফোনে দেওয়া প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেছেন, কেবল তিনি একাই নন, নির্বাসিত জ্যেষ্ঠ আওয়ামী লীগ নেতারাও তার সঙ্গে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করবেন।
শেখ হাসিনার ফেরার আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, “আইনি প্রক্রিয়া হল, আমরা ভারত সরকারের কাছে আবেদন করেছি, তারা আমাদের কাছে হ্যান্ডওভার করবে।
“উনি জেলে যাবেন। জেল থেকে যদি আপিল করেন, তাহলে সে অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে। আর যদি আপিল না করেন আদালতের রায় অনুযায়ী শাস্তি কার্যকর হবে।”
হাসিনার ফেরা কোন পথে?
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বিপুল মানুষের জনস্রোত যখন শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনের দিকে রওনা করেছে, তখন বিমানবাহিনীর কার্গো উড়োজাহাজে চড়ে ভারতে চলে যান তিনি।
দিল্লির অদূরে গাজিয়াবাদের হিন্দন বিমানঘাঁটিতে তার নামার তথ্য তখন দিয়েছিল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। এরপর দিল্লির লোদি গার্ডেনের লুটেনস বাংলো জোনে তার অবস্থানের তথ্য দিয়েছিল সংবাদমাধ্যমগুলো।
দিল্লিতে কোন ‘স্ট্যাটাসে’ শেখ হাসিনা আছেন, সেই তথ্য ভারত সরকার এখনো প্রকাশ করেনি। তবে বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়েছিল, তাকে একজন বিশেষ ‘অতিথি’ হিসাবে বিবেচনা করছে দেশটির সরকার।
জুলাই হত্যার বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের সব ধরনের কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যা এখনো বহাল আছে।
এ পরিস্থিতিতে শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন শেখ হাসিনা।
তার বিভিন্ন বক্তব্য ঘিরে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দিল্লির সঙ্গে ঢাকার কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। ঢাকার তরফে তার কথা বলার সুযোগ বন্ধের দাবি জানানো হলেও দিল্লি কোনো সাড়া দেয়নি।
ইউনূস সরকারের সময়েই ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ইমেইলে সাক্ষাৎকার দেওয়া শুরু করেন শেখ হাসিনা। সর্বশেষ শুক্রবার রয়টার্সের সঙ্গে টেলিফোনে সাক্ষাৎকার দিলেন তিনি।
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়া এবং তার ফাঁসির রায়ের প্রসঙ্গ টেনে করা প্রশ্নের জবাবে রয়টার্সকে তিনি বলেন, "দেশে ফিরলে তারা আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তবুও আমাকে যেতে হবে।"

তার ভাষ্য, "আমার দলের নেতা-কর্মীরা চরম নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। যদি মৃত্যু আসে, আমি চাই তা আমার নিজের দেশের মাটিতেই আসুক, যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।"
এমন প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার ফেরার আইনি প্রক্রিয়া কী, সে নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে।
শেখ হাসিনার কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিলের প্রসঙ্গে টেনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “একটা দেশ থেকে আরেকটা দেশে আসতে গেলে, তার একটা ভ্যালিড পাসপোর্ট লাগে। আর যদি পাসপোর্ট না থাকে, সেক্ষেত্রে ওই দেশ তাকে একটা ট্রাভেল পাস দিতে হয় যে, তাকে ভ্রমণের জন্য একটা পাস দেওয়া হয়। এই দুইটা ডকুমেন্ট ছাড়া কোনোভাবে বিমানে ওঠা যায় না।
“এখন এটার আবার একটা ব্যতিক্রম আছে। সেটা যদি বলেন, উনি যেভাবে আর্মির বিমানে করে চলে গেছেন, এটা যদি এমন হয় যে সরকারের সঙ্গে ইন্ডিয়ান গভর্নমেন্টের একটা চুক্তি অনুযায়ী, ঠিক আছে ইন্ডিয়ান আর্মির একটা হেলিকপ্টারে উনাকে এসে অমুক জায়গায় নামিয়ে দিল, আমরা পারমিশন দিলাম। সেটা একটা অন্য পদ্ধতি হতে পারে।”
তা না হলে ট্রাভেল পাস নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় তার আসাটা ‘রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের’ ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেন মনজিল মোরসেদ।
তিনি বলেন, “এটা তো এমন না যে, উনি বেনাপোল থেকে হেঁটে চলে আসবে। সে রকম কোনো ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আমি দেখি না।
“দিল্লি বা কলকাতার বিমানবন্দর ব্যবহার করেই তিনি আসবেন। সেখান থেকে আসতে গেলে ট্রাভেল পাস লাগবে। আর ট্রাভেল পাসের বিষয়টা একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, সরকার যারা থাকে, তারা দিলে দিতে পারে। আবার না দেওয়ার ইতিহাসও আমাদের আছে।”
এর ব্যাখ্যায় মনজিল মোরসেদ বলেন, “ট্রাভেল পাসতো দিতে গেলে সরকারের অনুমতি লাগবে। ইন্ডিয়ায় আমাদের হাই কমিশন আছে, সেখানে সরকারের নির্দেশনা লাগবে যে, ‘হ্যাঁ, ট্রাভেল পাস দাও’। সবসময় যে ট্রাভেল পাস দেয় তাও কিন্তু না। আপনি জানেন যে, সালাউদ্দিন সাহেব ওখান থেকে মুক্ত হওয়ার পরে, মামলাটা শেষ হওয়ার পরে উনিতো ট্রাভেল পাস চাইছিলেন।
“তখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল, তারা কিন্তু ট্রাভেল পাস দেয় নাই। যার ফলে উনি কিন্তু আসতে পারে নাই। এখনো যদি আসতে চায়, তাকে ট্রাভেল পাস যদি বাংলাদেশ সরকার, ওই অ্যাম্বেসি আমাদের যারা হাই কমিশন আছে, তারা যদি না দেয়, তাহলে সেক্ষেত্রে উনি আসতে পারবেন না, এটা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।”
এ আইনজীবী বলেন, “আপাতদৃষ্টিতে সরকারও চাচ্ছে, বহু চেষ্টা করছে তাকে নিয়ে আসার জন্য। এটা একটা সংকট হতে পারে,। ডিসেম্বরে যখন উনি আসতে চাইবেন, তখন যদি সরকার ট্রাভেল পাস না দেয়, তাহলে আসতে পারবেন না।
“কিন্তু সরকারতো এখন বলছে, তারা চুক্তির বলে আনতে চান, ইন্ডিয়াকে বারবার বলছে, ‘উনাকে পাঠায় দেন’। সরকারের যে প্রচেষ্টা, সেটার ব্যাপারে ভারত সরকার যদি একমত পোষণ করে বা উনি যদি বলে যে, ‘আমি আসব’, তখন ওই ট্রাভেল পাসের প্রশ্নটা আসবে। আর ট্রাভেল পাস যদি সরকার তখন না দেয়, তাহলে সব পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে।”
তবে, রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আসামি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে ভারতের কাছে আবেদন করেছে সরকার। সেই চুক্তির আওতায় তাকে আসতে হবে।
ট্রাভেল পাস দেওয়ার বিষয়টি শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না দাবি করে তিনি বলেন, “আমাদের দেশের কোনো নাগরিক যদি কোথাও গিয়ে আটকা পড়ে, তার পাসপোর্ট না থাকে, তাহলে তিনি দূতাবাস বা হাই কমিশনে ট্রাভেল পাসের জন্য আবেদন করেন।
“কিন্তু উনিতো দণ্ডপ্রাপ্ত। আবার ভারত সরকারের কাছে আছেন, নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। সে কারণে প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় উনাকে আসতে হবে। এখানে অন্য কোনো অহেতুক কথা বলার সুযোগ নাই।”
তবে, আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেছেন, শেখ হাসিনা ‘বন্দি’, এমন কোনো কথা ভারত কখনও বলেনি। সে কারণে বন্দি বিনিময় চুক্তি তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
তিনি বলেন, “যেভাবে উনাকে বলা হচ্ছে, বন্দি বিনিময় চুক্তিতে আনা হবে, বন্দি বিনিময় চুক্তিতে আনার কোনো সুযোগ নাই। আইনটা হল, বন্দিদের বিনিময়। উনিতো ওখানে বন্দি না, উনি তো ওখানে অতিথি। ভারত সরকারতো উনাকে বলে নাই যে, উনি বন্দি।
“একটা দাবিতো আছে সরকারের উপরে যে, কেন তাকে আনার জন্য ব্যবস্থা নেন না। এজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিঠি দেয়, এটা করে, বক্তৃতা দেয়। কিন্তু আসল গোড়ার কথাটা যদি আলোচনায় আসে, তাহলে তো এই বিষয়গুলোর কোনো ভিত্তিই নাই। কারণ আপনি বন্দি নাই যেহেতু, বন্দি বিনিময় কীভাবে হবে?”
আপিলের সুযোগ পাবেন হাসিনা?
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের বাধ্যবাধতা থাকলেও সুপ্রিম কোর্ট রুলস অনুযায়ী উৎরে যাওয়ার সুযোগ থাকার কথা বলেছেন আইনজীবীরা।
পলাতক অবস্থায় ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ট্রাইব্যুনালে ফাঁসির দণ্ড পাওয়ার ১৩ বছর পর এসে গত জানুয়ারিতে আপিল করেছেন জামায়াত নেতা আবুল কালাম আযাদ।
সুপ্রিম কোর্ট রুলসের (অ্যাপিলেট ডিভিশন) কথা তুলে ধরে আইনজীবী মনজলি মোরসেদ বলেন, “সেখানে একটা বিধান আছে, আপনি যদি নির্দিষ্ট সময় আপিল করতে না পারেন, তাহলে আপনি একটা অ্যাপ্লিকেশন দিবেন যে, আপনি কেন দেরি করলেন?
“এবং কোর্ট যদি সেটা অ্যালাও করে, তাহলে আপনি তখন রেগুলার আপিল করতে পারবেন। এবং আমাদের ম্যাক্সিমাম কেসে সেরকম একটা বিষয় থাকে। এখন যেহেতু সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবেন, সুপ্রিম কোর্টে আপিলের বিধানটাকেই ফলো করতে হবে তাকে, ট্রাইবুনালের বিধান ফলো করার কোনো সুযোগ নাই এখানে।”
এর নজির থাকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “নজিরতো অহরহ আছে। আপনি জানেন জামায়াতের অনেকে ফাঁসি হইছিল, দীর্ঘদিন যারা দেশের বাইরে ছিল, তারা আইসা আপিল করে, তারা এখন বাইরে ঘুরতেছে না? তাহলে আপিল হইল কোত্থেকে?
শেখ হাসিনার আবেদন গ্রহণের সুযোগ থাকার কথা তুলে ধরে এই আইনজীবী বলেন, আপিল বিভাগে এই আবেদন সহজে গ্রহণ করার সুযোগ থাকবে, কেননা তার জীবন সংশয়ে ছিল, নিরাপত্তার শঙ্কা ছিল।
“আপিলটা গ্রহণ হলেইতো সঙ্গে সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের রায়টা স্থগিত হয়ে যাবে। এটাতো স্বাভাবিক। আর স্থগিত হয়ে গেলে উনার সাজা কার্যকর করবেন কেমনে। সুপ্রিম কোর্ট সর্বোচ্চ পর্যায়ে যদি সিদ্ধান্ত দেয়, তখন সেটা অন্য ব্যাপার।”
শেখ হাসিনা ফিরলেও আপিলের সুযোগ পাবেন কি-না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১(৩) ধারায় বলা আছে, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপিল করতে চাইলে সেটা ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
“তবে, তিনি যদি আপিল করতে চান, তাহলে উচ্চ আদালতে করবেন। উচ্চ আদালত যদি মনে করেন, তাহলে তাকে আপিলের সুযোগ দেবে।”
শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালকে তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটিতে আমৃত্য কারাদণ্ড দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
ওই অভিযোগেও প্রাণদণ্ড চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন আপিল বিভাগে শুনানির জন্য রয়েছে বলে প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন।
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats