পরাজয়কে চুক্তি বলবেন না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে এভাবেই পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। কারণ, যুদ্ধের এই সময়ে ইরান মোটেও পিছু হটছে না। তাদের যে মনোবল তাতে তারা যুদ্ধকে আরও দীর্ঘায়িত করার সামর্থ্য রাখে। এমনটাই প্রমাণ দিয়েছে। এ সময়ে ডনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে ১৫টি দফা নিয়ে আলোচনা চলছে। একে ইংরেজিতে তিনি এগ্রিমেন্ট বা চুক্তি বলে অভিহিত করেন। এর জবাবে ইরান যা বলার চেষ্টা করছে, তা হলো এই যুদ্ধে পরাজিত হয়েছেন ডনাল্ড ট্রাম্প ও তার মিত্র ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ফলে তারা ট্রাম্পের ওই চুক্তির বয়ানকে পরাজয় হিসেবে অভিহিত করেছে। বলেছে, (আপনার) পরাজয়কে চুক্তি বলবেন না। ট্রাম্প দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ‘সম্পূর্ণ সমাধান’ নিয়ে দুইদিনের ‘খুবই ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা’ হয়েছে। এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তেহরানের সামরিক কমান্ড পাল্টা ওই কড়া বার্তা দিয়েছে। এই বক্তব্য যুদ্ধ নিয়ে যেকোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়েছে। এমন অবস্থায় ইরানের সঙ্গে এক মাসের যুদ্ধবিরতি চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্য তারা ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠিয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের মাধ্যমে। তুরস্কও মধ্যস্থতার কথা জানিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এর মধ্যদিয়ে এ যুদ্ধে পরাজিত হয়েছেন ট্রাম্প। ইরানের মুখপাত্রদের বক্তব্যও তাই বলে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের এক সামরিক মুখপাত্র ট্রাম্পের আলোচনার দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘আপনার পরাজয়কে চুক্তি বলবেন না। আপনি আমাদের হাতের শক্তি না বুঝলে এই অঞ্চলে আপনার বিনিয়োগও থাকবে না, তেল ও জ্বালানির আগের দামও আর ফিরে আসবে না। স্থিতিশীলতা আসে শক্তির মাধ্যমে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি- আমরা চাইলে কোনো পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। আমাদের প্রথম ও শেষ কথা শুরু থেকেই এটাই- আমাদের মতো কেউ আপনার মতো কারও সঙ্গে আপস করবে না, এখন না, ভবিষ্যতেও না।’ তিনি আরও প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা কি নিজেদের জটিলতায় এতটাই জড়িয়ে গেছেন যে, নিজেরাই নিজেদের সঙ্গে আলোচনা করছেন?’
এই কঠোর বক্তব্য ইরানি কর্তৃপক্ষের সেই অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে তারা ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো বুঝতে পেরেছে যে, তারা ইরানের পাল্টা প্রতিরোধকে অবমূল্যায়ন করেছে। অন্যদিকে, ইরান হয়তো সহজে যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করতে রাজি নয়। বিশেষ করে ২৮শে ফেব্রুয়ারির বিমান হামলার পর, তখনো আলোচনা চলছিল।
ট্রাম্প আসলে কী খেলছেন?
ডনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার তার ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে বলেন, তিনি ‘যুদ্ধ বিভাগ’কে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সব ধরনের সামরিক হামলা পাঁচদিনের জন্য স্থগিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে ইরান বলছে, কোনো আলোচনা চলছে না। পরে ট্রাম্প বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং অন্যরা ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, অন্য পক্ষ চুক্তি করতে চায়। আর কে না চাইবে? তাদের নৌবাহিনী শেষ, বিমান বাহিনী শেষ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।
একজন ইরানি সূত্র সিএনএনকে জানান, তেহরান যুদ্ধ শেষ করার জন্য ‘টেকসই’ প্রস্তাব শুনতে প্রস্তুত।
এদিকে মার্কিন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন এলিট ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশন থেকে প্রায় ৩০০০ সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। প্রশ্ন উঠছে- যদি কূটনৈতিক সমাধানই লক্ষ্য হয়, তবে সামরিক প্রস্তুতি কেন? বিশ্লেষকদের মতে, এটি চাপ সৃষ্টির কৌশল হতে পারে, যাতে ইরান আলোচনার টেবিলে আসে।
ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্মিলিত শক্তির মুখেও ইরান চার সপ্তাহ ধরে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এতে মনে হচ্ছে, তেহরানের স্থিতিস্থাপকতা ট্রাম্প হয়তো আগে অবমূল্যায়ন করেছিলেন। শুরুর দিকে ধারণা ছিল, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ক্ষমতা নষ্ট হলে ইরানে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে এবং শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। কিন্তু তা হয়নি। এমনকি সর্বোচ্চ নেতা লক্ষ্যবস্তু হলেও ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শক্তভাবে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে গেছে। ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন, ইরান শুধু তার প্রতিবেশী দেশগুলোকেই নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন মিত্রকেও টার্গেট করেছে। যা আগে কেউ আশা করেনি। আরব দেশগুলো আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ শুরু না করতে আহ্বান জানিয়েছিল। কারণ এতে তাদের অর্থনীতি ঝুঁকিতে পড়বে। এখন ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে চাপের মুখে ফেলেছে। কারণ তার মিত্ররাও যুদ্ধ শেষ চায়। দেশের ভেতরেও চাপ বাড়ছে। রয়টার্স/ইপসস-এর এক জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সাম্প্রতিক সময়ে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর সর্বনিম্নে নেমে গেছে। ট্রাম্প জানেন, স্থলযুদ্ধ বা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ তার জন্য ভালো অপশন নয়। কারণ তিনি ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধ’ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন।
কেন ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানতে চাইছে না
একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের কাছে ১৫ দফা দাবি পাঠিয়েছে, যা আগের বছর ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরান এখন চাপের মুখে থাকলেও টিকে আছে। তাই যুদ্ধ বন্ধ করার প্রণোদনা কমে গেছে। বরং তারা যুদ্ধ চালিয়ে গিয়ে আরও ভালো চুক্তি আদায় করতে চাইতে পারে। ইরান ইতিমধ্যে দুইবার হামলার শিকার হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে হামলা ঠেকাতে কার্যকর প্রতিরোধ ছাড়া কোনো চুক্তি মানতে চাইবে না। এদিকে হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে ইরান বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায় চাপ তৈরি করেছে। ফলে এখন তেহরানের জন্য যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চুক্তি আদায় করাই বেশি লাভজনক। তবে ইরানের জন্য এই যুদ্ধের ক্ষতিও কম নয়। ১৫ শতাধিক মানুষ নিহত, শহরগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত এবং মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে বিদ্রোহের সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে। আল জাজিরা জানিয়েছে, সরকার ৯ কোটি মানুষের বেশি মানুষকে ২৫ দিনের জন্য ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন রেখেছে। একজন তরুণী বলেন, এটা শুধু অপমানজনক নয়, ব্যবসাও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে। তিনি একটি ছোট অনলাইন গয়নার ব্যবসা চালান। এ ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগে ইরান সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, কেউ যদি রাস্তায় প্রতিবাদ করে, তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে গণ্য করে গুলি করে হত্যা করা হবে।
মার্কিন ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবে কি আছে?
যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ১৫ দফার একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র সঠিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছে এবং ইরানও চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। তিনি বলেন, আমরা এখনই আলোচনায় আছি। তবে তেহরান সরাসরি আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ এ ধরনের খবরকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থামাতে ওয়াশিংটন ১৫ দফার একটি পরিকল্পনা পাঠিয়েছে। এই পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার জন্য এক মাসের যুদ্ধবিরতি চায় যুক্তরাষ্ট্র। প্রস্তাবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে দেয়া, আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এই কাঠামোর ভিত্তিতে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তির আলোচনা শুরু হবে। চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান সব ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করতে এবং সব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে রাজি হবে। এই ১৫ দফা প্রস্তাবে ইরানকে তার বিদ্যমান পারমাণবিক সক্ষমতা ভেঙে দিতে হবে, পারমাণবিক অস্ত্র কখনো না বানানোর প্রতিশ্রুতি দিতে হবে, ইরানের মাটিতে কোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি সর্বদা উন্মুক্ত রাখতে হবে। হরমুজ প্রণালির বিষয়ে কড়া শর্ত রাখার কারণ হলো ইরানের আংশিক অবরোধে আন্তর্জাতিক জ্বালানির দাম রেকর্ড উচ্চতায় উঠে গেছে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের এক পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। আলোচনার নেতৃত্বে রয়েছেন ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাই জেরেড কুশনার। উল্লেখযোগ্য যে, ইসরাইল এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র না রাখতে রাজি হয়েছে এবং হরমুজ সংক্রান্ত একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ উপহার’ পাঠিয়েছে। তিনি জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, উইটকফ ও কুশনার এই আলোচনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এ বিষয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনার আয়োজন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, একটি সমাধানের লক্ষ্যে অর্থবহ আলোচনা আয়োজন করতে পাকিস্তান প্রস্তুত। একটি সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যেই তা হতে পারে। এরই মধ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব ইরানের কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের পাঁচ শর্ত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের ইতি টানতে পাঁচটি কঠোর শর্ত দিয়েছে ইরান। সোমবার হিব্রু সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিক থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে তেহরান এই শর্তগুলো নির্ধারণ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান তাদের আনুষ্ঠানিক দাবিগুলো তুলে ধরেছে। চলমান সংঘাত নিরসনে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চায় তেহরান। ভবিষ্যতে আর হামলা না করার পুরোপুরি আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা চেয়েছে দেশটি। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির জন্য একটি নতুন ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়েছে, যার মাধ্যমে এর নিয়ন্ত্রণ কার্যত ইরানের হাতে থাকবে। শর্তের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিনিদের সরানোর কথাও রয়েছে। এ ছাড়া এই যুদ্ধে আর্থিকভাবে যে ক্ষতি হয়েছে সেই বিপুল অর্থ পরিশোধ করতে হবে। শেষ শর্তটি হচ্ছে- যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি রোধে নির্দিষ্ট গ্যারান্টি দিতে হবে। একই দিনে টেনেসিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এবার তারা (ইরান) বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের সামরিক বাহিনীর অসামান্য পারফরম্যান্সের কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে। আমরা আশা করি একটি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে। তবে যা-ই ঘটুক না কেন, আমরা নিশ্চিত করবো যেন ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে না পায়। ইরানকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা এবং আমাদের মিত্রদের জন্য হুমকি বন্ধ করার এটিই ইরানের শেষ সুযোগ। যেভাবেই হোক, আমরা আমেরিকাসহ পুরো বিশ্বকে আরও নিরাপদ এবং স্থিতিশীল করবো।
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats