11 July 2026
The News Diplomats
নিউইয়র্ক টাইমস :
Publish : 09:46 AM, 10 July 2026.
Digital Solutions Ltd

কাতারের বিমানে ক্ষেপণাস্ত্রপ্রতিরোধী ক্ষমতা যুক্ত নেই, শঙ্কিত ট্রাম্প

কাতারের বিমানে ক্ষেপণাস্ত্রপ্রতিরোধী ক্ষমতা যুক্ত নেই, শঙ্কিত ট্রাম্প

Publish : 09:46 AM, 10 July 2026.
নিউইয়র্ক টাইমস :

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিক্রেট সার্ভিসের অনুরোধে ট্রাম্প কাতার থেকে ‍উপহার পাওয়া উড়োজাহাজটি রেখে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে চড়ে তুরস্ক ছাড়েন

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে নতুন ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ উড়োজাহাজে চড়ে তুরস্ক সফরে গিয়েছিলেন, সেটিতে আগের মডেলের মতো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেই। উড়োজাহাজটি কীভাবে নতুন করে প্রস্তুত করা হয়েছে, সে বিষয়ে অবহিত একাধিক কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে, এ বিমানে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রপ্রতিরোধী ক্ষমতা যুক্ত করা হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাতার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজে এ ক্ষমতাগুলো না থাকায় এটি নিয়ে বিদেশে ভ্রমণ করা ঝুঁকিপূর্ণ। এ ঝুঁকির বিষয় গত বুধবার আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিক্রেট সার্ভিসের অনুরোধে ট্রাম্প হঠাৎ করেই নতুন উড়োজাহাজটি রেখে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে চড়ে তুরস্ক ছাড়ার আকস্মিক সিদ্ধান্ত নেন।

এ ঘটনার পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি দাবির ওপর সবার নজর পড়েছে। সরকারি উড়োজাহাজ হিসেবে ব্যবহৃত আগের বিমানবহরটি বেশ পুরোনো হয়ে গেছে অভিযোগ তুলে কাতার থেকে পাওয়া ৭৪৭ বিমানটিকে দ্রুত রাষ্ট্রীয় ব্যবহারের উপযোগী করার জন্য তিনি অনড় ছিলেন। গত এক বছর ধরে মার্কিন বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কাতারের দেওয়া এ উড়োজাহাজের সংস্কারকাজ চলেছে। এটিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করার জন্য এখন ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে দাবি তুলেছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা।

এ উড়োজাহাজের নিরাপত্তা শুধু প্রেসিডেন্টের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং তাঁর সঙ্গে থাকা হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা, সিক্রেট সার্ভিসের সদস্য, সাংবাদিক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্যও সমান জরুরি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য এ নতুন উড়োজাহাজ যত দ্রুত সম্ভব চালু করার জন্য শুরু থেকেই জোর দিচ্ছিলেন। আন্তর্জাতিক সফরের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান যথেষ্ট আকর্ষণীয় বা জমকালো নয় বলে তিনি প্রায়ই অসন্তোষ প্রকাশ করতেন।

নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ানের নিরাপত্তা নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য

গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউস নতুন উড়োজাহাজটির সক্ষমতা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্নের জবাব না দিলেও এর নিরাপত্তাব্যবস্থার পক্ষে সাফাই গেয়েছে। হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চ্যং এক বিবৃতিতে বলেন, ‘নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ান একটি অত্যাধুনিক আকাশযান। প্রেসিডেন্ট ও তাঁর কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এতে উচ্চস্তরের নিরাপত্তা প্রোটোকল যুক্ত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি যেমনটি বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রের অনেক শত্রু তাঁর ওপর নজর রাখছে।” আমরা সেসব হুমকি মোকাবিলায় আমাদের হাতে থাকা প্রতিটি হাতিয়ার ব্যবহার করছি।’

কাতার থেকে পাওয়া এ উড়োজাহাজের নিরাপত্তাব্যবস্থার সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মার্কিন বিমানবাহিনী। বলেছে, প্রেসিডেন্টের বহরের অংশ হিসেবে স্থায়ীভাবে তৈরি হতে থাকা দুটি বোয়িং জেটের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি একটি ‘সেতু’ বা সাময়িক উড়োজাহাজ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

তবে উপহার হিসেবে পাওয়া উড়োজাহাজটি প্রেসিডেন্টকে বহনের জন্য প্রস্তুত, এমন ঘোষণা দেওয়ার সময় বিমানবাহিনী স্বীকার করেছিল, সাময়িক ব্যবহারের জন্য এই উড়োজাহাজে সাধারণত একটি এয়ার ফোর্স ওয়ানে থাকা সব সরঞ্জাম নেই।

গত ১৯ জুন এক বিবৃতিতে বিমানবাহিনী বলেছিল, ‘নিরাপত্তা, সুরক্ষা বা মিশনের যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষেত্রে কোনো ঝুঁকি নেওয়া হয়নি। তবে উড়োজাহাজটি যেন আগামী ৪০ বছর ভালোভাবে সেবা দিতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে গিয়ে কম ব্যবহৃত মিশন সেটের ক্ষেত্রে (কম প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধা) ছাড় দিতে হয়েছে।’

‘কম ব্যবহৃত মিশন সেট’ বলতে প্রকৃতপক্ষে কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি বিমানবাহিনী। তবে উড়োজাহাজটির নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অবহিত এবং নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কাতার থেকে পাওয়া এ উড়োজাহাজে আগের মডেলের মতো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেই।

ঝুঁকিপূর্ণ বিদেশ সফরে ট্রাম্পের নতুন উড়োজাহাজ ব্যবহারে বিস্ময়

পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন, বিমানবাহিনীর এমন দুজন সাবেক কর্মকর্তা এ ঘটনায় গভীর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেন, যেখানে নিরাপত্তাঝুঁকি অনেক বেশি, সেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই নতুন উড়োজাহাজে চড়ে বিদেশ সফরে গেছেন।

উল্লেখ্য, ট্রাম্প ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে যে দেশটিতে গিয়েছিলেন, সেই তুরস্কের সঙ্গে রয়েছে ইরানের সীমান্ত। আর এ সপ্তাহেই ইরানজুড়ে নতুন করে একাধিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সাবেক এ কর্মকর্তারা কাতার থেকে পাওয়া উড়োজাহাজটির সংস্কারকাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তবে তাঁরা বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের গতি দেখেই বোঝা যায়, একটি পূর্ণাঙ্গ প্রেসিডেনশিয়াল উড়োজাহাজের জন্য ঐতিহ্যগতভাবে যেসব নিরাপত্তাব্যবস্থার পরিবর্তন দরকার, তার সব কটি করার মতো পর্যাপ্ত সময় এখানে পাওয়া যায়নি।

বিমানবাহিনীর সাবেক সেক্রেটারি ফ্রাঙ্ক কেন্ডাল বলেন, ‘সময়স্বল্পতার কারণে একটি সাধারণ এয়ার ফোর্স ওয়ানের সব ধরনের পরিবর্তন এখানে করা সম্ভব হয়নি। তাই এর নিরাপত্তা, যোগাযোগ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার ঘাটতি রয়ে গেছে।’ কেন্ডাল যখন দায়িত্বে ছিলেন, তখন বোয়িং যাতে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা দুটি নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ান উড়োজাহাজ সরবরাহের কাজ দ্রুত শেষ করে, সেই চেষ্টা তিনি করেছেন।

চলমান পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে কেন্ডাল আরও বলেন, ‘বর্তমান ইরান পরিস্থিতির কারণে এটি উদ্বেগের কারণ হতে পারে। সত্যি বলতে, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নতুন এ উড়োজাহাজের ব্যবহার দেখে আমি বেশ অবাক হয়েছি।’

বাইডেন প্রশাসনের সময় এয়ার ফোর্স ওয়ান কর্মসূচির দায়িত্বে থাকা বিমানবাহিনীর সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যান্ড্রু পি হান্টারও একই কথা বলেছেন। তাঁর মতে, ‘একটি বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজকে প্রকৃত অর্থেই এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে গড়ে তুলতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার প্রয়োজন হয়।’

ট্রাম্প তুরস্কের উদ্দেশে রওনা হওয়ার ঠিক আগের দিন, সিনেটের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা বিমানবাহিনীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। চিঠিতে তাঁরা কাতার থেকে পাওয়া উড়োজাহাজটির সংস্কারকাজ নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলেন এবং এতে প্রয়োজনীয় সব নিরাপত্তাব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

কানেটিকাটের ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস্টোফার এস মারফি এবং অন্য ১২ সিনেটরের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘ট্রাম্প নিজেই এ উড়োজাহাজের নজিরবিহীন বিলাসিতা নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তাঁর এ বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট যে এ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার চেয়ে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আরাম ও পছন্দই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।’

আঙ্কারায় উড়োজাহাজ বদলের নেপথ্যে

পেন্টাগনের তিনজন সাবেক কর্মকর্তার মতে, এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে ব্যবহৃত পুরোনো বিমানগুলোতে এমন একটি প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ছিল, যা তাপ অনুসরণকারী ক্ষেপণাস্ত্রকে (হিট-সিকিং মিসাইল) ধ্বংস করতে পারত। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যবহারের জন্য নির্মাণাধীন বোয়িংয়ের নতুন উড়োজাহাজগুলোতেও এ ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

নিরাপত্তা প্রোটোকলের বর্ণনা দিতে গিয়ে মার্কিন বিমানবাহিনীর একজন সাবেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের ডানার নিচে ও লেজে এ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন অংশ বাইরে থেকে দেখা যায়। তবে কাতার থেকে পাওয়া উড়োজাহাজের ছবিতে এমন কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি।

এয়ার ফোর্স ওয়ানের ইতিহাসে এ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ব্যবহার খুব একটা না হলেও, উড়োজাহাজটির নিরাপত্তার জন্য এটিকে সব সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন বর্তমানে নির্মাণাধীন বোয়িং বিমানগুলোর যে বিবরণ প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা গেছে নতুন জেটগুলোতে একটি ‘আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ ও ‘মিশন যোগাযোগব্যবস্থা’ থাকবে। একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ‘রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধান নির্বাহী ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের’ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার জন্য এ নিরাপত্তাব্যবস্থাগুলো থাকা জরুরি।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্পকে নিশানা বানিয়েছে ইরান। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় পেনসিলভানিয়ার বাটলারে ট্রাম্পের ওপর প্রাণঘাতী হামলার আগেও তাঁর নিরাপত্তা বাড়িয়েছিল সিক্রেট সার্ভিস। ইরানের গুপ্তচরবৃত্তির গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র হামলা আবার শুরু হওয়া সত্ত্বেও, বর্তমান গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ব্রিফিং পাওয়া মার্কিন নীতিনির্ধারকেরা বিশ্বাস করেন না যে এই মুহূর্তে ট্রাম্পকে হত্যা করার কোনো তাত্ক্ষণিক পরিকল্পনা ইরানের রয়েছে।

গোয়েন্দা মূল্যায়নের বর্ণনা দিতে গিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্পের জীবন কেড়ে নেওয়ার যেকোনো চেষ্টা কতটা বড় উসকানি হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা জবাব কতটা ভয়াবহ হতে পারে, সে সম্পর্কে ইরানের পরিষ্কার ধারণা রয়েছে।

তা সত্ত্বেও আঙ্কারায় থাকাকালীন ইরানের এত কাছাকাছি অবস্থানে ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে সিক্রেট সার্ভিস এতটাই চিন্তিত ছিল যে দেশ ছাড়ার সময় তারা প্রেসিডেন্টকে উড়োজাহাজ পরিবর্তন করতে বাধ্য করে। গত বুধবার নিউইয়র্ক টাইমস প্রথম এই খবর প্রকাশ করে।

অবশ্য উড়োজাহাজ পরিবর্তনের এ ঘোষণা দেওয়ার সময় ট্রাম্প ভিন্ন একটি গল্প শুনিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, তিনি পুরোনো উড়োজাহাজে ফিরছেন যাতে নতুন জেটটি আগেভাগে রওনা হতে পারে এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে যাত্রাবিরতি দিয়ে সেনাদের কাছে এর ‘চমৎকার’ রূপ প্রদর্শন করতে পারে।

প্রেসিডেন্টের ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত সামরিক বিমানসংক্রান্ত আলোচনায় যুক্ত থাকা হোয়াইট হাউসের সাবেক একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ভ্রমণের সময় যখনই নিরাপত্তার প্রশ্ন ওঠে, তখনই হোয়াইট হাউসের কর্মী, সামরিক উপদেষ্টা ও সিক্রেট সার্ভিসের মধ্যে প্রায়ই একধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়।

তবে সামরিক বিশেষজ্ঞরা যখনই কোনো পরিবর্তনের দাবি জানান, হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা সাধারণত তাঁদের সিদ্ধান্ত মেনে নেন, যা সম্ভাব্য হুমকি প্রশমিত করতে সহায়তা করে।

অনুবাদ: মো. আবু হুরাইরাহ্‌

USA/CANADA বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম সাংবাদিকদের মুখোমুখি না হয়েও ভারতের সফল প্রধানমন্ত্রী মোদি! শিরোনাম বাংলাদেশি রাবাব ফাতিমা আফগানিস্তানে জাতিসংঘের নতুন দূত শিরোনাম নকলের সুযোগ না দেয়ায় চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা শিরোনাম প্রিয়া ডায়েসকে নিয়ে আমেরিকায় কেমন আছেন টনি ডায়েস শিরোনাম ফুটবল ক্যাপিটালিজম: ৯০ মিনিটের খেলায় বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা শিরোনাম আর্জেন্টিনাকে নিয়ে এত বিতর্ক, তারপরও ধারাবাহিক সাফল্য