রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর কেটে গেছে প্রায় ১৫ মাসেরও বেশি সময়। এই অল্প সময়ের মাঝেই খামখেয়ালি ও খ্যাপা আচরণের জন্য অসংখ্যবার ‘খবর’ হয়েছেন এই নেতা।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মহল থেকে গুঞ্জন উঠছে, প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনের জন্য যেটুকু শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা দরকার, সেটা দ্রুত হারিয়ে ফেলছেন শিগগির ৮০-তে পা রাখতে যাওয়া এই নেতা। অনেকে তাকে ‘পাগল’ বলতেও রাজি।
এ পরিস্থিতিতে কোনো কোনো নেতা মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী কাজে লাগিয়ে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাবও রেখেছেন।
২৫তম সংশোধনীর চতুর্থ ধারা অনুযায়ী, যদি প্রেসিডেন্ট নিজে পদত্যাগ করতে রাজি না হন, কিন্তু তিনি দেশ চালানোর জন্য ‘অযোগ্য’ বা ‘অক্ষম’ বলে বিবেচিত হন, তবে তাকে সরানো যেতে পারে। তবে এর প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল।
সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা বিষয়টিকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।
অদ্ভুত সেই সোমবার
ট্রাম্পের পাগলামির বিষয়টিকে সামনে এনেছে একটি দিনের ঘটনাচক্র। দিনটি গত ১১ই মে, সোমবার। দিনের শুরুতে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য ও প্রজনন ক্ষমতা নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অদ্ভুত কিছু মন্তব্য করেন এই বিশ্বনেতা।
আলোচনার মাঝে অপ্রাসঙ্গিকভাবেই ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্য বানানোর পরিকল্পনার কথা জোরেশোরে বলেন। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সামরিক অভিযান চালিয়ে ‘উঠিয়ে’ এনেছেন ট্রাম্প।
এরপর সবাইকে বাকরুদ্ধ করে নিজেকে প্রজনন ক্ষমতার রাজা (কিং অব ফার্টিলিটি) আখ্যা দেন ট্রাম্প। পাশাপাশি, ওই অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রনীতি, শুল্ক ও অপ্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয় নিয়েও কথা বলেন তিনি। ওষুধের দাম ৫০০-৬০০ শতাংশ কমানোর মিথ্যা দাবিও করে বসেন ট্রাম্প।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে তাকে নাক ডাকিয়ে ঘুমাতে দেখা যায়। ঘটনাটি পূর্বসূরি জো বাইডেনকে বলা ‘স্লিপি জো’ বিদ্রূপের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। ট্রাম্প নিজেই বাইডেনকে ‘ঘুমকাতুরে’ ও ‘বুড়ো’ আখ্যা দেন। তবে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, ঘুম নয়, ট্রাম্প ‘চোখ পিটপিট’ করে তাকিয়েছেন।
স্মৃতিশক্তির পরীক্ষা
দিনের পরবর্তী অংশেও ট্রাম্পের অদ্ভুতুড়ে আচরণ অব্যাহত থাকে।
বিকাল ৪টার দিকে হোয়াইট হাউসের বাইরে, দক্ষিণ অংশের উঠানে চলতি বছরের এনসিএএ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে জয়ী দল ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন ট্রাম্প।
দলটির ফুটবল কোচ কার্ট সিগনেত্তির পাশ দাঁড়িয়েও তাকে চিনতে পারেননি ট্রাম্প। অথচ, সিগনেত্তির সঙ্গে আগেই পরিচয় হয়েছে তার, কথাও বলেছেন একাধিকবার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খ্যাপাটে আচরণ
দিনের শেষে সামাজিক মাধ্যমে ‘খ্যাপা’ আচরণ করতে দেখা যায় ট্রাম্পকে। এক ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে ৫০টির বেশি পোস্ট দেন তিনি।
সিএনএনের প্রতিবেদন মতে, ২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে পোস্ট করেন ট্রাম্প। দাবি করেন, ডমিনিয়ন ভোট মেশিন তার পক্ষে পড়া লাখো ভোট মুছে দিয়েছে। কিন্তু, বহু আগেই তার এই দাবি মিথ্যা প্রমাণ করেছেন ফ্যাক্ট ফাইন্ডাররা।
এরপর, প্রায় এক দশক আগের হিলারি ক্লিনটন ইমেইল সার্ভার বিতর্ককে আবারও উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেন ট্রাম্প।
নিজ দলের এক এমপির নামে আসা ভুয়া অভিযোগ খণ্ডনেরও চেষ্টা করেন ট্রাম্প। দাবিটি ভুয়ায় হওয়ায় ট্রাম্পের যুক্তি কোনো দিক দিয়েই প্রাসঙ্গিকতা পায়নি।
এরপর স্বনামধন্য ডেমোক্র্যাট নেতাদের ব্যঙ্গ করে এআই দিয়ে তৈরি করা ছবি শেয়ার দেন ট্রাম্প। কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য অবমাননাকর তিনটি ভিডিও শেয়ার দেন তিনি। একটি ভিডিওর শিরোনাম ছিল, ‘তার সবসময় ধান্দাবাজিতে জড়িয়ে থাকে’। আরও দুইটি পৃথক পোস্টে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
নিজ কার্যালয়ের বদনাম
সেদিন সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউসে রোজ গার্ডেন ডিনারে অনুষ্ঠানে যোগ দেন ট্রাম্প।
পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের প্রতি সম্মান জানাতে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় এই অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানের মাঝে তিনি নিজের ঢোল নিজেই পেটাতে শুরু করেন। দাবি করেন, তিনি আসার আগে হোয়াইট হাউসের অবস্থা বেশ খারাপ ছিল। দাবি করেন, ভবন সংস্কারের খরচ নিজের পকেট থেকে দিয়েছেন তিনি।
এরপর বলেন, ‘আমাকে আমার স্ত্রী বলেছে, তোমাকে এখন প্রেসিডেন্টসুলভ আচরণ করতে হবে। কোনো অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করবে না। সেটাই আমি মেনে চলবো। আমি হয়তো বলতাম এটি একটি শিট হাউস, কিন্তু এখন আর আমি তা বলতে চাই না। সবগুলো স্তম্ভ ভেঙে পড়ছিল। পলেস্তারাও খসে পড়ছিল...এবং এখন জায়গাটা একদম নিখুঁত। সর্বত্র নতুন, সুন্দর পাথর বসানো হয়েছে। আমি নিজেই এর খরচ বহন করেছি।’
এভাবে সরাসরি না হলেও, পরোক্ষভাবে হোয়াইট হাউসকে ‘নিকৃষ্ট’ জায়গা হিসেবে বর্ণনা করেন দেশটির নেতা।
উদ্বেগজনক আচরণের ধারাবাহিকতা
তর্ক সাপেক্ষে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রের সবচেয়ে ক্ষমতাধর মানুষটির এ ধরনের আচরণ নি:সন্দেহে উদ্বেগজনক।
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট গত ১৫ এপ্রিল এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অশ্লীল ও অসংলগ্ন কথাবার্তায় তার ‘আসল রূপ’ প্রকাশ পেয়েছে। বিষয়টা এমন, যে মার্কিনিরা ধরেই নিয়েছেন যে ‘ট্রাম্প তার স্বভাবসুলভ খ্যাপা আচরণ’ চালিয়ে যাবেন। .
শুধু গত সোমবারের ঘটনাই নয়, আরও বেশ কিছুদিন ধরেই ট্রাম্প এ ধরনের কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন। এপ্রিলে ট্রাম্প বারবার দাবি করেন, ইরান তার সব দাবি মেনে নিয়েছে। কিন্তু আজ অবধি তার এই দাবির পেছনে বিন্দুমাত্র সত্যতাও মেলেনি।
এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, দরকষাকষির মাধ্যমে যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্য হাতে নিয়ে তার নিজ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স প্লেনে চেপে পাকিস্তান রওনা হয়েছেন।
কিন্তু ভ্যান্স তখনো উড়োজাহাজে ওঠেননি। এমন কী, পরবর্তীতে তার সেই সফর বাতিলও করা হয়। খ্রিস্টানদের পবিত্র ছুটির দিন ইস্টার সানডে সকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশালে ইরানের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন।
সমালোচকদের মতে, তার এই বার্তা এতোটাই অসংলগ্ন ছিল যে এতে নতুন করে ট্রাম্পের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্নের উদ্রেক হয়।
গালিগালাজ সমৃদ্ধ ওই পোস্টে তিনি ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলেন।
৪৮ ঘণ্টা পর তিনি ইরানের ৯ কোটি ৩০ লাখ মানুষকে হত্যার হুমকি দেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি না করলে ‘একটা গোটা সভ্যতা ধ্বংস হবে। কেউ তাদেরকে আর ফিরিয়ে আনতে পাড়বে না’।
এ মাসের শুরুতে বেশ কয়েকবার কথা বলা সময় ট্রাম্পকে অসংলগ্ন মনে হয়েছে। ১ মে ফ্লোরিডার কয়েকটি গ্রামে বক্তব্য রাখার সময় বেশ কয়েকবার গালিগালাজ করেন ট্রাম্প। পরবর্তীতে একটি বিকল মাইক্রোফোন প্রসঙ্গে চিৎকার করে বিষোদগার করেন তিনি। মূলত ‘সভ্যতা ধ্বংসের’ হুমকির পরই ২৫ তম সংশোধনী কাজে লাগানোর বিষয়টি সামনে আসে।
কেন মানুষ মেনে নিচ্ছে তার এই আচরণ
সিএনএনের প্রতিবেদনে মত দেওয়া হয়, বহু বছর ধরে এ বিষয়টির জন্য মার্কিনিদের প্রস্তুত করেছেন ট্রাম্প—স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায়, ট্রাম্পের অদ্ভুত আচরণ সহ্য করছেন তারা।
২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় কয়েকটি বক্তব্যে অসংলগ্ন কথা বলেন ট্রাম্প।
পরবর্তীতে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তিনি বলেন, ‘আমি নয়টি ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলবো। সেগুলোর সম্মিলিত ভাবে আপনাদের কাছে একটি অসামান্য বার্তা হিসাবে পৌঁছাবে।’
লাগামহীন বক্তব্যগুলোকে এভাবেই বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেন ট্রাম্প। মজা করে বলেন, তিনি ইচ্ছা করেই এভাবে বলেছেন যাতে সব মানুষ তার কথা বুঝতে না পারে।
ট্রাম্প যখনই কোনো ভুল তথ্য দেন বা মিথ্যা বলেন, সেটাও মার্কিনিদের অবাক করে না।
কারণ তারা আজীবনই ট্রাম্পকে এ ধরনের ভূমিকায় দেখে এসেছে।
গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য মতে, প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ৩০ হাজার মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প কোন তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করেননি—এ বিষয়টি নিয়ে এখন আর গণমাধ্যমেও খবর আসে না।
ট্রাম্পের নতুন কোনো কীর্তিতে এখন সবাই সন্দিহান হয়ে পড়ে—এটা কী কোনো ‘কৌশলগত মিথ্যা বয়ান’ নাকি সর্বৈব মিথ্যা?
ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান ট্রাম্প আজীবনই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন। সবার মনোযোগ কেড়ে নিতে তিনি বরাবরই অদ্ভুত সব আচরণ করে এসেছেন। অদ্ভুত আচরণ ও পাগলামির মধ্যে সূক্ষ্ম ব্যবধানকে আরও অস্পষ্ট করে তুলেছেন বিশ্বনেতা ট্রাম্প।
ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে?
বিভিন্ন সাম্প্রতিক জনমত জরিপ বলছে, মার্কিনিদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে পড়ছে। ইরান যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মার্কিন অর্থনীতিতেও পড়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া।
রয়টার্স-ইপসোসের সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে ৬১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন ‘বয়সের সঙ্গে ট্রাম্পের আচরণ আরও অসংযত হয়ে পড়ছে’। এমন কী, রিপাবলিকানদের মধ্যেও ৩০ শতাংশ মানুষ একই মত দেন।
অপর এক জরিপে দেখা যায় ৭১ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, ট্রাম্পের আচরণে ধারাবাহিকতা নেই। ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর ৬২ শতাংশ মানুষ এমন ভাবতেন।
গত মাসে ওয়াশিংটন পোস্ট, এবিসি নিউজ ও ইপসোসের একটি যৌথ জরিপে দেখা গেছে, ৫৯ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় মানসিক দৃঢ়তা হারিয়েছেন ট্রাম্প।
২০২৩ সালে মাত্র ৪৩ শতাংশ মানুষ এমন ভাবতেন।
একই জরিপে আরও জানা যায়, ৬৭ শতাংশ মার্কিনি জানান, ট্রাম্প গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব কিছু বিবেচনায় নেন না।
৩০ শতাংশ রিপাবলিকানও (সমর্থক বা কর্মী) এমনটাই ভাবেন।
ভবিষ্যতে কি হতে পারে
বিষয়টা ভেবে দেখার মতো। যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের বেশিরভাগ মানুষ ভাবছেন তাদের নেতা জীবন-মৃত্যুকে প্রভাবিত করার সিদ্ধান্তগুলো ‘হেলাফেলা’ করে নেন।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের জন্য এটি একটি অশনি সংকেত।
জুনে ৮০ বছরে পা রাখবেন ট্রাম্প। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরেই আপত্তিকর, খ্যাপা ও অসংযত আচরণ করেও ‘পার পেয়ে গেছেন’ সাবেক আবাসন ব্যবসায়ী ট্রাম্প। এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে তার দীর্ঘদিনের যাপিত জীবনকেই সামনে এনেছেন বিশ্লেষকরা।
একজন বয়স্ক মানুষ হিসেবে বিবেচিত হওয়ার বহু আগে, এক দশকেরও বেশি সময় আগে থেকে ট্রাম্প এ ধরনের অসংযত আচরণ করে আসছেন। তবে সবারই সহ্যের সীমা থাকে।
মার্কিন কংগ্রেসে রিপাবলিকান পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে হয়তো ২৫তম সংশোধনীর বাতলে দেওয়া পথ খুব একটা কাজে আসবে না। তবে আজ হোক বা কাল হোক, মার্কিনিদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙবেই।
এর একটি প্রতিক্রিয়া নভেম্বরের অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচনে দেখা যেতে পারে। ওই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫ আসনের সবগুলোতে এবং উচ্চকক্ষ সিনেটের এক তৃতীয়াংশ আসনে ভোট হবে। হয়তো সেখান থেকেই ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পকে সরানোর অস্ত্র খুঁজে পাবে। সময়ই বলে দেবে, ট্রাম্পের খ্যাপা আচরণ আরও কতদিন সইবে মার্কিনিরা।
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats