সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারি তিউনেসিয়ার বিপক্ষে গোল করে আবেগঘনভাবে দুই হাত তুলে ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গি করেন। এটা ছিল তার বাবার দেশ তিউনিসিয়ার প্রতি এক শ্রদ্ধাবোধ।
ফুটবল বিশ্বকাপ সবসময়ই বৈশ্বিক অভিবাসন, সামাজিক-অর্থনৈতিক ভেদাভেদ আর ভূ-রাজনীতির এক দারুণ দর্পণ। তবে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ এমন এক অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান সামনে এনেছে, যা ফুটবলের চেনা মানচিত্রটাকে পুরো ওলটপালট করে দিয়েছে। এই মুহূর্তে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় ‘খেলোয়াড় উৎপাদন কারখানা’ হলো—ফ্রান্স! এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ফুটবলারদের মধ্যে রেকর্ড ৯৯ জন খেলোয়াড়ের জন্ম ফরাসি মাটিতে।
মজার ব্যাপার হলো, কোচ দিদিয়ের দেশমের অধীনে ফ্রান্সের সেই বিখ্যাত ‘লে ব্লুজ’ গায়ে জড়াচ্ছেন তাদের মধ্যে মাত্র ২৩ জন। বাকি ৭৬ জন ছড়িয়ে পড়েছেন বিশ্বজুড়ে। তারা আফ্রিকা, ইউরোপ আর আমেরিকার বিভিন্ন দেশের জাতীয় দলের হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন, দলগুলোকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন সামনের দিকে। এর মানে দাঁড়ায়, ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে গড়ে ওঠা আধুনিক একাডেমিগুলো প্রায় চারটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্বকাপের দল তৈরি করে দিয়েছে! বিশেষভাবে বলতে গেলে, প্যারিসের আশপাশের 'ইল-দ্য-ফ্রান্স' অঞ্চলটি এখন ব্রাজিলের সাও পাওলো বা আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসের মতো ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ফ্যাক্টরিগুলোকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে উর্বর ফুটবল খনিতে পরিণত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে এটি এক নজিরবিহীন পরিবর্তনের অংশ। ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপে ডাক পাওয়া ১,২৪৮ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশ—(২৩.৪ শতাংশ)—এমন দেশের হয়ে খেলছেন, যে দেশে তাদের জন্মই হয়নি। এখন দুই দেশের নাগরিকত্ব থাকা দ্বৈত-নাগিরকত্বের খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা আর দলে ভেড়ানোটা কেবল বাড়তি কোনো সুযোগ নয়, বরং বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের জন্য ফুটবল ফেডারেশনগুলোর অন্যতম প্রধান কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অভিবাসনের রূপরেখা
অভিবাসনের এই গভীর প্রভাব কেবল প্যারিসেই সীমাবদ্ধ নেই, ইউরোপের অন্যান্য দেশেও একই গল্প দেখা যাচ্ছে। এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো নাম লেখানো কুরাসাও দলের দিকেই তাকানো যাক। ‘ব্লু ওয়েভ’ খ্যাত এই দলটির ২৬ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ২৫ জনেরই জন্ম এবং বেড়ে ওঠা নেদারল্যান্ডসে! ডাচ জাতীয় দলের সাবেক কোচ ডিক অ্যাডভোকাটের অধীনে থাকা এই খেলোয়াড়েরা আয়াক্স, ফেইনুর্ড বা পিএসভি আইন্দহোভেনের মতো নামী ডাচ একাডেমিগুলোর দান। ইকুয়েডরকে চমকে দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট পাওয়ার পর ফরোয়ার্ড জার্গেন লোকাডিয়া চমৎকার একটি কথা বলেছিলেন, ‘আমাদের বুকে আছে মাতৃভূমির হৃদয়, আর শরীরে ডাচ একাডেমির শিক্ষা। এই দুইয়ের সমন্বয়টা দারুণ।’
একই কথা খাটে কেপ ভার্দে দলটির ক্ষেত্রেও। স্পেন আর উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দলকে ড্রয়ে আটকে দিয়ে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক তারা। এই দলটির অধিকাংশ খেলোয়াড়ের জন্ম ইউরোপে এবং সেখানেই তারা ফুটবল শিখেছেন। যেমন দলটির সেন্ট্রাল ব্যাক রবার্তো 'পিকো' লোপেসের গল্পটাই ধরুন। ডাবলিনে জন্ম নেওয়া এই ডিফেন্দারের মা আইরিশ আর বাবা কেপ ভার্দের নাগরিক। শ্যামরক রোভার্সের এই ডিফেন্ডারকে কেপ ভার্দে ফুটবল ফেডারেশন খুঁজে পেয়েছিল পেশাদারদের সামাজিক মাধ্যম 'লিঙ্কডইন' -এ! কোচ প্রথমে তাকে পর্তুগিজ ভাষায় মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। আইরিশ সংস্কৃতিতে বড় হওয়া লোপেস পর্তুগিজ জানতেনই না, তাই মেসেজটা প্রায় ৯ মাস না দেখে ওভাবে ফেলে রেখেছিলেন!
এই কৌশল কিন্তু ফুটবল ইতিহাস নতুন করে লিখছে। চার বছর আগে প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়া মরক্কো এবারও নতুন এক রেকর্ড গড়েছে। ব্রাজিলের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া নিজেদের প্রথম ম্যাচে তারা বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে মাঠে এমন এক একাদশ নামিয়েছিল, যার ১১ জন খেলোয়াড়ের সবার জন্মই দেশের বাইরে!
পরিচয় সংকটের টানাপোড়েন: জিদান থেকে এমবাপে
এই বিশ্বকাপ যেন উত্তর-ঔপনিবেশিক অভিবাসীদের জটিল জীবনের এক জীবন্ত সংকলন। আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদানের কথাই ধরা যাক। তিনি ফরাসি ফুটবল কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানের ছেলে। ফ্রান্সের বয়সভিত্তিক বিভিন্ন দলে খেললেও, মাদ্রিদে জন্ম নেওয়া এই গোলকিপার শেষ পর্যন্ত বেছে নিয়েছেন তার পূর্বপুরুষের দেশ আলজেরিয়াকে। নিজের এই সিদ্ধান্তের পেছনের আবেগটা প্রকাশ করে লুকা বলেন, ‘আমার দাদার কারণেই আমি আমার শিকড়ের দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি।’
ঠিক উল্টো প্রান্তে আছেন কিলিয়ান এমবাপে—আধুনিক ফরাসি ফুটবলের রাজমুকুট। রক্ত আর বংশসূত্রে এমবাপের পরিচয়ও অভিবাসনের এক চমৎকার বুনন। চাইলে তিনি বাবা উইলফ্রিডের সূত্রে ক্যামেরুন কিংবা মা ফায়জা লামারির সূত্রে আলজেরিয়ার হয়ে খেলতে পারতেন। কিন্তু এমবাপে বেছে নিয়েছেন ফ্রান্সকে—যে দেশে তিনি জন্মেছেন, প্যারিসের বহু-সাংস্কৃতিক শহরতলি বঁদিতে বড় হয়েছেন এবং বিখ্যাত ক্লেয়ারফন্টেন একাডেমি থেকে বিশ্বমানের ফুটবলার হিসেবে তৈরি হয়েছেন।
বর্তমান ফরাসি দলটিতে এমন বহু জাতের ও সংস্কৃতির মিশ্রণ অনবরত ঘটছে। বায়ার্ন মিউনিখ তারকা মাইকেল অলিসে লন্ডনে জন্মেছেন; তার বাবা ব্রিটিশ-নাইজেরিয়ান আর মা ফরাসি-আলজেরিয়ান। অলিসে নিজেই বলেছিলেন, ‘আসলে আমি চার চারটি দেশের অংশ: ফ্রান্স, আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া এবং ইংল্যান্ড। আমি নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি যে আমার মধ্যে এই চারটি সত্ত্বা আছে, যা আমাকে সমৃদ্ধ করেছে।’ শেষ পর্যন্ত অলিসেকে নিজেদের দলে টানার এই ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ে জিতেছে ফ্রান্স—আর এই জয় হয়তো তাদের বিশ্বকাপ ট্রফি পুনরুদ্ধার অভিযানে বড় ভূমিকা রাখবে।
বিভক্ত পরিবার ও আবেগের টান
এই বহুজাতিক বাস্তবতা অনেক পরিবারকে মাঝখান থেকে দুই ভাগে ভাগ করে দিয়েছে। এবারের বিশ্বকাপে এমন সাত জোড়া ভাই আছেন, যাদের মধ্যে চার জোড়া খেলছেন সম্পূর্ণ আলাদা দুটি দেশের হয়ে। যেমন প্যারিস সেন্ট জার্মেইর দিজিরে দুয়ে যখন ফ্রান্সের তারকাখচিত আক্রমণের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তার বড় ভাই গুয়েলা দুয়ে তখন খেলছেন আইভরি কোস্টের হয়ে। অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের উইলিয়ামস ভাইদের গল্পটাও এক—নিকো খেলছেন স্পেনের হয়ে, আর ইনিয়াকি গায়ে জড়িয়েছেন ঘানার কালো তারা খচিত জার্সি। এমনকি ডিফেন্সেও দেখা যাচ্ছে জন সুটার খেলছেন স্কটল্যান্ডের হয়ে, আর তার ভাই হ্যারি সুটার সামলাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগ!
কখনও কখনও এই সিদ্ধান্তগুলোর পেছনে থাকে এক নীরব শ্রদ্ধা। সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারি যখন তার বিশ্বকাপ অভিষেকের মাত্র সাত মিনিটের মাথায় গোল করলেন, তখন ব্রাইটনের এই মিডফিল্ডার উদযাপনে মেতে না উঠে আবেগঘনভাবে দুই হাত তুলে ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গি করলেন। এটা ছিল তার বাবার দেশ তিউনিসিয়ার প্রতি এক শ্রদ্ধাবোধ। সুইডেনে জন্ম নেওয়া আয়ারি (যিনি মরক্কোর হয়েও খেলতে পারতেন) ম্যাচের পর বলেন, ‘এটা আমার জন্য খুব বিশেষ একটা ম্যাচ ছিল... আমি গোল উদযাপন করিনি কারণ এই দেশটির প্রতি আমার অনেক টান, আমি দেশকে ভালোবাসি।’
আবার কারও কারও জন্য ফুটবল হলো বেঁচে থাকার এক ভয়ঙ্কর লড়াইয়ের সুন্দর সমাপ্তি। তুরস্কের বিরুদ্ধে ২-০ গোলের জয়ে প্রথম গোল করা অস্ট্রেলিয়ার উদীয়মান তারকা নেস্টরি ইরানকুন্ডার জন্ম হয়েছিল তানজানিয়ার এক প্রত্যন্ত শরণার্থী শিবিরে। গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচতে তার বুরুন্ডিয়ান বাবা-মা সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন, পরে শিশু অবস্থায় তাঁরা অস্ট্রেলিয়ার পার্থে চলে আসেন।
জীবনযুদ্ধ নাকি আবেগ?
এই দুটি ভিন্ন পথ ফুটবলপ্রেমী আর ক্রীড়া সমাজবিজ্ঞানীদের মনে একটি দারুণ অথচ কিছুটা অস্বস্তিকর প্রশ্ন জাগিয়ে তোলে: ইউরোপের এই ফুটবলাররা যদি তাদের জন্মভূমির মূল জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার কঠিন প্রতিযোগিতায় টিকে যেতে পারতেন, তবে কি তারা আদৌ তাদের পূর্বপুরুষের শিকড়ে ফিরে যেতেন?
পূর্বপুরুষের জার্সি গায়ে জড়ানোটা কি শুধুই নিজের পরিচয় খুঁজে পাওয়ার এক রোমান্টিক প্রয়াস, নাকি ইউরোপের পরাশক্তিদের দলে জায়গা না পেয়ে পেশাদার ক্যারিয়ার টিকিয়ে রাখার এক বাস্তবসম্মত বিকল্প পথ?
উপাত্ত বলছে, এখানে দুটি বিষয়ই জড়িয়ে আছে। ফিফার নিয়মের শিথিলতা—যেখানে ২১ বছরের কম বয়সী খেলোয়াড়েরা যদি মূল জাতীয় দলের হয়ে তিনটির কম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেন, তবে দেশ পরিবর্তন করতে পারবেন—খেলোয়াড়দের শিকড় খোঁজার সুযোগ করে দিয়েছে। আবার এটি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের একটা বিকল্প বাজারও তৈরি করেছে। ডেক্লান রাইস আয়ারল্যান্ডের হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলার পর ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা শুরু করেন, আবার জামাল মুসিয়ালা ইংল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলে খেলে পরে জার্মানি দলে যোগ দেন।
কাঠামোগত এই বাস্তবতা মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক সম্পর্কের কারণে আফ্রিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ দশকের পর দশক ধরে ইউরোপ আর পশ্চিমা দেশগুলোর দিকে পাড়ি জমিয়েছে। তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস হলো, অভিবাসনের এই দারুণ সব গল্পের পেছনে লুকিয়ে আছে এক কঠিন ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা। যেমন সোমালি রেফারি ওমর আরতানকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার ভিসাই দেওয়া হয়নি, আবার হাইতি, ইরান, আইভরি কোস্ট ও সেনেগালের মতো অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আর ভিসা বাতিলের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
ফুটবলের সেই চেনা জাদুটুকু কি হারিয়ে যাচ্ছে?
খেলার মাঠের প্রতিযোগিতার দিক থেকে দেখলে, অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলো এই অভিবাসন প্রক্রিয়ার কারণে হাতেনাতে বড় সুফল পাচ্ছে। নিজেদের দেশে বিশ্বমানের একাডেমি গড়তে যে কোটি কোটি ডলার, প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা আর দশকের পর দশক ধরে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার প্রয়োজন হয়—ইউরোপের আধুনিক অবকাঠামো, ক্রীড়া বিজ্ঞান আর স্কাউটিং নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তারা খুব সহজেই সেই ধাপটি পার হয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু ছোট দেশগুলো যখন মাঠে বড় দলগুলোকে হারিয়ে ইতিহাস উদযাপন করছে, তখন একটা বড় প্রশ্ন কিন্তু আড়ালে থেকে যাচ্ছে: ফুটবলের নিজস্ব ঘরানা বা দর্শনের বৈচিত্র্য কি সত্যি টিকে থাকছে, নাকি আমরা ফুটবলের বিশ্বায়নের শেষ ধাপটি দেখছি?
মাঠে থাকা প্রায় প্রতিটি খেলোয়াড়—বুকে যে দেশেরই লোগো থাকুক না কেন—যখন প্যারিস, আমস্টারডাম বা মাদ্রিদের একই ধরনের কৌশলগত, ছকবাঁধা আর ডেটা-চালিত ফুটবল একাডেমি থেকে শিক্ষা নিয়ে আসেন, তখন আন্তর্জাতিক ফুটবলের সেই আঞ্চলিক বা লোকজ জাদুটুকু হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। দক্ষিণ আমেরিকার সেই ছন্দময়, এলোমেলো ও স্ট্রিট-স্টাইল ড্রিবলিং কিংবা আফ্রিকার সহজাত, ছন্দময় ও শারীরিক শক্তির স্বতঃস্ফূর্ত ফুটবল—যা একসময় ধুলোবালি আর খোলা মাঠে তৈরি হতো—তা আজ ধীরে ধীরে ইউরোপের একক ছকবাঁধা ফুটবলের নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছে।
ইউরোপীয় ফুটবল একাডেমিগুলো পজিশনাল প্লে, ওয়ান-টাচ পাসিং আর হাই-প্রেসিংয়ের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেয়। এগুলো হয়তো রোবটের মতো নিখুঁত এবং ম্যাচ জেতানোর মতো কার্যকরী দল তৈরি করে, কিন্তু ফুটবল মাঠের সেই পুরোনো দিনের খ্যাপাটে ও অপ্রতিরোধ্য জাদুকরদের বিদায় ঘণ্টা বাজিয়ে দেয়। অভিবাসনের এই জোয়ার হয়তো খাতা-কলমে দেশগুলোকে কাছাকাছি আনছে আর মাঠের লড়াইকে সমান করছে, তবে একই সঙ্গে তা ফুটবলের নিজস্ব ও আঞ্চলিক আত্মাটুকুকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইকেও আরও কঠিন করে তুলছে।
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats