Thursday, 05 March 2026
The News Diplomats
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :
Publish : 02:35 AM, 03 March 2026.
Digital Solutions Ltd

ট্রাম্পের আহ্বানে ইরানিদের সাড়া নেই, সংশয়ে যুক্তরাষ্ট্র!

ট্রাম্পের আহ্বানে ইরানিদের সাড়া নেই, সংশয়ে যুক্তরাষ্ট্র!

Publish : 02:35 AM, 03 March 2026.
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার পরও দেশটিতে অদূর ভবিষ্যতে সরকার পরিবর্তন হবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান যুক্তরাষ্ট্রের অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

হামলার আগে ও পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করার পাশাপাশি দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করাও তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

রোববার ট্রুথ সোশ্যালে এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ইরানের সব দেশপ্রেমিক নাগরিককে আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা স্বাধীনতার এই মুহূর্তটি লুফে নিন... এবং আপনাদের দেশ পুনরুদ্ধার করুন।’

তবে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল তিনজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ১৯৭৯ সাল থেকে চলে আসা ইরানের ধর্মীয় কট্টরপন্থি ও কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা এখনই ভেঙে পড়বে—এমনটা মনে করার যথেষ্ট কারণ নেই। দেশটির সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীরা এই মুহূর্তে এতটাই দুর্বল যে তাদের পক্ষে সরকার পতন ঘটানো কঠিন।

রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা কোনো কর্মকর্তাই অবশ্য সরকার পতনের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। কারণ, চলমান মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা নিহত হয়েছেন। গত জানুয়ারিতে ইরানজুড়ে বিক্ষোভে নজিরবিহীন দমন-পীড়নের কারণে সরকার এখন জনবিচ্ছিন্ন। তবে তারা বলছেন, অদূর ভবিষ্যতে সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুবই কম।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান হামলার কয়েক সপ্তাহ আগে হোয়াইট হাউসে জমা দেওয়া সিআইএর এক মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, খামেনি নিহত হলে তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কোনো কট্টরপন্থি নেতা অথবা সমমনা কোনো ধর্মীয় নেতা। হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তথ্য রাখেন এমন এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, আইআরজিসির কর্মকর্তারা স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়বেন—এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

সিআইএর মূল্যায়নের পাশাপাশি আরেকটি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী বড় বিক্ষোভের সময়ও আইআরজিসি থেকে কেউ দলত্যাগ করেনি। বরং তারা বিক্ষোভ দমনে নির্মম শক্তি প্রয়োগ করেছে। তিনটি সূত্র জানিয়েছে, সফল বিপ্লব হতে হলে আইআরজিসির ভেতর থেকে দলত্যাগ বা বিদ্রোহ জরুরি, যা এখনো দেখা যাচ্ছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসব কর্মকর্তা জানান, খামেনি নিহত হলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ধরনে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে মতভেদ রয়েছে। এ ছাড়া খামেনির মৃত্যুতে ইরানকে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করবে কিনা, তা নিয়েও বিতর্ক চলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক কাউন্সিলের ফেলো ও সাবেক জ্যেষ্ঠ গোয়েন্দা কর্মকর্তা জোনাথন পানিকফ বলেন, ‘দিন শেষে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা থামার পর যদি ইরানের জনগণ রাস্তায় নামে, তবে তাদের সফলতা নির্ভর করবে সাধারণ সেনাসদস্যরা তাদের পাশে দাঁড়াবে কি না, তার ওপর। অন্যথায়, সরকারের অবশিষ্টাংশ—যাদের হাতে অস্ত্র আছে—তারা ক্ষমতা ধরে রাখতে সেই অস্ত্র ব্যবহার করবে।’

বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটির কমান্ড ভবন ধ্বংস

ইরানের হামলায় বাহরাইনের একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটির প্রধান কমান্ড সদর দফতর ধ্বংস হয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড করপস (আইআরজিসি)-এর সাথে সম্পর্কিত ফার্স নিউজ এজেন্সি প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, দূরের লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্রের ঢেউ ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাহরাইনের শেখ ইসা অঞ্চলে মার্কিন কমান্ড ও স্টাফ ভবন ধ্বংস করেছে এবং জ্বালানি ট্যাঙ্কগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখনও এই হামলার প্রতি মন্তব্য করেনি। এর আগে বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত নৌ ঘাঁটিতে ধোঁয়ার স্তূপ দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমেরিকান নাগরিকদের জরুরি ভিত্তিতে বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের এক ডজন দেশের বাইরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

ইরানে আইআরজিসির নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড। একইসঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার দাবি করেছে তারা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দিয়েছে সেন্ট্রাল কমান্ড। সেখানে তারা লিখেছে, ‘মার্কিন বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং সামরিক বিমানঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে।’

মার্কিনিদের  মধ্যপ্রাচ্য এখনই ছাড়তে নির্দেশ

চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েক দেশ এখনই ছাড়তে মার্কিন নাগরিকদের তাগিদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ভেরিফায়েড ফেসবুক ও এক্সে দেওয়া পোস্টে এই তাগিদ দেওয়া হয়।

দেশগুলো হলো, বাহরাইন, মিসর, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, ফিলিস্তিন (পশ্চিমতীর ও গাজা), জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে। সেদিন ইরানের রাজধানী তেহরানে চালানো হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা নিহত হন। জবাবে ইসরায়েলে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। পাশাপাশি তারা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে জোড়া ড্রোন হামলা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে সংঘটিত এই হামলায় দূতাবাসের অভ্যন্তরে আগুন ধরে যায় এবং ভবনটির আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হয়। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের চরম উত্তেজনার মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটল।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, দুটি ড্রোন সরাসরি মার্কিন দূতাবাস প্রাঙ্গণে আঘাত হানে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে মন্ত্রণালয় জানায়, হামলার ফলে ভবনে ‘সীমিত’ পরিসরে আগুনের ঘটনা ঘটেছে এবং সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার সময় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকা থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।

এই হামলার পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যম নিউজনেশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা এবং এই যুদ্ধে মার্কিন সেনা নিহতের জবাব কী হবে, তা আপনারা শিগগিরই জানতে পারবেন।’ তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এর পাল্টা প্রতিশোধ নিতে বড় ধরনের পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছে।

হামলা হওয়ার পরপরই রিয়াদের মার্কিন দূতাবাস এক জরুরি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। সৌদি আরবে অবস্থানরত সব মার্কিন নাগরিককে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রিয়াদ, জেদ্দা ও দাহরানের নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত সীমিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত শনিবার থেকে ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর ধারাবাহিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জোরদার করেছে তেহরান। রিয়াদের এই হামলাকে সেই সংঘাতেরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে কুয়েত ও জর্ডানে মার্কিন স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। বর্তমানে রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা কয়েক গুণ জোরদার করা হয়েছে এবং সৌদি কর্তৃপক্ষ হামলার উৎস শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে।

যুদ্ধে ইরানকে সমর্থন দিলো চীন

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে চীন । বেইজিং এই অভিযানকে আন্তর্জাতিক নিয়ম ভঙ্গ করে পরিচালিত 'জঙ্গলের আইন' হিসেবে অভিহিত করেছে এবং ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতি পূর্ণ সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি এ সংক্রান্ত বিবৃতি প্রকাশ করে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন আলাপে বেইজিংয়ের অবস্থান স্পষ্ট করেন। আলোচনায় বেইজিং দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ওয়াং ই বলেন, চীন দৃঢ়ভাবে ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় মর্যাদার পক্ষে অবস্থান করছে। বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় বেইজিং তেহরানের পাশে থাকবে।

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াশিংটন ও তেল আবিবকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানান। ওয়াং ই সতর্ক করে বলেন, চলমান সংঘাত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য একটি বৃহত্তর ও বিধ্বংসী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।

সৌদি আরবে দূতাবাসে হামলার পর সব কনস্যুলার সেবা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র

রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস ঘোষণা করেছে, সৌদি আরবের বিভিন্ন মিশনে সব সেবা বাতিল করা হয়েছে। দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবারের সমস্ত নিয়মিত ও জরুরি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল এবং জেদ্দা, রিয়াদ ও দাহরামের মিশনগুলোতে ‘সেল্টার ইন প্লেস’ নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সংস্থার ওপর হামলার কারণে আগামী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত দূতাবাসের কাছাকাছি যাবেন না। দূতাবাস আমেরিকান নাগরিকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পরিকল্পনা বজায় রাখার পরামর্শও দিয়েছে।

উল্লেখ্য, আক্রান্ত হওয়ার পর সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশির ভাগ দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। এতে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সর্ববৃহৎ তেল প্রতিষ্ঠান সৌদি আরামকোতে আগুন ধরে যায়।

USA/CANADA বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম মধ্যপ্রাচ্যে অনিশ্চয়তা, ট্রাম্পের যুদ্ধকেই সমর্থন দিলো মার্কিন সিনেট! শিরোনাম দেশে দেশে সরকার পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের যত শক্তি প্রয়োগ শিরোনাম আয়াতুল্লাহ খামেনির ছেলে মোজতবা ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা শিরোনাম জনপ্রিয়তায় ধস, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে নেতানিয়াহুর শিরোনাম ইরানে রয়েছে ইসরায়েলের গুপ্তচর, প্রযুক্তি দিয়েছে সিআইএ শিরোনাম দুদকের বিতর্কিত চেয়ারম্যানসহ দুই কমিশনারের পদত্যাগ