গত সপ্তাহে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে সই দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। চুক্তির শর্ত মতে, ওয়াশিংটন অঙ্গীকার করে, তেহরান যদি কয়েকটি সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড মেনে চলতে পারে, তাহলে জব্দ থাকা ইরানী সম্পদ মুক্ত করবে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি, ইরানকে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং প্রক্রিয়া ও বাজারে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার কথাও জানায় যুক্তরাষ্ট্র।
চুক্তি সইয়ের পর গত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। ইরানের তেল খাত প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে এসেছে বড় পরিবর্তন। আগের নীতি থেকে বের হয়ে এসে ইরানের তেলের ওপর থেকে বিধিনিষেধ সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা।
বিধিনিষেধ চালু থাকা সত্ত্বেও বছরের পর বছর নিজেদের এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ বাইরের ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে এসেছে ইরান। তবে সে ক্ষেত্রে তাদেরকে মোটা অংকের মূল্য ছাড় দিতে হয়েছিল। ক্রেতাদের যুক্তি, ‘ইরানের কাছ থেকে তেল কিনে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু হওয়ার ঝুঁকি নিতে হচ্ছে’। যার ফলে অবিশ্বাস্য কম দামে ইরানের তেল কিনে নিতে পারতো ওই দেশগুলো। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পূর্ণ দামে তেল বিক্রি করার সুযোগ পাবে ইরান। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক বাজারে যে দামে তেল বিক্রি হবে, ইরানের কাছ থেকে তেল কিনতে হলেও সে দামই চুকাতে হবে।
এতে ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে নতুন করে হাজারো লাখ মার্কিন ডলার আসতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এটা ইরানবাসীদের জীবনে আমূল পরিবর্তন এনে দেবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, অন্যান্য বিধিনিষেধ থেকে বের হয়ে আসতে ইরানকে আরও বেশ কয়েক ধরনের ‘মানদণ্ড’ মানতে হবে।
রয়টার্স এর প্রতিবেদন মতে, সোমবার থেকে শুরু করে আগামী ৬০ দিন পর্যন্ত ইরানের ওপর প্রযোগ্য বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি চুক্তির শর্ত না মানে, তাহলে ‘যা করার প্রয়োজন’, তাই করবেন তিনি।
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats