03 July 2026
The News Diplomats
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :
Publish : 08:31 AM, 03 July 2026.
Digital Solutions Ltd

ডিবি হেফাজতেই পিটিয়ে মারা হয়েছে প্রান্তকে, কে এই এসআই সোহেল

ডিবি হেফাজতেই পিটিয়ে মারা হয়েছে প্রান্তকে, কে এই এসআই সোহেল

Publish : 08:31 AM, 03 July 2026.
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :

গত ২০ জুন বিকেল ৫টার দিকে ফরিদপুরের মধুখালীর বাড়ি থেকে বের হন ফরিদপুর আইন কলেজের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত। কয়েক মিনিটের মধ্যে বাড়ির সামনের রাস্তায় পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল তাকে আটক করে। পরদিন সকালে ডিবি হেফাজতেই তার মৃত্যু হয়।

ডিবির দাবি, প্রান্তর (২৪) কাছে গাঁজা পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়েছিল। তাকে মারধর করা হয়নি এবং তার সঙ্গে ‘ভদ্র ও সৌজন্যমূলক’ আচরণই করা হয়। তারা জানায়, হেফাজতে থাকাকালীন ফজরের নামাজের পর প্রান্ত অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে প্রথমে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে ২১ জুন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

তবে, ডিবির এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে প্রান্তর পরিবার, স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাদের অভিযোগ, পশ্চিম গোন্দারদিয়ার বাড়ির সামনে প্রান্তকে মারধর করা হয়, পরিবারের অনুরোধ সত্ত্বেও তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তার নামে একটি ‘মিথ্যা’ মাদক মামলা দেওয়া হয়।

সম্প্রতি সরেজমিনে প্রান্তর বাড়িতে গিয়ে তার পরিবার, স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শী এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ডিবির বর্ণনায় অসংগতি পাওয়া গেছে। এতে প্রান্তর আটক, ডিবি কার্যালয়ের ভেতরে কী ঘটেছিল এবং হেফাজতে থাকা অবস্থায় তিনি কীভাবে মারা গেলেন—সেই প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া, তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পরিবারের কাছ থেকে পুলিশ টাকা দাবি করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হেফাজতে মৃত্যু এবং আটক ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ বাংলাদেশে একটি গুরুতর মানবাধিকার ইস্যু হিসেবেই রয়ে গেছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় ১১ জনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে চারজন মারা গেছেন। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ১১ এবং ২০২৩ সালে ছিল আট।

বাড়ির কাছেই মারধর

মধুখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে অল্প হাঁটা দূরত্বে স্মৃতি মা সাখিনা মার্কেটের কাছে মা খাদিজা আক্তার নিপা ও ছোট ভাই মির্জা আব্দুস সামাদের (১৪) সঙ্গে বসবাস করতেন প্রান্ত। ১৪ বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে খাদিজা একাই দুই ছেলেকে বড় করেছেন। বড় ছেলে প্রান্ত পরিবারের অনেক দায়িত্বই পালন করতেন।

ফরিদপুর সুগার মিলসে কাজের পাশাপাশি জমি জরিপের কাজও করতেন প্রান্ত। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ফরিদপুর আইনউদ্দিন কলেজ ইউনিটের সাবেক নেতা ছিলেন। ২০ জুন বিকেলে প্রান্ত লুঙ্গি পরে, সঙ্গে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন।

ছেলেকে আটকের সময় কাছেই এক প্রতিবেশীর বাড়িতে ছিলেন খাদিজা। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দেখেন কয়েকজন তার ছেলেকে মারধর করছে।

‘আমি দেখলাম তারা আমার ছেলের মাথায় ও কানে চড় মারছে। তারা বারবার বলছিল, “এটা তোর কাছে পাওয়া গেছে”। প্রান্ত বারবারই বলছিল, “আমার কাছে কিছু ছিল না। আমি কিছুই জানি না”। কিন্তু তারা প্রান্তকে মারতেই থাকে। কেউ কেউ হুমকি দিয়ে বলে, “তোকে মেরে ফেলব”,’ বলছিলেন খাদিজা।

খাদিজার অভিযোগ, ডিবি সদস্যরা তার বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। এক-দুটি কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে তারা বের হয়ে এসে এক পর্যায়ে তারা আবার প্রান্তকে মারধর শুরু করে।

এরই মধ্যে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং তারা প্রান্তকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করতে থাকেন।

খাদিজা বলেন, ‘আমি বারবার বলছিলাম, “আমার ছেলেকে নিলে আমাকেও নিয়ে যান”। তখন তাদের একজন বলল, “তাহলে আপনাকেও গ্রেপ্তার করতে হবে”।’

খাদিজার মতো একই বর্ণনা দিয়েছেন আরও দুই প্রত্যক্ষদর্শী।

সন্ধ্যা ৬টার কিছু পর প্রান্তকে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এফআইআরের তথ্য অনুযায়ী, কিছু মাদক চোরাকারবারি ব্যবসায়ী গাঁজা বিক্রির জন্য জড়ো হয়েছে—এমন গোপন খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রান্তকে আটক করে।

ঘুষ ও দর-কষাকষি

ছেলেকে ছাড়াতে খাদিজা তাদের স্বজন সাবেক ছাত্রদল নেতা সোহেল মুন্সীকে ফোন করেন। সোহেল দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, তিনি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ডিবির এসআই আহাদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আহাদুজ্জামান সেই অভিযানে ছিলেন এবং তিনি সোহেলের পরিচিত।

আহাদুজ্জামান সোহেলকে জানান, প্রান্তর কাছ থেকে তিন পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। ‘আমি তাকে বলি প্রান্ত আমার ভাতিজা। সে মাদক চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত নয়,’ বলেন সোহেল।

প্রান্তকে ছাড়া সম্ভব কি না, জানতে চাইলে সোহেলকে মধুখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে কানাইপুর বাজারে অপেক্ষা করতে বলেন ওই এসআই। সোহেল কয়েক ঘণ্টা সেখানে অপেক্ষা করেন এবং বারবার ডিবির ওই এসআইকে ফোন করেন।

এদিকে, খাদিজাকে কিছু টাকা জোগাড় করতে বলেন সোহেল। খাদিজা স্থানীয় একটি মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের কাছে ৪০ হাজার টাকা রেখে আসে বলে জানান সোহেল।

ডিবি দল রাত দেড়টার দিকে প্রান্তকে নিয়ে কানাইপুর বাজারে পৌঁছায়। ‘প্রান্ত বারবার মাথায় হাত চেপে ধরছিল এবং বলছিল ব্যথা করছে। আমি জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, ডিবি পুলিশ তাকে মারধর করেছে। আমি ডিবি সদস্যদের অনুরোধ করি তাকে আর না মারতে,’ বলেন সোহেল।

এরপর ডিবি সদস্যরা কানাইপুর বাজারের একটি হোটেলে রাতের খাবার খান। সোহেল তাদের খাবারের বিল দেন। একইসঙ্গে তিনি প্রান্ত ও অন্য দুই আটক ব্যক্তির জন্য খাবার ও পানি কিনে দেন।

প্রান্তকে ছাড়ার জন্য সোহেল বারবার বললে এসআই আহাদুজ্জামান একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানান, তাকে ছাড়া সম্ভব নয়। কারণ আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করে ফেলেছে।

এরপর তাদের কথোপকথন টাকার দিকে মোড় নেয় বলে অভিযোগ করেন সোহেল। ডিবি কর্মকর্তারা প্রথমে বড় অঙ্কের ইঙ্গিত দেন। সোহেল ৫০ হাজার টাকার কথা বললে তারা সেটা প্রত্যাখ্যান করে ৬৫ হাজার দাবি করে। পরে টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়।

সোহেল কিছু টাকা এখন এবং বাকি টাকা সকালে দেওয়ার কথা বলেন। ডিবি সদস্যরা সোহেলকে সকালে পুরো টাকা এনে প্রান্তকে নিয়ে যেতে বলেন এবং বলেন তারা ‘বিষয়টি ম্যানেজ করবেন’। এরপর সোহেল বাড়ি চলে যান।

শেষ সময়

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, ডিবি দল প্রান্তকে সাত থেকে আট ঘণ্টা বিভিন্ন জায়গায় ঘোরানোর পর তাদের কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

২১ জুন ভোর সাড়ে ৬টার দিকে এসআই আহাদুজ্জামান ফোন করে সোহেলকে জানান, প্রান্তর শ্বাসকষ্ট হচ্ছে এবং তাকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। সোহেল বিষয়টি খাদিজা ও প্রান্তর মামা মিন্টু মোল্লাকে জানান এবং নিজে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

পুলিশ সেখানে তাকে জানায়, ফজরের নামাজের পর প্রান্ত মাথা ঘোরার কথা বলে এবং তাকে ধরতে বলে। এরপর তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

‘এরপর পুলিশ আমাকে একটি কক্ষ দেখায়। আমি সেখানে গিয়ে দেখি প্রান্ত শুয়ে আছে, তার মুখ ঢাকা। সে মারা গেছে,’ বলেন সোহেল।

এর কিছুক্ষণ পরই খাদিজা ও মিন্টু সেখানে পৌঁছান। মিন্টু জানান, চিকিৎসকরা প্রথমে এক ঘণ্টার মধ্যে দাফনের কথা বলে প্রান্তর মরদেহ হস্তান্তর করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি ময়নাতদন্তের দাবি জানান এবং চিকিৎসকরা রাজি হন।

তিনি বলেন, তিনি প্রান্তর নাক, মুখ ও কানে রক্ত দেখতে পান।

প্রান্তর চাচাতো ভাই মির্জা জয়ও অভিযোগ করেন, দাফনের আগে লাশ ধোয়ার সময় পায়ের তালুতে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

২১ জুন প্রান্তকে দাফনের দিনই এসআই আহাদুজ্জামান মধুখালী থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা দায়ের করেন। এফআইআরে বলা হয়, তার প্যান্টের ডান পকেট থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

কিন্তু খাদিজা বলেন, আটক করার সময় তার ছেলে লুঙ্গি পরা ছিল। আটকের ঠিক আগে ধারণ করা একটি ভিডিও—যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে—সেটিতেও প্রান্তকে লুঙ্গি ও টি-শার্ট পরা অবস্থায় দেখা যায় এবং তার কাঁধে একটি ব্যাগ ছিল। ভিডিওতে কোনো প্যান্ট দেখা যায়নি। যদিও দ্য ডেইলি স্টার ওই ভিডিওটি যাচাই করতে পারেনি।

এফআইআরে দুই সাক্ষীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে—মরিচ বাজারের বিনয় কুমার সাহা এবং সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের মো. আলমগীর হোসেন।

বিনয় ডেইলি স্টারকে জানান, অভিযানের সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং গাঁজা উদ্ধারের কোনো ঘটনা তিনি দেখেননি। ‘তারা আমাকে সই করতে বলে। প্রথমে আমি অস্বীকার করি। পরে ভয়ে সাক্ষী হই,’ বলেন বিনয়। আলমগীরের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে এসআই আহাদুজ্জামান দাবি করেন, লুঙ্গির নিচে প্রান্ত প্যান্ট পরেছিলেন, সেখান থেকে গাঁজা পাওয়া যায়। তবে হাসপাতালে প্রান্তর পরনে কোনো প্যান্ট কেন দেখা যায়নি, সে বিষয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

হাসপাতালে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রান্তর পরনে কোনো প্যান্ট ছিল না। এই ভিডিওটি-ও যাচাই করা হয়নি।

এই অসংগতির বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই আহাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রান্ত মারা যাওয়ায় এখন সাক্ষীরা গাঁজা উদ্ধারের কথা অস্বীকার করতে পারেন।’ রাতে সোহেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও ঘুষ দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে হঠাৎ ফোন কেটে দেন এই এসআই।

পরে হোয়াটসঅ্যাপে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু পোস্ট পাঠান, যেখানে দাবি করা হয়েছে প্রান্ত অসুস্থতায় মারা গেছেন। তবে আর কোনো ফোন বা খুদেবার্তার জবাব দেননি এসআই আহাদুজ্জামান।

প্রান্তকে আটকের সময় উপস্থিত এএসআই হাজীকুল ইসলামকে অন্তত ১০ বার ফোন করে ও কয়েকটি খুদেবার্তা পাঠিয়েও জবাব পাওয়া যায়নি।

মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকদেব রায় বলেন, ‘মাদক মামলাটি ডিবির একজন কর্মকর্তা দায়ের করেছেন। ডিবির দায়ের করা অভিযোগ আমরা কখনো পর্যালোচনা করি না। উদ্ধারকৃত আলামতও এখনো ডিবি কর্মকর্তাদের কাছেই আছে।’

এই ঘটনার সময় ফরিদপুর জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন সায়েদ মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন। প্রান্তর মৃত্যুর পর তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনটি ভিন্ন নম্বর থেকে তাকে ফোন করা হলেও প্রতিবারই ডেইলি স্টার প্রতিবেদকের পরিচয় জানার পর তিনি কল কেটে দেন। পরে আর কোনো জবাব দেননি তিনি।

ন্যায়বিচার চায় পরিবার

প্রান্তর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করেছে।

প্রান্তর মরদেহ দাফনের জন্য বাড়িতে আনার পর স্থানীয় লোকজন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে পরিবারের অনুরোধে তারা বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে। পুলিশের চাপে পরিবার সেই অনুরোধ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিবারটি এখন আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

খাদিজা বলেন, প্রান্ত সম্প্রতি তাদের বাড়ি মেরামতের কাজ শুরু করেছিলেন এবং তার জন্য পাত্রী খোঁজাও শুরু হয়েছিল।

‘সবকিছু এখন শেষ হয়ে গেছে,’ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন তিনি।

খাদিজা জানান, প্রান্তর মৃত্যুর পর থেকে পরিবারটি আতঙ্কে রয়েছে। ‘আমি ন্যায়বিচার চাই, কিন্তু আমি ভয়ও পাচ্ছি। আমার আরেকটি ছেলে আছে। তাকে নিয়েও আমার ভাবতে হবে।’

প্রান্তর চাচাতো ভাই জয় জানান, তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাদের এক চাচাতো ভাই একটি ‘রাজনৈতিক মামলায়’ কারাগারে আছেন এবং এক চাচা একসময় থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

প্রান্তর মামা মিন্টু অভিযোগ করেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাদের পরিবার চাপের মুখে পড়েছে।

প্রান্তর মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে সরকার গত ২১ জুন ফরিদপুর জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।

কমিটিকে প্রথমে সাত কর্মদিবস সময় দেওয়া হলেও পরে তারা আরও সাত দিন সময় চেয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ফাতেমা ইসলাম ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমরা এখনো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি।’ এর বেশি আর কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

BANGLADESH বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম মেসির বিদায়ের দিন গোনা নয়, তার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করুন শিরোনাম ডিবি হেফাজতেই পিটিয়ে মারা হয়েছে প্রান্তকে, কে এই এসআই সোহেল শিরোনাম গোলাম আযমের ছেলে আযমী ভূতাপেক্ষ লে. জেনারেল, দেয়া হচ্ছে কোটি টাকা শিরোনাম বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় নাগেলসমানের পদত্যাগ, জার্মানির নতুন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ! শিরোনাম ইসরাইলের পরিকল্পনা ভণ্ডুল, যেভাবে প্রাণে বাঁচেন আরাঘচি-গালিবাফ শিরোনাম আমেরিকার ‘রাজকীয় বিয়ে’, আগেই বিয়ে সেরেছেন টেইলর সুইফট!