07 November 2026
The News Diplomats
সিএনএন :
Publish : 12:01 PM, 06 November 2026.
Digital Solutions Ltd

রিপাবলিকানদের অভিশংসনের মুখে পড়তে যাচ্ছেন ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ হেগসেথ!

রিপাবলিকানদের অভিশংসনের মুখে পড়তে যাচ্ছেন ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ হেগসেথ!

Publish : 12:01 PM, 06 November 2026.
সিএনএন :

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ অভিশংসন ঠেকানোর চেষ্টা করতে গিয়ে মনে হচ্ছে, নিজের বিপদ আরও ডেকে আনছেন। তাঁর আচার–আচরণ যেন সমালোচকদের যুক্তিগুলোকেই আরও শক্তিশালী করে তুলছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিওতে হেগসেথ অঙ্গীকার করেন, ‘আমরা শক্ত হয়ে দাঁড়াই, আমরা লড়াই করি।’

অজনপ্রিয় ইরান যুদ্ধের প্রভাবে কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের চরম পরাজয়ের দায় তাঁর ওপর চাপিয়ে তাঁকে ‘বলির পাঁঠা’ করা হতে পারে, এমন গুঞ্জনের মধ্যেই হেগসেথ এই মন্তব্য করলেন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য সাংবাদিকদের বলেছেন, ফক্স নিউজের সাবেক এই সঞ্চালক পেন্টাগনে ‘অসাধারণ কাজ’ করছেন। অবশ্য বিদায়ী রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদ আগামী সপ্তাহে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথকে অভিশংসিত করার পক্ষে ভোট দিতে পারে বলে আলোচনা ক্রমে বাড়ছে।

ট্রাম্প ছাড়া ওয়াশিংটনের খুব কম মানুষই প্রকাশ্যে হেগসেথের পক্ষ নিতে ইচ্ছুক। বিশেষ করে এমন এক নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অতি আগ্রহে চালানো ইরান যুদ্ধের প্রতি জনগণ তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাই হেগসেথ নিজ দায়িত্বে একটি ভিডিও তৈরি করে প্রকাশ করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিলেন মূলত একজনমাত্র দর্শক, তিনি ট্রাম্প।

ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে যেসব অভিশংসনের শিকার হয়েছেন, সেগুলোকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি নিজেকে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গিতে চক্রান্তের শিকার হওয়া এক সহযোদ্ধা হিসেবে উপস্থাপন করে বলেন, ‘এটা পুরোটাই ব্যক্তিগত ধ্বংসাত্মক রাজনীতির খেলা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই ধ্বংসাত্মক খেলা কাজ করেনি, আমার বিরুদ্ধেও করবে না। এ নিয়ে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন।’

মধ্যবর্তী নির্বাচনের বিপর্যয় নিয়ে ওয়াশিংটন যখন উত্তাল এবং ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহল যখন যুদ্ধ নিয়ে দুই ভাগে বিভক্ত, ঠিক তেমনই এক অস্থির রাজনৈতিক মুহূর্তে ভিডিওটি প্রকাশ ছাড়লেন হেগসেথ।

এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মঙ্গলবার দেওয়া চমকপ্রদ এক পোস্টে রিপাবলিকানদের বিপর্যয়ের জন্য যুদ্ধকে দায়ী করেন। তিনি সতর্ক করে লিখেছেন, যাঁরা এই যুদ্ধ সমর্থন করেছেন, তাঁরা ছয় বছরের জন্য সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই বিশৃঙ্খলা আরেকটি বড় বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে, সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকে ফলাফল যা-ই হোক না কেন, ইরান যুদ্ধের রাজনৈতিক লড়াইয়ে ট্রাম্প যে হেরে গেছেন, তা এখন পরিষ্কার। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরও ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকার ক্ষমতা ট্রাম্পের ওপর বিশাল রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের বাজারে।

ফলাফল দাঁড়িয়েছে, যুদ্ধ এড়ানোর প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী একজন প্রেসিডেন্টকে এখন তাঁর মেয়াদের শেষ দুই বছর কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছে আটকে থাকতে হবে। প্রেসিডেন্ট তো আর পদত্যাগ করছেন না। তাই রাজনৈতিক সমীকরণ বলছে, অন্য কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বকে এই ব্যর্থতার দায়ভার বহন করতে হতে পারে।

তবে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি হেগসেথকে বরখাস্ত করার কথা ভাবছেন না। চলতি বছরের শুরুর দিকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে রাজধানী কারাকাস থেকে তুলে নিউইয়র্কে নিয়ে আসা এবং ইরান যুদ্ধ পরিচালনায় হেগসেথের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

এরপরও হেগসেথ ২০০৬ সালের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ডের পরিণতি বরণ করার ঝুঁকিতে পড়ছেন বলে মনে হচ্ছে। ২০ বছর আগে আরেক অজনপ্রিয় ইরাক যুদ্ধের জন্য প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে শাস্তি দিতে ভোটাররা মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাঁকে বড় পরাজয় উপহার দেন। এরপরই রামসফেল্ডকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেন বুশ।

পেন্টাগনের নেতৃত্ব নিয়ে সংশয় সামলানোর মতো বিলাসিতা ট্রাম্পের এখন নেই। কারণ, ইরান যুদ্ধে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে—তা নিয়ে তিনি এক জরুরি দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন। নির্বাচনের আগে এমন গুঞ্জন ছিল, ভোট গণনার পরপরই তিনি সংঘাত আরও বাড়িয়ে দেবেন, যাতে তেহরানকে আলোচনায় বসতে বা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা যায়।

কিন্তু এখন হামলা চালাতে গেলে তিনি একেবারে একা হয়ে পড়বেন। কারণ, যুদ্ধ নিয়ে জনগণ ইতিমধ্যে তাঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং তাঁর মন্ত্রিসভার বিভেদ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে পিছিয়ে আসা মানেই ট্রাম্পকে লজ্জাজনক পরাজয় স্বীকার করতে হবে। কারণ, তেহরান তাঁর আকাঙ্ক্ষিত মার্কিন বিজয়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে।

পছন্দের মাধ্যমে ট্রাম্পের কাছাকাছি পৌঁছানো

টেলিভিশনের পুরোনো অভিজ্ঞ উপস্থাপক হেগসেথ জানেন, তাঁর বসের কোন আবেগে ঘা দিতে হবে। তাঁর ভিডিওটি ছিল আক্রমণাত্মক এবং এমন কিছু কঠোর সাংস্কৃতিক আক্রমণে পূর্ণ, যা শুরু থেকেই তাঁকে ট্রাম্পের প্রিয় করে তুলেছিল। এ ছাড়া ২০২৪ সালে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে ট্রাম্প যে হত্যাচেষ্টায় বেঁচে গিয়েছিলেন, সেই ঘটনার প্রতীকী রূপ তিনি নিজের মধ্যে ফুটিয়ে তোলেন। ট্রাম্পের সমর্থকেরা তাঁদের নেতার মধ্যে যে শক্ত রূপ দেখতে পান, হেগসেথ নিজেকে ঠিক সেই রূপেই উপস্থাপন করেন।

হেগসেথ বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) সত্যি সত্যিই এই দেশের জন্য গুলি খেয়েছেন। তিনি হাত উঁচিয়ে বলেছিলেন “লড়াই, লড়াই, লড়াই”। আর আমরাও সেটাই করব।’

হেগসেথের বক্তব্যের পাশাপাশি তাঁর সহযোগীদের পক্ষ থেকে সমর্থনে ভরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একগুচ্ছ পোস্ট শেয়ার করা হয়, যা দেখে বোঝা যাচ্ছে, এটি তাঁর চাকরি বাঁচানোর একটি সুসংগঠিত প্রচারের অংশ। ট্রাম্প এবং ‘মাগা’ আন্দোলনের প্রতি বার্তাটি একদম পরিষ্কার, হেগসেথকে বলির পাঁঠা বানালে তা হবে প্রেসিডেন্টের জন্য এক বিরাট পরাজয়।

বৃহস্পতিবার সিএনএনের সাংবাদিক হ্যালি ব্রিটস্কিকে প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস আজ রাতে তাদের অবস্থান একেবারেই পরিষ্কার করে দিয়েছে। তারা হেগসেথের সমর্থনে জোরালো ভূমিকা নিচ্ছে। আর এটাই আপনার যা জানার প্রয়োজন, তা বলে দিচ্ছে।

মাগা আন্দোলন যে হেগসেথের জন্য এবারই প্রথম মাঠে নেমেছে, তা নয়। গত বছর যখন তাঁর মনোনয়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তখন তাদের আগ্রাসী অবস্থানের কারণেই তাঁর পদ বেঁচে গিয়েছিল।

তবে হেগসেথের এবারের আত্মরক্ষা রাজনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়নে ভুল প্রমাণিত হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে কোটি কোটি মার্কিন ভোট দেওয়ার মাত্র দুই দিন পর পেন্টাগনের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে এবং পেছনে ‘যুদ্ধ বিভাগ’ লেখা একটি সাইন ঝুলিয়ে হেগসেথ এই উত্তপ্ত ভাষণ দেন, যা খুবই বেমানান শোনাচ্ছিল। এমন চড়া সুর হয়তো ট্রাম্পের ক্ষমতার শীর্ষ সময়ে কাজ করত। কিন্তু এখন তা সময়ের প্রেক্ষাপটে বেখাপ্পা বলে মনে হচ্ছে।

ট্রাম্প থেকে ভ্যান্সের দূরত্ব বজায় রাখার পর হেগসেথের এই বক্তব্য নেতৃত্বের শূন্যতার দিকেও ইঙ্গিত করছে। বিশেষ করে কমান্ডার-ইন-চিফ নির্বাচনের পর থেকে কয়েক ঘণ্টা সময় কাটান তাঁর ব্যক্তিগত শখের প্রকল্পে, যার মধ্যে রয়েছে হোয়াইট হাউসের বলরুম। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প এক ঘোষণার মাধ্যমে মন্ত্রসিভা কক্ষ ও ওভাল অফিসকে জাতীয় ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে ঘোষণা করেন। সম্ভবত এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, সোনা দিয়ে মোড়ানো তাঁর নতুন সাজসজ্জাকে রক্ষা করা।

প্রতিরক্ষা ব্যয় বরাদ্দকে জটিল করছে হেগসেথের কৌশল

হেগসেথ–সংক্রান্ত সংকটের গভীরতা আগামী সপ্তাহে আরও স্পষ্ট হবে। ট্রাম্পবিরোধী হিসেবে পরিচিত রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা টমাস মেসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাব আনার কথা বলেছেন। এই মেসি দলীয় প্রাইমারিতে ট্রাম্পসমর্থিত প্রার্থীর কাছে হেরেছিলেন।

ক্ষুব্ধ রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা ওয়াশিংটনে ফেরার পর ক্যাপিটল হিলে হেগসেথের প্রতি তাঁদের সমালোচনা চরম রূপ নিতে পারে। যে যুদ্ধ তাঁদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিয়েছে, সেই যুদ্ধের স্থপতিকে রক্ষার জন্য পরাজিত বা টেনেটুনে টিকে যাওয়া আইনপ্রণেতাদের কী আর স্বার্থ থাকতে পারে।

সিনেটে অভিশংসন বিচারে হেগসেথকে দোষী সাব্যস্ত করে পদ থেকে সরানোর জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া যাবে, এমন ইঙ্গিত এখনো নেই। তবে এ সপ্তাহের নির্বাচনের আগেও বিভিন্ন শুনানিতে হেগসেথের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ক্যাপিটল হিলে তাঁর মিত্রের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে।

আইনপ্রণেতারা হেগসেথের বিরুদ্ধে ইরান যুদ্ধের কৌশল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি হামলার বিস্তারিত তথ্য গোপনের অভিযোগও এনেছেন। প্রতিনিধি পরিষদে বিপুল ভোটে অভিশংসন প্রস্তাব পাস হলে তাঁর পদে থাকা রাজনৈতিকভাবে অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার বর্তমান প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যালঘু ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘পিট হেগসেথ এখনো দায়িত্বে আছেন কেন?’

গত সপ্তাহে এই মন্তব্যকে দলীয় কাদা–ছোড়াছুড়ি বলে উড়িয়ে দেওয়া যেত। কিন্তু জেফ্রিস এখন প্রতিনিধি পরিষদের হবু স্পিকার হিসেবে কথা বলছেন। আগামী জানুয়ারি থেকে প্রশাসনের অর্থায়নের অনুমোদন আসবে ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের মাধ্যমে। তাই পেন্টাগনকে নতুন সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেই চলতে হবে।

নর্থ ক্যারোলাইনার বিদায়ী রিপাবলিকান সিনেটর টম টিলিস বুধবার সিএনএনকে বলেন, ‘আমার মনে হয় না বাজেট পাস করানোর মতো পর্যাপ্ত সম্পর্ক তিনি মার্কিন সিনেট বা কংগ্রেসে গড়ে তুলতে পেরেছেন।’

টিলিস আরও বলেন, এটা কেবল ইরান যুদ্ধের বিষয় নয়। এটা হলো ডিওডির সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট নিশ্চিত করার বিষয়।

টিলিস আরও যোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ কমিটির প্রধান ও জ্যেষ্ঠ সদস্যরা প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে মনে করেন। হেগসেথ এই পদের জন্য সঠিক ব্যক্তি নন।

নতুন বছরে ক্ষমতা হাতে পাওয়ার আগেই নড়বড়ে হেগসেথকে আঘাত করে ট্রাম্পকে একটা বার্তা দেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছেন ডেমোক্র্যাটরা।

অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট সিনেটর রুবেন গ্যালেগো বৃহস্পতিবার সিএনএনের জেইক টেপারকে বলেন, ‘হেগসেথের ভিডিওটি তাঁর কর্তৃত্বকে আরও ক্ষুণ্ন করেছে। আপনি এই মুহূর্তে একটি যুদ্ধ পরিচালনা করছেন। আর আপনার প্রতিক্রিয়া হচ্ছে যেন আপনি ফক্স নিউজে আছেন।’

রুবেন আরও যোগ করেন, ‘এটা হাস্যকর।...তিনি অভিশংসিত না হওয়ার পক্ষে যুক্তি দিতে চাইলেন কি না পরিষ্কার নয়। তিনি যা করেছেন, তাতে নিজের অভিশংসন নিজেই ডেকে এনেছেন।’

USA/CANADA বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম ধরপাকড় বনাম দীর্ঘস্থায়ী ক্ষোভ: ইউরোপ কি সাময়িক শৃঙ্খলায় সমাধান খুঁজছে? শিরোনাম কাঠামোগত সংকট ও পুঁজির দ্বন্দ্বে জনরোষের দাবানল, ইউরোপে ‘ক্রোধের শরৎকাল’ শিরোনাম বিধি বাম! ইরান নয়, যেন ইসরায়েলেই ‘হামলা’ চালালেন ট্রাম্প! শিরোনাম পুতিনের কাছে খামেনির ‘গোপন’ বার্তা পৌঁছে দিলেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান শিরোনাম মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে নতুন ইতিহাস গড়লেন ৭ মুসলিম আইনপ্রণেতা শিরোনাম সেগুনবাগিচার পর খুলনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে কালি