Tuesday, 28 April 2026
The News Diplomats
ডিপ্লোমেটস প্রতিবেদক :
Publish : 08:18 AM, 28 April 2026.
Digital Solutions Ltd

নিউক্লিয়ার ক্লাবে বাংলাদেশ, রূপপুরে চুল্লিতে দেওয়া হলো ইউরেনিয়াম

নিউক্লিয়ার ক্লাবে বাংলাদেশ, রূপপুরে চুল্লিতে দেওয়া হলো ইউরেনিয়াম

Publish : 08:18 AM, 28 April 2026.
ডিপ্লোমেটস প্রতিবেদক :

পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় বিশ্বের ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়ামের ব্যবহার শুরু হয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় আজ মঙ্গলবার বিকেলে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় বিশ্বের ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।

জ্বালানি প্রবেশ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, ‘আজ ঐতিহাসিক মুহূর্ত। নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্পটির কাজ করা হয়েছে। আজ জ্বালানি লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ইতিহাসের অংশ হলো। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ শুধু পাবনা নয়, দেশের অর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।’ আলোচনা শেষে অতিথিরা স্বয়ংক্রিয় সুইচ টিপে জ্বালানি লোডিং উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ। অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি।

চুল্লিপাত্রে ইউরেনিয়াম জ্বালানি বসানো হলে তা থেকে তাপ তৈরি হবে। সেই তাপে পানি থেকে বাষ্প তৈরি হয়ে টারবাইন ঘুরবে আর সেখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। পাবনার রূপপুরে নির্মিত এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লিপাত্রে জ্বালানি প্রবেশ করানো শুরু হলো আজ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বলছে, বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে এটি চূড়ান্ত ধাপ। ধাপে ধাপে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুতের উৎপাদন শুরু হবে। আগামী আগস্টে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন। এ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের ২টি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকল্প এলাকায় পারমাণবিক জ্বালানি আসার পরই পারমাণবিক স্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র। জ্বালানি বুঝে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পারমাণবিক শক্তির অধিকারী দেশের তালিকায় নাম ওঠায় বাংলাদেশ। আজ সেই শক্তির ব্যবহার শুরু হচ্ছে।

এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছিল রূপপুরে।

দুর্ঘটনা ঠেকাতে স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা: এমডি

বাংলাদেশের পারমাণবিক শক্তির যুগে প্রবেশের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে আজ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম লোডিং হছে।

প্রকল্পটির প্রযুক্তিগত খুঁটিনাটি, নির্মাণের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ অর্জন নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে কথা বলেছেন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহেদুল হাসান। শুরু থেকেই তিনি এই মেগা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত। ২০২৪ সালের ১৫ মে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। এরপর ২০২৫ সালে তিনি এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আহমেদ হুমায়ুন কবির তপু।

দ্য ডেইলি স্টার: রূপপুরে ব্যবহৃত ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টরে কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে? এই পারমাণবিক চুল্লির বৈশিষ্ট্য কী?

জাহেদুল হাসান: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর (চুল্লি) প্রযুক্তি একটি অত্যাধুনিক ‘তৃতীয় প্রজন্মের (প্লাস)’ প্রযুক্তি, যা রাশিয়ার রোসাটমের নকশা করা। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সুপারিশ অনুযায়ী এখানে ‘বহুস্তরীয় সুরক্ষা’ (ডিফেন্স-ইন-ডেপথ) নীতির মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখানে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা একসঙ্গে কাজ করে।

এতে উন্নত ‘অ্যাকটিভ সেফটি সিস্টেম’ রয়েছে, যেমন স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেন্দ্র বন্ধ হওয়া (শাটডাউন) এবং জরুরি প্রয়োজনে কোর শীতলকরণ ব্যবস্থা। এর সঙ্গে আছে ‘প্যাসিভ সেফটি সিস্টেম’, যা বিদ্যুৎ বা মানুষের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ ছাড়াই চুল্লিকে নিরাপদ রাখতে পারে। এ ছাড়াও ডাবল কনটেইনমেন্ট স্ট্রাকচার, কোর ক্যাচার, হাইড্রোজেন রিকম্বাইনার এবং একাধিক বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে, যা পুরোনো প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ।

বিশেষভাবে, ২০১১ সালের জাপানের ফুকুশিমায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এই নকশায় অতিরিক্ত সুরক্ষাব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে। এই প্রযুক্তিতে এমন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যাতে সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন (স্টেশন ব্ল্যাকআউট) হলেও চুল্লি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠান্ডা রাখা যায় এবং হাইড্রোজেন বিস্ফোরণ প্রতিরোধ করা যায়।

দ্য ডেইলি স্টার: নিরাপত্তার জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কীভাবে পূরণ করা হয়েছে? এখনো কি কিছু করা বাকি আছে?

জাহেদুল হাসান: পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তার আন্তর্জাতিক শর্তের ক্ষেত্রে মূলত আইএইএ-এর ‘নিরাপত্তা মানদণ্ড’ (সেফটি স্ট্যান্ডার্ডস) অনুসরণ করা হয়। এর প্রধান শর্ত হলো ‘বহুস্তরীয় সুরক্ষা’, যা নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। অর্থাৎ, কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তা ঠেকানোর জন্য পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকতে হবে। এ ছাড়া তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেন কোনোভাবেই পরিবেশে ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন উচ্চমাত্রার ভূমিকম্প, শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বা বন্যা সহ্য করার সক্ষমতা থাকতে হবে।

রূপপুর প্রকল্পে শুরু থেকেই এই আন্তর্জাতিক মানগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। নকশা থেকে শুরু করে কমিশনিংয়ের প্রতিটি ধাপেই নির্ধারিত সুরক্ষা শর্তগুলো মানা হয়েছে। এ সময় আইএইএ-এর একাধিক আন্তর্জাতিক মিশন পরিচালিত হয়েছে।

বর্তমানে বলা যায়, মৌলিক ও প্রয়োজনীয় সব আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা শর্ত পূরণ করা হয়েছে। তবে এই খাতে নিরাপত্তা একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোপুরি চালুর পরও নিয়মিত পরিদর্শন ও তদারকি অব্যাহত রাখতে হবে।

দ্য ডেইলি স্টার:  সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা কীভাবে মনিটরিং করা হবে?

জাহেদুল হাসান: রূপপুরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই প্ল্যান্টে সাত হাজারের বেশি ‘ইন্টারলক’ ও বিভিন্ন নিরাপত্তা ফাংশন যুক্ত রয়েছে। অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হওয়া মাত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে যাবে।

এমনকি কোনো চরম পরিস্থিতিতে প্ল্যান্টে কোনো অপারেটর বা মানুষ উপস্থিত না থাকলেও সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে চুল্লিকে বন্ধ (শাটডাউন) করে দিতে সক্ষম।

সার্বিক নজরদারির জন্য প্ল্যান্টের সব গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটার প্রধান নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়, যেখানে অপারেটররা দিন-রাত সব সময় অবস্থান করেন। নির্দিষ্ট সময় পরপর সেফটি অ্যানালাইসিস রিপোর্ট হালনাগাদ করে তা বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য জমা দিতে হয়।

দ্য ডেইলি স্টার:  রূপপুর প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে কী কী চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে?

জাহেদুল হাসান: প্রথমত, এত বড় মাপের পারমাণবিক প্রকল্পের জন্য অর্থায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, যা রোসাটমের সঙ্গে অংশীদারত্বে এবং দীর্ঘমেয়াদি ঋণ চুক্তির মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, নির্মাণ পর্যায়ে অন্যতম বড় প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ ছিল প্রকল্প এলাকার মাটি স্থিতিশীল করা, যাতে এটি ভূমিকম্প এবং অন্যান্য নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণ করতে পারে। উন্নত কৌশল ব্যবহার করে মাটির মধ্যে সিমেন্ট ইনজেক্ট করা হয়। এর ফলে মাটি পাথরের মতো শক্ত হয়ে যায়।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের কারণে আর্থিক লেনদেন ও যন্ত্রপাতি পরিবহন বাধাগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি কোভিড-১৯ মহামারিও একটি বড় বাধা ছিল। তবে বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব সমস্যা মোকাবিলা করা হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার: প্ল্যান্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আরও কী কী চ্যালেঞ্জ আসতে পারে বলে মনে করেন?

জাহেদুল হাসান: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিচালনা পর্যায়ে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হবে জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ করা। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সাধারণত বেসলোড পাওয়ার সরবরাহ করে, তাই গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি ও লোড ব্যালান্স ঠিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি), বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে কাজ করছে। গ্রিড শক্তিশালী করার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সঞ্চালন লাইন (ট্রান্সমিশন লাইন) এবং আধুনিক গ্রিড ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

দ্য ডেইলি স্টার: প্রথম ইউনিটের জন্য কতজন লোকবল প্রস্তুত করা হয়েছে?

জাহেদুল হাসান: প্রথম ইউনিট পরিচালনার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষ জনবল প্রস্তুত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত এক হাজারের বেশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তারা রাশিয়ায় গিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। ইতিমধ্যে এনপিসিবিএলের মোট ৫১ জন কর্মী সব প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে লাইসেন্স অর্জন করেছেন। লাইসেন্স ছাড়াও বিভিন্ন অপারেশনাল ও সহায়ক পদের সংখ্যা দেড় হাজারের বেশি, বিশেষ করে ইউনিট-১ এর জন্য ৭০০ জন কর্মী প্রস্তুত করা হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার: পারমাণবিক জ্বালানি ভরার কত দিন পর থেকে পারমাণবিক বর্জ্য বের হবে? বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?

জাহেদুল হাসান: সাধারণত প্রায় এক বছর পরিচালনার পর ব্যবহৃত জ্বালানি (স্পেন্ট ফুয়েল) চুল্লি থেকে বের করা হয়। এটি চুল্লির কাছাকাছি বিশেষভাবে নকশা করা পুলে (স্পেন্ট ফুয়েল পুল) সংরক্ষণ করা হবে। এই পুলে প্রায় ১০ বছর পর্যন্ত নিরাপদে বর্জ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার আওতায় দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহৃত জ্বালানির পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ বা ফেরত পাঠানো নিশ্চিত করা হবে।

দ্য ডেইলি স্টার: এই বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় পরিপূর্ণ সক্ষমতা অর্জনে কত দিন সময় লাগবে?

জাহেদুল হাসান: রূপপুরের মতো একটি আধুনিক ‘তৃতীয় প্রজন্মের (প্লাস)’ পারমাণবিক কেন্দ্র পুরোদমে চালাতে কয়েকটি ধাপ পার হতে হবে। সাধারণত একটি নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে এর জন্য ৩ থেকে ৫ বছর সময় লাগে।

BANGLADESH বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম লিমন-বৃষ্টি হত্যায় আবুঘরবেহর পাশাপাশি তদন্তের মুখে চ্যাটজিপিটি শিরোনাম নিউক্লিয়ার ক্লাবে বাংলাদেশ, রূপপুরে চুল্লিতে দেওয়া হলো ইউরেনিয়াম শিরোনাম এমন সমাজ গড়ে তুলি, যেখানে ন্যায় বিচারই হবে শেষ কথা শিরোনাম তাদের পূর্বপুরুষ বাংলাদেশ চায় নাই, `জামায়াত করলে ডাবল অপরাধ’ শিরোনাম রিপাবলিকান পার্টির নেতৃত্বে ট্রাম্পের পর কে, ভ্যান্স নাকি রুবিও? শিরোনাম দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার নিয়োগ