Friday, 19 June 2026
The News Diplomats
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :
Publish : 10:53 AM, 19 June 2026.
Digital Solutions Ltd

ইসরায়েলের নতুন নিশানায় তুরস্ক, যুদ্ধ বাঁধাতে নেতানিয়াহুর পরিকল্পনা

ইসরায়েলের নতুন নিশানায় তুরস্ক, যুদ্ধ বাঁধাতে নেতানিয়াহুর পরিকল্পনা

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েব এরদোয়ান।

Publish : 10:53 AM, 19 June 2026.
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :

এবার নাকি তার পতনের পালা। জরিপ তথ্য বলছে—মাত্র ৫০ দিন আগেও যে মানুষটির প্রতি জনসমর্থন ছিল প্রায় ৫১ শতাংশ, এখন তা কমে হয়েছে ৩৩। বলা হচ্ছে, ইসরায়েলের প্রায় ২০ বছরের কট্টর ডানপন্থি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্পর্কে। গত ১১ জুন এই জরিপ তথ্য তুলে ধরে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়—এই ইসরায়েলি নেতার ভাগ্য যেন ডুবতে বসেছে লোহিত সাগরের গভীর জলে।

এর দুই দিন আগে, তথা গত ৯ জুন ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়—৬১ শতাংশ ইসরায়েলি নেতানিয়াহুকে আগামী নির্বাচনে দেখতে চায় না। একই সংখ্যক ইসরায়েলি চায় না কেউ দুইবারের বেশি দেশটির প্রধানমন্ত্রী হোক।

বিশ্লেষকদের অনেকে বলছেন—নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য নেতানিয়াহু নতুন করে যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিতে পারেন। এমনকি, ইরান ও লেবাননের পর মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশে ইসরায়েল হামলা চালাতে পারে সে বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরে।

গত ১৪ জুন ইসরায়েলের অন্যতম প্রাচীন দৈনিক হারেৎজের এক সংবাদ শিরোনামেও এমন আভাসই পাওয়া গেল। সেদিন সংবাদমাধ্যমটি জানায়—‘নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বালিয়ে দিতে পারেন।’

এতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যে শান্তি চুক্তির চেষ্টা চলছে তা নেতানিয়াহুর জন্য সুখকর নাও হতে পারে। কেননা, তিনি তার জাতির জন্য প্রতিশ্রুতির যে বিশাল বহর তুলে ধরেছিলেন তা পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা কম। তিনি যেন তার নিজের ‘কথার ফাঁদে’ নিজেই ধরা পড়ে গেছেন।

ইতোমধ্যে অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোয় প্রশ্ন উঠেছে—এবার কি তুরস্কে হামলার পরিকল্পনা করছেন ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু? এমন প্রশ্নে অনেকে বিস্মিত হতে পারেন। কারণ, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে তুরস্কই প্রথম ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। পশ্চিমপন্থি ও ন্যাটো সদস্য তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

এমন দেশটির সঙ্গে ইসরায়েল কেন সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে তা নিয়ে খানিক আলোচনা করা যাক—

পুরোনো বন্ধু

‘শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু’—এমন প্রবাদের বাস্তব রূপ যেন দেখা গিয়েছিল তুরস্ক-ইসরায়েল সম্পর্কে। অর্থাৎ, ওসমানীয় সাম্রাজ্যের সময়কাল থেকে তুর্কিদের ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচিত আরবরা যখন পরবর্তীতে, তথা ১৯৪৮ সালে ইসরায়েলের শত্রু হয় তখন আঙ্কারা দাঁড়িয়েছিল তেল আবিবের পাশে।

২০১৭ সালের ২৭ জুন তুরস্কের সরকারি সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডে তুরস্ক-ইসরায়েল সম্পর্কের ওপর এক প্রতিবেদনে বলা হয়—১৯৪৯ সালে তুরস্ক প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।

অর্থাৎ, আরব ও অন্যান্য মুসলিম দেশগুলো যখন ঐতিহাসিক ফিলিস্তিন অঞ্চলে একতরফাভাবে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার বিরোধিতায় তখন আঙ্কারা ইহুদি রাষ্ট্রটিকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

স্বীকৃতির পরের বছর তেল আবিবে কূটনৈতিক কার্যালয় খোলে তুরস্ক। তবে ১৯৫৬ সালে সুয়েজ খাল নিয় সংকট বা দ্বিতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় সেই কার্যালয়ের গুরুত্ব কমিয়ে দেয় তুরস্ক।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১৯৫৮ সালের আগস্টে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন গুরিয়ন তুরস্ক সফর করেন। তিনি তৎকালীন তুর্কি প্রধানমন্ত্রী আদনান মেনদেরেসের সঙ্গে বৈঠক করে তুরস্ক-ইসরায়েল জোট গঠনের পথ পরিষ্কার করেন। এই দুই নেতা ‘কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে’ সহযোগিতায় রাজি হন।

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে তুরস্ক দখলদার ইসরায়েলের সমালোচনা করলেও ইহুদি রাষ্ট্রটির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে। দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করার বিষয়ে আরবদের অনুরোধও প্রত্যাখ্যান করে আঙ্কারা।

প্রতিবেদনটি থেকে আরও জানা যায়—১৯৮০ সালে তুরস্ক তেল আবিবে তাদের কূটনৈতিক কার্যালয়কে পূর্ণ মর্যাদার দূতাবাস ঘোষণা করে। তবে ইসরায়েল জেরুসালেমকে তাদের ‘চিরন্তন রাজধানী’ ঘোষণা করলে তুরস্ক সেই কার্যালয়ের ‘দূতাবাস’ মর্যাদা তুলে নেয়।

১৯৯০ এর দশকে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হলে তুরস্ক তেল আবিবে প্রথম রাষ্ট্রদূত পাঠায়। এতে আরও জানানো হয়, ১৯৯৩ সালে তুর্কি প্রধানমন্ত্রী তানসু জিলার প্রথম সরকারপ্রধান হিসেবে ইসরায়েল সফর করেন। এর তিন বছর পর দেশটির রাষ্ট্রপতি সুলেমান ডেমিরেল ইসরায়েল সফরে যান। ১৯৯৬ সালে তুরস্ক ও ইসরায়েল কৌশলগত সহযোগিতা ও বাণিজ্য চুক্তি করে বলেও এতে জানানো হয়।

নতুন শত্রু?

মূলত ২০০৭ সালের পর থেকে ইসরায়েলের সঙ্গে তুরস্কের ‘ঐতিহাসিক’ সুসম্পর্ক ক্রমশ তিক্ত হতে শুরু করে। পুরোনো বন্ধু ধীরে ধীরে নতুন ‘শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত হতে থাকে।

সে বছর ইসরায়েল অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নৌ অবরোধ আরও জোরদার করলে সেখানে খাবার ও ওষুধ সরবরাহ কমে যায় এবং নিত্যপণ্যের সংকট আরও তীব্র হয়।

২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ইসরায়েল গাজায় নতুন করে হামলা শুরু করে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হিসেবে অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলের তিন সপ্তাহের হামলায় শিশুসহ এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হন।

২০০৯ সালে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক অনুষ্ঠানে তুরস্কের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এরদোয়ান গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়ের কারণে দেশটির তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শিমন পেরেসের সঙ্গে প্রকাশ্য বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

সে বছর ৩০ জানুয়ারি ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়—গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ইসরায়েলি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ানোয় দাভোস থেকে ইস্তানবুলে ফিরে আসা তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীকে দেশবাসী বিমানবন্দরে ‘বীরের’ সংবর্ধনা দিয়েছে।

এতে আরও বলা হয়—ভক্তরা এরদোয়ানকে উদ্দেশ করে ‘তুরস্ক তোমাকে নিয়ে গর্বিত’ স্লোগান দেয়। তারা তুরস্কের পাশাপাশি ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়ে এরদোয়ানকে বরণ করে।

২০১০ সালে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরায়েলি সেনারা গাজা ফ্রিডম ফ্লোটিলায় হামলা চালালে ১০ তুর্কি নিহত হন। এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে তেল আবিব থেকে তুর্কি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে আনে আঙ্কারা। এরদোয়ান সেই হামলাকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে আখ্যা দেন।

পরে বছর তুরস্ক ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করলে দেশ দুটির কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানি এসে ঠেকে।

২০১৬ সালে তেল আবিব ও আঙ্কারার কূটনৈতিক সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হলেও তা স্থায়ী হয়নি। মোটা দাগে বললে, তা এক প্রকার চড়াই-উৎরাইয়ের ভেতর দিয়ে গিয়েছে।

প্রায় ৬ বছর হিমঘরে থাকা সম্পর্কের উষ্ণতা ২০১৮ সালে আবার মিইয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর মর্যাদা দিলে ও ইসরায়েল গাজায় নতুন করে হামলা শুরু করলে এর প্রভাব আঙ্কারার অন্দরেরও পড়তে দেখা যায়।

সে বছর তুরস্ক নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে তেল আবিব থেকে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আঙ্কারা থেকে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে।

ইসরায়েলের নিশানায় তুরস্ক?

গত ২৫ মার্চ রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরটি-র এক প্রতিবেদনের শিরোনাম করা হয়—‘আফটার ইরান, ইজ তুরকিয়ে নেক্সট অন ইসরায়েল’স মেনু?’ প্রতিবেদন অনুসারে, তেহরান যদি ধ্বংস হয় তাহলে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনাময় ভারসাম্য থেকে সংঘাতময় বিস্ফোরণের দিকে চলে যাবে। আঙ্কারা হতে পারে পরবর্তী লক্ষ্য।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা ইরানের সীমানায় সীমিত থাকবে না। এটি পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে যেতে বাধ্য—বলেও সেসময় প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়—তুরস্ক মনে করে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য ইরানে হামলা চালানো হয়নি। বরং, মধ্যপ্রাচ্যকে আরও বেশি অস্থিতিশীল ও সংঘাতময় করে তোলার জন্য এই হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে, গত ৪ মার্চ একই সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদনের শিরোনামে জানায়, তুরস্ক ইসরায়েলের হুমকির আওতায় পড়ে গেছে। প্রশ্ন রাখা হয়—ইরানকে করায়ত্ত করার পর ইসরায়েল কি তুরস্ককে নিশানা করবে?

এতে বলা হয়—সম্প্রতি ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে তুরস্ক শুধু যে ইরানকে সমর্থন করছে তা নয়, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের চোখে সন্ত্রাসী এমন সংগঠনগুলোকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আঙ্কারাকে ইসরায়েলের জন্য নতুন হুমকি বলে মন্তব্য করেন। তিনি তুরস্কের বিষয়ে ইসরায়েল ও মিত্রদের সজাগ থাকারও আহ্বান জানান।

তবে আতঙ্কিত হওয়ার মতো বড় অভিযোগ এসেছে খোদ তুরস্ক থেকে। দেশটির রাষ্ট্রপতি এরদোয়ান অভিযোগ করেছেন যে, তার দেশ ‘ইসরায়েলের হামলার হুমকিতে’ পড়েছে।

গত ১০ জুন বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনের শিরোনাম করে, ‘এরদোয়ান বলেছেন সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা তুরস্কের জন্যও হুমকি।’

প্রতিবেদন অনুসারে—সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তা ন্যাটো সদস্য তুরস্ককেও হুমকিতে ফেলেছে। তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী এরদোয়ান বলেছেন যে ইসরায়েলের ‘আগ্রাসন’ সারা পৃথিবীর জন্য হুমকি এবং দেশটিকে অবশ্যই এই আগ্রাসন থামাতে হবে।

এই ন্যাটো সদস্যের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির প্রধান বাধা হচ্ছে ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক আদালতগুলোয় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তুর্কি নেতা।

একইদিনে একই বিষয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে এরদোয়ানের বক্তব্য তুলে ধরা হয়। এরদোয়ান বলেছেন, ‘যদি তুরস্ক ও ভূমধ্যসাগরে তুর্কি-অধ্যুষিত উত্তর সাইপ্রাসের স্বার্থে কোনো হামলা হয়, তাহলে আমরা পরিষ্কারভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।’

এর পরদিন হারেৎজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়—এতসব হুমকির আড়ালে এরদোয়ান তুরস্কের নেতৃত্বে নতুন আঞ্চলিক শাসন ব্যবস্থার পরিকল্পনা করছেন। এতে আরও জানানো হয়, তুরস্ক চায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নিরাপত্তা নির্ভরতা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে মুক্ত করতে।

গত ১০ জুন দ্য জেরুসালেম পোস্টের এক বিশ্লেষণে প্রশ্ন রাখা হয়—‘তুরস্ক ও ইসরায়েলের বাগযুদ্ধ নতুন সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে না তো?’

বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে তুরস্ক ও ইসরায়েল নিজেদের যেভাবে একে অপরের শত্রু হিসেবে প্রচার করে যাচ্ছে তা একদিন আচমকা এক অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

এখন দেখার বিষয়—নিজের নিরাপত্তার কথা বলে ইসরায়েল এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু তুরস্কের সঙ্গে কোনো সামরিক সংঘর্ষে জড়ায় কিনা।

MIDDLE EAST বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম সম্পর্ক তিক্ত, চুক্তি মানতে ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি ভ্যান্সের শিরোনাম ইউনূস গভর্মেন্ট ‘মোস্ট ওয়াস্টেস্ট’, ‘জুলাই সনদ ও একটা শয়তান লোক’ শিরোনাম ড. ইউনূস মাস্টারমাইন্ড বলেননি, ‘ব্রেইনস বিহাইন্ড’ বলেছেন শিরোনাম উহান ল্যাবে তহবিল দেন বাইডেনের উপদেষ্টা, সেখানে থেকেই ছড়ায় করোনা শিরোনাম রোনালদোর এটাই নিয়তি : সকালে তারকা-বিকেলে ভিলেন শিরোনাম শাহে আলম-কাণ্ডে সরকার বিব্রত-অস্বস্তি, এত ক্ষমতা কোথায় পেলেন?