Tuesday, 17 March 2026
The News Diplomats
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :
Publish : 12:48 PM, 17 March 2026.
Digital Solutions Ltd

যুদ্ধ বিভিন্ন দেশকে রাজি করাতে কূটনীতিকদের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

যুদ্ধ বিভিন্ন দেশকে রাজি করাতে কূটনীতিকদের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

Publish : 12:48 PM, 17 March 2026.
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :

ইরান ও ইরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর হামলা চালানোর সক্ষমতা ধ্বংস করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে রাজি করাতে বিশ্বজুড়ে মার্কিন কূটনীতিকদের নির্দেশনা দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেশগুলোয় ইরান ও দেশটির সমর্থক গোষ্ঠীগুলোর হামলার ঝুঁকি বৃদ্ধির মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তারবার্তার ভিত্তিতে এ খবর দিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের সব কূটনৈতিক ও কনস্যুলার দপ্তরে পাঠানো হয়। ‘আইআরজিসির তৎপরতা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ’ শীর্ষক এই নির্দেশনায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) ইঙ্গিত করা হয়েছে।

এই তারবার্তাকে ‘স্পর্শকাতর তবে অতি গোপনীয় নয়’ উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন কূটনীতিকদের এই বার্তাটি ২০ মার্চের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ‘উপযুক্ত সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি সচল রাখতে একটি জোট গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে তারা। গতকাল সোমবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, এই কাজে সহায়তা করতে রাজি হওয়া দেশগুলোর একটি তালিকা শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বার্তায় ইরান বা দেশটির সমর্থক সশস্ত্র গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে আসা হামলার বাড়তি ঝুঁকির বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি। তবে এতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, এই হুমকি মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগই হবে সেরা কৌশল।

তারবার্তায় বলা হয়েছে, ‘আমাদের মূল্যায়ন হলো, ইরান সরকার একক পদক্ষেপের চেয়ে সম্মিলিত পদক্ষেপের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। একতরফা চাপের চেয়ে যৌথ চাপ এই সরকারকে আচরণ পরিবর্তনে বাধ্য করার ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর।’

বার্তায় আরও বলা হয়, ‘এখন মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে ইরানের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করার বিষয়ে যখন আন্তর্জাতিক মনোযোগ নিবদ্ধ রয়েছে, তখনই আমাদের কাজ করতে হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টি হাতছাড়া হতে দেবেন না।’

এ বিষয়ে এবিসি নিউজের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী। আইআরজিসি, হিজবুল্লাহ এবং ইরানের মদদপুষ্ট অন্যান্য সশস্ত্রগোষ্ঠী সরকারগুলোকে অস্থিতিশীল করছে এবং আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্ট করছে।’

কূটনীতিকদের পাঠানো ওই তারবার্তায় আরও কিছু বার্তা পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হিজবুল্লাহ, হামাস এবং ইরাকি মিলিশিয়াদের সমর্থনের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য ও এর বাইরে অস্থিতিশীলতা তৈরিতে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার কথা মনে করিয়ে দেওয়া। একই সঙ্গে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র লক্ষ্যগুলোও তুলে ধরা, সেগুলো হলো—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করা, ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক ভেঙে দেওয়া এবং দেশটির নৌবাহিনীর সক্ষমতা কমিয়ে আনা।

বার্তায় বলা হয়েছে, ‘কূটনৈতিক দপ্তরগুলো নিজেদের মতো করে এই পরামর্শমূলক প্রচেষ্টাগুলো ইসরায়েলি সমকক্ষ কূটনীতিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে নেবে।’ এতে আরও বলা হয়েছে, আলোচনার এই মূল বিষয়গুলো বাদ দেওয়া যাবে না।

এ ছাড়া যেসব দেশ এখনো আইআরজিসি এবং হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেনি, সেসব দেশে থাকা কূটনীতিকদের দ্রুত তা করার জন্য সরকারগুলোকে উৎসাহিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর সপক্ষে প্রয়োজনীয় যুক্তি তুলে ধরতে বলা হয়েছে।

তারবার্তায় বলা হয়েছে, ‘এ ধরনের তালিকাভুক্তি ইরান সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়ে দেবে এবং বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতা করার সক্ষমতা সীমিত করবে, যা আপনাদের জনগণের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে বিঘ্নিত করছে।’

বার্তায় আরও বলা হয়, ‘আইআরজিসি সরাসরি বিদেশের মাটিতে সন্ত্রাসী হামলা ও গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্র করেছে এবং নিয়মিত গোয়েন্দাগিরি ও প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এই ষড়যন্ত্রগুলো সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করতে এবং আপনাদের বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে করা হয়েছে।’

ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের পরিচালক পদত্যাগ

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের প্রধান জো কেন্ট পদত্যাগ করেছেন। তিনি এই সেন্টারের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেছেন তিনি।

 

জো কেন্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেখা এক চিঠিতে বলেন, ‘ আমার বিবেক ইরানে চলমান যুদ্ধকে সমর্থন করতে সাড়া দেয় না।’

ওই চিঠি এক্স–এ পোস্ট করা হয়েছে। কেন্ট আরও লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরান কোনো আসন্ন হুমকি তৈরি করেনি। এটি স্পষ্ট যে আমরা ইসরায়েল ও তাদের প্রভাবশালী আমেরিকান লবির চাপে এই যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি।’

যুদ্ধে মিত্রদের পাশে পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে নানাভাবে মিত্রদেশগুলোকে এ যুদ্ধে যুক্ত করার চেষ্টা চালিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে গতকাল সোমবার যুদ্ধের ১৭তম দিনেও কোনো দেশ এ যুদ্ধে যোগ দেয়নি।

সে ক্ষোভ থেকেই গত রোববার ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাজ্যসহ মিত্রদেশগুলো মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। যদিও গতকাল তিনি আশা প্রকাশ করেন, হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক করতে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে পাশে পাবে ওয়াশিংটন।

ইরান যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে—ট্রাম্পের এ দাবি আবারও প্রত্যাখ্যান করে ইরান বলেছে, যত দিন প্রয়োজন, তত দিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে তারা প্রস্তুত।

মিত্রদের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট ট্রাম্প

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর জ্বালানি তেলের দাম ৪০ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সেই চাপ থেকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে চাইছে। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই প্রণালি দিয়ে জ্বালানিবাহী জাহাজ ও ট্যাংক চলাচল নিশ্চিত করতে মিত্রদের সেখানে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান।

গত শনিবার ট্রাম্প বলেন, তাঁর প্রত্যাশা, চীনসহ মিত্রদেশ ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে সহায়তা করবে। কোনো সাড়া না পেয়ে রোববার ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাজ্যসহ মিত্রদেশগুলো সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ট্রাম্প রোববার ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, ‘যারা এই প্রণালি (হরমুজ) থেকে উপকৃত হচ্ছে, তাদের উচিত, সেখানে যাতে খারাপ কিছু না ঘটে, সে জন্য সহায়তা করা।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের ন্যাটো নামের একটি জোট আছে। এই জোটের প্রতি আমরা অনেক উদারতা দেখিয়েছি। ইউক্রেন ইস্যুতে তাদের (ন্যাটো) সাহায্য করার কোনো প্রয়োজন ছিল না আমাদের। ইউক্রেন আমাদের থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে...কিন্তু আমরা তাদের সহায়তা করেছি। এখন দেখা যাক, তারা আমাদের সহায়তা করে কি না।’একপর্যায়ে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি (সহায়তার) কোনো সাড়া না পাওয়া যায় অথবা নেতিবাচক সাড়া আসে, তাহলে আমি মনে করি, এটি ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য খুব খারাপ হবে।’

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের হরমুজ প্রণালি ‘সুরক্ষিত’ করার কাজে জড়িত হওয়ার ‘সম্ভাবনা কম’।

এদিকে কেনেডি সেন্টারের বোর্ড সদস্যদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠকের আগে গতকাল প্রেস ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘কিছু দেশ রয়েছে, যাদের আমরা বহু বছর ধরে সাহায্য করেছি। আমরা তাদের ভয়ংকর ঝুঁকি থেকে রক্ষা করেছি। কিন্তু তারা (সহায়তায়) অতটা আগ্রহী ছিল না। আর উৎসাহের মাত্রা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’

ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি এ বিষয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়া জুতসই নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি মনে করি, তিনি (মাখোঁ) সাহায্য করবেন।’ ট্রাম্পের আশা, যুক্তরাজ্যও হরমুজ মিশনে যুক্ত থাকবে।

ন্যাটোর ‘করার কিছু নেই’

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের ওই সংবাদ সম্মেলনের আগে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার গতকাল ডাউনিং স্ট্রিটে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। স্টারমার বলেন, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্য তার মিত্রদের সঙ্গে একটি ‘কার্যকর’ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তবে নিজেদের পরিকল্পনায় ন্যাটোর সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিষয়টি পরিষ্কার করে বলি, এটি কোনো ন্যাটো মিশন হবে না এবং এটি কখনো সেভাবে ভাবাও হয়নি।’ ইরানে হামলা চালানোর জন্য শুরু দিকে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়নি যুক্তরাজ্য। ইরানে বিমান হামলায় সহায়তা করতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন স্টারমার। এ কারণে তাঁকে তিরস্কার করে ট্রাম্প বলেছিলেন, দুই দেশের (যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য) সম্পর্ক এখন আর আগের মতো নেই।

মধ্যপ্রাচ্যে একটি নৌ মিশন শক্তিশালী করার ‘সুস্পষ্ট ইচ্ছা’ প্রকাশ করেছেন। তবে আপাতত হরমুজ প্রণালি পর্যন্ত এর পরিধি বাড়ানোর কোনো আগ্রহ তাঁদের নেই।

USA/CANADA বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে দাবার বোর্ড সাজিয়েছে ইরান ও চীন শিরোনাম যুদ্ধ বিভিন্ন দেশকে রাজি করাতে কূটনীতিকদের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের শিরোনাম বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক : নীরব কূটনীতির সূচনা শিরোনাম ছবিতে ভাসছে রাশমিকা–বিজয়ের রঙে ভেজা গায়েহলুদ শিরোনাম হাসনাত আব্দুল্লাহর দাবি, শিক্ষামন্ত্রীর কেনে এত তাড়াহুড়া? শিরোনাম ট্রাম্পের দীর্ঘমেয়াদে ইরান যুদ্ধ যেন পুতিনের ‘মুচকি হাসি’!