13 September 2026
The News Diplomats
আল–জাজিরা :
Publish : 12:42 PM, 12 September 2026.
Digital Solutions Ltd

আল-জাজিরার এক্সপ্লেইনার

ব্রিকসে সেজেছে নয়াদিল্লি: কোন নেতারা থাকছেন, বৈঠক কেন গুরুত্বপূর্ণ

ব্রিকসে সেজেছে নয়াদিল্লি: কোন নেতারা থাকছেন, বৈঠক কেন গুরুত্বপূর্ণ

Publish : 12:42 PM, 12 September 2026.
আল–জাজিরা :

ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে সেজেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। আজ শনিবার পর্দা উঠেছে দুই দিনের এ আয়োজনের। এরই মধ্যে ডজনেরও বেশি বিশ্বনেতা দিল্লিতে জড়ো হয়েছেন। জোরদার করা হয়েছে পুরো দিল্লির নিরাপত্তা।

ধনী পশ্চিমা দেশগুলোর আধিপত্যের অধীন থাকা অর্থনৈতিক জোটগুলোর বিপরীতে একটি ভারসাম্য সৃষ্টিকারী শক্তি হিসেবে ব্রিকস ক্রমশ অবস্থান শক্ত করছে। জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলোই এবারের শীর্ষ সম্মেলনে গুরুত্ব পাবে।

ব্রিকসের সামনে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ, ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ, ইয়েমেনে সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যকার সংঘাত, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ঘিরে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, ভারত ও চীনের সীমান্ত বিরোধ ঘিরে ব্রিকসের সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য ক্রমেই বাড়ছে।

দেখার বিষয়, এবারের সম্মেলনে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো নিজেদের মতপার্থক্য কীভাবে কাটিয়ে উঠতে পারে। সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে কী কী বিষয় থাকছে, সেটা নিয়েও বিশ্লেষকদের অনেকের আগ্রহ রয়েছে।

ব্রিকস কী, সদস্য কত

ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা—পাঁচটি দেশের নামের আদ্যক্ষর নিয়ে নামকরণ করা হয়েছে ব্রিকসের (বিআরআইসিএস)। কাজেই নাম দেখে বোঝা যায়, ব্রিকস হলো এ পাঁচ দেশের জোট।

২০০৬ সালে বাণিজ্য জোট হিসেবে ব্রিকসের যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে সদস্য ছিল ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীন। ২০১০ সালে যুক্ত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। পরে জোটের সদস্য আরও বেড়েছে। ২০২৩ সালে এসে ব্রিকসে যোগ দেয় মিসর, ইথিওপিয়া, সৌদি আরব, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ওই সময় আর্জেন্টিনাকে ব্রিকসের সদস্য হতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু জাভিয়ের মিলেই দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সাফ জানিয়ে দেন, তাঁর দেশ পশ্চিমাঘেঁষা নীতি মেনে চলবে। তাই ব্রিকসে যোগ দেবে না।

ইন্দোনেশিয়া ২০২৫ সালে ব্রিকসে যোগ দিয়েছে। বর্তমানে ব্রিকসের সদস্য দেশ ১১টি। এসব দেশ মিলে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৯ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে। বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশ এসব দেশের নিয়ন্ত্রণে।

কারা থাকছেন সম্মেলনে

শীর্ষ সম্মেলনে থাকছেন আয়োজক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা। এর মধ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট ৭ বছর পর ভারত সফরে এসেছেন।

প্রাথমিক সদস্য হলেও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা ব্রিকসের এবারের সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না। জানা গেছে, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন লুলা। ব্রাজিলের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েইরা সম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করছেন। ব্রিকস সম্মেলনে আরও থাকছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো ও ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানও এবারের সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন।

এ ছাড়া ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ আর মার্কোস জুনিয়র, কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ, বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট এভারিস্ত নাদাইশিমিয়ে, নাইজেরিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশিম শেত্তিমা, উগান্ডার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেসিকা আলুপো, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম, ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী লে মিন হুং, কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ পারিয়া, উরুগুয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিও লুবেতকিন এবং বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি ভারতে এসেছেন।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

আলোচ্যসূচিতে যা থাকছে

ব্রিকসের মূল লক্ষ্য, পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈশ্বিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেওয়া; বিশেষত অর্থনৈতিক বিষয়ে। কাজেই এ বিষয়ের কৌশলগুলো নিয়ে শীর্ষ সম্মেলনে আলোচনা করা হবে—সেটা অনুমেয়।

জোটের নথিপত্র দেখা গেছে, এবারের শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য-সহনশীলতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি গড়া।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে অর্থনীতি শক্তিশালী করায় জোর

ব্রিকসের এবারের সম্মেলনে বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান-অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর অর্থনীতি শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

ফরাসি আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নাটিক্সিসের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান অর্থনীতিবিদ অ্যালিসিয়া গার্সিয়া-হেরেরো বলেন, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ব্রিকসের সদস্য রাশিয়া ও ইরানের সঙ্গে আন্তসীমান্ত লেনদেনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়েও নেতারা আলোচনা করতে পারেন।

এ অর্থনীতিবিদ আল-জাজিরাকে বলেন, তবে তাঁরা (ব্রিকস নেতারা) ডলারের বিকল্প খোঁজার চেষ্টা করবেন না বলেই মনে হচ্ছে।

ক্রেমলিন গত বৃহস্পতিবার জানায়, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে মস্কো অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে ডিজিটাল মুদ্রায় বাণিজ্যিক লেনদেন নিষ্পত্তির বিষয়ে আলোচনা করবে।

ভারতের বেঙ্গালুরুভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান তক্ষশীলা ইনস্টিটিউশনের জিওস্ট্র্যাটেজি প্রোগ্রামের চেয়ারপারসন মনোজ কেওয়ালরামানি আল-জাজিরাকে বলেন, ব্রিকস নেতারা যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন, সেগুলো মূলত সরবরাহব্যবস্থা নিরাপদ রাখা এবং বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাতের মধ্যে ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত।

ইরান যুদ্ধ

এ বছর এমন এক সময় ব্রিকসের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন ইরান যুদ্ধের দামামা বাজছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ছয় মাসে গড়িয়েছে। গত মে মাসে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে বসেছিলেন। ওই বৈঠক থেকে ইরান যুদ্ধের বিষয়ে যৌথ নিন্দা জানানোর একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সেটা সফল হয়নি।

এবারের শীর্ষ সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অংশ নিচ্ছেন। তিনি যুদ্ধের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটি ভারতে তাঁর প্রথম সফর। সেই সঙ্গে আট বছর পর কোনো ইরানি প্রেসিডেন্টের ভারত সফরও এটি।

হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও জনপ্রশাসন বিভাগের খণ্ডকালীন অধ্যাপক আলেহান্দ্রো রেয়েস বলেন, ইরান ব্রিকসের সদস্য। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বাণিজ্য পথ, জ্বালানি সরবরাহ ও জ্বালানির বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এর প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে।

এ বিষয়ে এই অধ্যাপক আরও বলেন, যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্রিকসের আরেক সদস্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ইরানের সরাসরি সংঘাত সদস্য দেশগুলোর জন্য এ বিষয়ে অভিন্ন অবস্থান তৈরি করা কঠিন করে তুলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এতে ইরানি হামলার শিকার হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আরব আমিরাতে এখন পর্যন্ত ইরানি হামলায় ১৫ জন নিহত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুই সামরিক সদস্য, একজন বেসামরিক ঠিকাদার ও ১২ জন বেসামরিক নাগরিক। সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে গত আগস্টে ইরানের বিরুদ্ধে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আরব আমিরাত।

ইউক্রেন যুদ্ধ

ইউক্রেনে দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধ করছে ব্রিকসের প্রাথমিক সদস্য রাশিয়া। এবারের সম্মেলনে জোট নেতারা এ যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।

মনোজ কেওয়ালরামানি আল-জাজিরাকে বলেন, ব্রিকসের নেতারা কয়েক বছর ধরেই ইউক্রেনে রাশিয়ার কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করছেন। তাঁর ধারণা, ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে ব্রিকসের প্রতিটি সদস্যের বৈধ স্বার্থ কীভাবে যৌথভাবে বিবেচনায় নেওয়া যায়, তা নিয়ে এবারের সম্মেলনে আলোচনা হতে পারে।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত ১৭তম ব্রিকস সম্মেলনে দেওয়া যৌথ ঘোষণায় নেতারা ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সমালোচনা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। উল্টো রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলার নিন্দা জানিয়েছিলেন।

মনোজ কেওয়ালরামানি বলেন, এ বছর ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ব্রিকসের যৌথ অবস্থান নির্ধারণে বড় সমস্যা হবে বলে মনে হয় না। কারণ, এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধের কৌশল খুঁজতে আলোচনা করছে।

চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ সফর করেন তাঁরা।

এবারের সম্মেলন কেন গুরুত্বপূর্ণ

জার্মান মার্শাল ফান্ড অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটসের সম্মাননীয় ফেলো ইয়ান লেসার আল-জাজিরাকে বলেন, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক যখন ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে, তখন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন ভ্লাদিমির পুতিনকে বৈশ্বিক দক্ষিণের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক তুলে ধরার সুযোগ দেবে।

ইয়ান আরও বলেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আসা অনিশ্চিত বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নীতির বিরুদ্ধে ভারসাম্য তৈরির বিষয়ে অনেক দেশের আগ্রহকে কাজে লাগানোর সুযোগ রাশিয়া ও চীন পাবে।

এবারের ব্রিকস সম্মেলনের সময়ও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এ বছর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিতীয় দফার শীর্ষ সম্মেলনের আগে ব্রিকস নেতারা বৈঠকে বসছেন। ২৪ সেপ্টেম্বর সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্নেল ঝৌ বো আল-জাজিরাকে বলেন, ব্রিকস নেতাদের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে একত্র হওয়া, বৈঠক করা নতুন নয়। তবে এ বছর একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তা হলো, সাত বছর পর চীনের প্রেসিডেন্ট সি ভারত সফরে এলেন।

ঝৌ বোর মতে, বেইজিং ও নয়াদিল্লির সম্পর্ক বেশ কিছুদিন ধরেই শীতল। তাই এ শীর্ষ সম্মেলন সি ও মোদির জন্য মতপার্থক্য দূর করার একটি ভালো সুযোগ।

বৃহত্তর পরিসরে দেখতে গেলে, চলমান যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ বছরের ব্রিকস সম্মেলন বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, বলেন ঝৌ বো।

ASIA/SOUTH ASIA বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ‘লাগাম টানার’ আহ্বান, সমর্থন জানাল ইরান-আমিরাত শিরোনাম দক্ষিণ এশিয়ায় ধর্মনিরপেক্ষতা ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে কেন? শিরোনাম মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস সদস্যদের সঙ্গে কাজ করবে চীন: শি জিনপিং শিরোনাম ব্রিকসে সেজেছে নয়াদিল্লি: কোন নেতারা থাকছেন, বৈঠক কেন গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম হুতিদের সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধে জড়িয়েও পিছু হটল যুক্তরাষ্ট্র! শিরোনাম স্কারবরো সাউথওয়েস্টের কল্যাণে পরিকল্পনা তুলে ধরে লায়েক চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু