শিগগির সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবে নতুন সরকার। ১৮০ দিনের মধ্যে কর্মসূচির আওতায় বেশির ভাগ খাল খনন করা হবে। পাশাপাশি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করার লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় এই কার্ড চালুর ব্যবস্থা করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়া একই সভায় প্রতিবছর পাঁচ কোটি করে বৃক্ষরোপণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠক শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের এসব সিদ্ধান্ত জানান।
খাল খনন কর্মসূচির বিষয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জিয়াউর রহমান এই কর্মসূচিকে একটি বিপ্লবে পরিণত করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে থেকে বারবার উল্লেখ করেছেন, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে মানুষ যেন সুবিধা পায়। আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে স্থানীয় সরকার, পানি, দুর্যোগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় বসে ঠিক করবে কবে নাগাদ এটি শুরু হবে। শুরু হবে খুব শিগগির। ১৮০ দিনের মধ্যে এই কাজের বেশির ভাগ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আন্তমন্ত্রণালয় সভার প্রসঙ্গে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, প্রতিবছর পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। মে মাসে শুরু হবে। এ বছর হয়তো পাঁচ কোটি সম্ভব হবে না। তবে আগামী বছর এই ঘাটতি পূরণ করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড দিতে কমিটি
এর আগে সচিবালয়েই নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
এই বৈঠকের সিদ্ধান্তের আলোকে পরে ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।
অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিকল্পনা সচিব ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।
এই কমিটি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত ডিজাইন ও সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি প্রণয়ন করবে। কমিটির কাজের মধ্যে আরও আছে প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ব্যবস্থা, নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না পর্যালোচনা, সুবিধাভোগীদের তথ্যভান্ডার প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জাতীয় খানার তথ্যভান্ডার আন্তযোগাযোগ স্থাপনের ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা।
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats