Monday, 25 May 2026
The News Diplomats
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :
Publish : 06:34 AM, 25 May 2026.
Digital Solutions Ltd

কার লাভ কার ক্ষতি, কুরবানির আগে পশ্চিমবঙ্গে গরু বিতর্ক

কার লাভ কার ক্ষতি, কুরবানির আগে পশ্চিমবঙ্গে গরু বিতর্ক

Publish : 06:34 AM, 25 May 2026.
ডিপ্লোমেটস ডেস্ক :

‘সমস্ত জমি-জায়গা বন্ধক দিয়ে, সোনা বন্ধক দিয়ে ঋণ নিয়ে আমরা এই ব্যবসা করছি। আজকে যদি গরু বিক্রি না হয়, আমরা এগুলো পরিশোধ করবো কী করে? আমরা কী করে খাবো?’ পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড়ের ব্যবসায়ী সোনালি ঘোষ এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন আনন্দবাজার পত্রিকার কাছে। তিনি আক্ষেপ নিয়ে আরও বলেন, ‘বিচলিওয়ালা (খড়) বিচলি দেয় না। ভুসিওয়ালা ভুসি দেয় না। অবলা জীবগুলোকে কী খাওয়াবো?’ তিনি জানান, তাদের গরুগুলো বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। যারা কিনেছিলেন তারা এখন গরু নিতে চাচ্ছেন না। উল্টো টাকা ফেরত চাচ্ছেন।

প্রতিবেদন অনুসারে, গরু বিক্রির টাকা সোনালি ঘোষ খরচ করে ফেলেছেন, এখন ওদের টাকা ফেরত দেবেন কিভাবে?—এ নিয়েও তার দুশ্চিন্তার শেষ নেই।  গত ২০ মে সংবাদমাধ্যমটিতে প্রকাশিত ‘ঈদের মুখে গরু বিক্রিতে ভাটা’ প্রতিবেদন থেকে আরও অনেক খামারির ক্ষোভ শোনা যায়।

অপর ব্যবসায়ী সরস্বতী ঘোষের চাওয়া—‘অন্তত এ বছরে ছাড় দিতে পারতো। তারপর ব্যবসা ছেড়ে দিতাম। ব্যাংকে ঋণ আছে। আমাদের ঋণ মওকুফ করে দিক।’ব্যবসায়ী গোবিন্দ মল্লিক বলেন, ‘আমরা ধার-বাকিতে ব্যবসা করি। এখন টাকা-পয়সা মার হওয়ার পথে।’ব্যবসা যাতে চালু হয় তার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করে এই ব্যবসায়ী বলেন, ‘যেন আমাদের রুটি-রুজির ওপর আঘাত না আসে।’

প্রতিবেদনগুলোয় বলা হয়েছে—পশ্চিমবঙ্গে বেশ কয়েক লাখ দরিদ্র পরিবার গরু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। গরু পালনকারীদের বেশির ভাগ হিন্দু ঘোষ সম্প্রদায়ের। তারা কম দামে গরু কিনে সেগুলোকে লালন-পালন করে কুরবানি ঈদের সময় বেশি দামে মুসলমানদের কাছে বিক্রি করেন।

আরও জানা যায়, কুরবানি সময় গরু বিক্রির টাকা দিয়ে হিন্দু পরিবারগুলো সারা বছরের খরচ, তথা—অন্ন-বস্ত্রের জোগান, ঘরদোর ঠিক করা, সন্তানদের পড়ালেখা-বিয়েশাদি, চিকিৎসা, নতুন ব্যবসা শুরু ইত্যাদি প্রয়োজন মেটায়। এই ব্যবসায় জড়িত আছে আরও কয়েক লাখ পরিবার। অর্থাৎ—গরুর খাবার, চিকিৎসা ও ছুরি-বটি তৈরির পেশায় নিয়োজিত পরিবারগুলোর জীবনও সংকটে পড়েছে। গরুর চামড়াভিত্তিক ছোট-বড় শিল্পের সঙ্গে জড়িতরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

গরুর গেরোয়’ পশ্চিমবঙ্গ

কুরবানি ঈদের প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গ ‘গরুর গেরো’য় পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। এর ফলে রাজ্যের দুধ ব্যবসায়ীরাও বিপাকে পড়েছেন বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ১৯ মে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইটিভি ভারত এক প্রতিবেদনের শিরোনাম করে, ‘গরুর গেরোয় বাংলা! কুরবানিতে বিকল্প খাসি, বিপাকে দুধের ব্যবসায়ীরাও।

এতে বলা হয়, ‘ঈদুল আযহার মুখে রাজ্যের নির্দেশিকা সংখ্যালঘুদের মনে একাধিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। শুধু সংখ্যালঘুরাই নন, নয়া নির্দেশিকায় বিপদে পড়েছেন সংখ্যাগুরু গোপালকরাও। গত ৪ মে নির্বাচনে জিতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করে। এরপর সরকার নানান ধরনের ‘গঠনমূলক’ উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যে আছে অবৈধ পশুরহাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া। তবে তা সৃষ্ট করেছেন এক নতুন বিতর্ক। অর্থাৎ, ‘গরু বিতর্ক’।

অবৈধ অবকাঠামো বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া, মাইকে উচ্চস্বরে আজান ও রাস্তায় নামাজ বন্ধ—ইত্যাদি উদ্যোগকে অনেকে ‘সাধুবাদ’ জানালেও সেগুলো বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি। এর মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিজেপি সরকারের ‘পশু জবাই-নীতি’।

‘বাংলায় সরকার বদলের ফলে গরু-মহিষের ব্যবসায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে,’ জানিয়ে হুগলী জেলার ব্যান্ডেলের দুধ ব্যবসায়ী অজিত যাদব সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, ‘আমরা ঋণের টাকাও ঠিকমতো শোধ করতে পারছি না। গরু-মহিষ রাখার মতো ফাঁকা জায়গাও নেই। এদের বিক্রি করতে না পারলে এই ব্যবসাই তুলে দিতে হবে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘দিনে দিনে গরু প্রতিপালনের খরচ বেড়েই চলেছে। একটা সুস্থ স্বাভাবিক গরু প্রতিপালন করতে গড়ে মাসে খরচ প্রায় ১০ হাজার রুপি। এই অবস্থায় গরু দুধ দেওয়া বন্ধ করে দিলে সেটি কীভাবে প্রতিপালন করবেন ভেবে উঠতে পারছেন না দুধ ব্যবসায়ীরা।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে আরও জানা যাচ্ছে যে—একদিকে, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের কর্তাব্যক্তিরা যখন বলছেন, ‘আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই’; অন্যদিকে, সাধারণ মানুষ যেন ততই ‘আতঙ্কিত’ হচ্ছেন।

এক কথায়—পশ্চিমবঙ্গের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ মুসলমান হওয়ায়, কুরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে ধীরে ধীরে রাজ্যটিতে বিশাল অংকের বাণিজ্য গড়ে উঠেছে। বর্তমানে রাজ্যটিতে প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম। তাই কুরবানির ঈদ সেখানকার গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সরকারের সঙ্গে ঝামেলা এড়াতে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের ‘গরু না খাওয়ার’ পরামর্শও দিচ্ছেন ধর্মীয় ব্যক্তিদের অনেকে। তাদের এমন পরামর্শে ‘খুশি’ হতেও দেখা যাচ্ছে মুসলমানদের অনেককে।

তাদের কেউ বলছেন, ‘বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের “টাইট” দিতে গিয়ে হিন্দু ভাইদেরকেই চরম বিপদে ফেলে দিয়েছে।’ আবার কেউ বা বলছেন, ‘বিজেপি শুধু মুসলমান নয়, হিন্দুদের জন্যও বিপদজনক।’

সংবাদ বিশ্লেষকদের কারও ভাষ্য: মুসলমানরা গরুর মাংস খেলেও গরু বিক্রেতাদের বেশিরভাগ হিন্দু ধর্মাবলম্বী। তাই মুসলমানরা গরু খাওয়া বন্ধ করে দিলে আখেরে আর্থিকভাবে হিন্দুরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

আমরা গরু খাবো না’

গত ১৪ মে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে পশ্চিমবঙ্গে গবাদি পশুর মাংস বিক্রি নিয়ে বিজেপি সরকারের নির্দেশনা তুলে ধরা হয়।

এতে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের নব নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গবাদি পশু জবাই ও বিক্রি সংক্রান্ত ১৯৫০ সালের প্রাণিসম্পদ আইন তার রাজ্যে কঠোরভাবে মেনে চলতে বলেছেন। আইন অনুসারে—১৪ বছরের কম বয়সী গরু-মহিষ জবাই করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লিখিত অনুমতি দরকার। গবাদি পশুটি যদি বিকলাঙ্গ বা প্রজননে অক্ষম হয় সে ক্ষেত্রেও অনুমতি প্রয়োজন। এ ছাড়াও, খোলা জায়গায় পশু জবাই না করার কথাও আইনে বলা হয়েছে। অর্থাৎ, শুধুমাত্র সরকার অনুমোদিত কসাইখানায় পশু জবাই করতে হবে।

এমন বাস্তবতায় কলকাতার ঐতিহাসিক নাখোদা মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ শফিক কাসেমি এক ভিডিও বার্তায় রাজ্যের মুসলমানদের আসন্ন ঈদুল আযহায় গরু কুরবানি না দেওয়ার অনুরোধ করছেন। তার বক্তব্য: দয়া করে গরু কুরবানি করবেন না। কখনো আর গরুর মাংস খাবেন না।

তিনি মনে করেন—যদি মুসলিমরা গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করে তাহলে তা হিন্দুদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ হবে। বহু হিন্দু পরিবার দুধ ব্যবসায় জড়িত এবং তারা কুরবানির ঈদে গরু বিক্রি করেন।

জীবনের সব সঞ্চয় একটি গরুর পেছনে খরচের পর যদি তারা সেই গরু বিক্রি করতে না পারেন তাহলে তা তাদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হবে, বলেও মন্তব্য করেন মোহাম্মদ শফিক কাসেমি।‘আগে সরকারকে কসাইখানা নির্মাণ করতে হবে’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘যদি সরকার তা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে গরুকে “জাতীয় পশু” ঘোষণা করে গরু জবাই ও মাংস রপ্তানি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা উচিত।’

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাংস রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে ভারত কোটি কোটি রুপি আয় করছে জানিয়ে এই ইমাম বলেন, ‘অথচ নিজের দেশে সাধারণ মানুষকে গরু খাওয়ার কারণে হত্যা করা হচ্ছে।’ ‘এটি কখনো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না,’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে, হুগলীর ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘আমি মুসলিম ভাইদের বলবো, আপনারা কুরবানি দেন, কিন্তু, গরু কুরবানি দেবেন না। দরকার নাই গরু কুরবানির।’

তার মতে, ‘কুরবানি না দিলে কাদের অসুবিধা, কাদের সুবিধা তা বাংলার মানুষ অল্প কয়েক দিনের মধ্যে বুঝতে পারবে। এখন থেকে পাচ্ছে।’

রাজ্যের অপর ধর্মীয় নেতা মুফতি আব্দুল কাইউম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘চক্রান্ত করে, কোনো অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়ে পশু বিক্রির ব্যবস্থা হতে পারে। খবরদার এই ফাঁদে কেউ পা দেবেন না।’

তার মতে, ‘সরকারি বিধির অধীনে থেকে পশু কুরবানি করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, ইসলামী বিধান হলো একটি সুস্থ সবল নিখুঁত পশু কুরবানি দেওয়া।’

গতকাল ২৩ মে আজ তক বাংলার ‘সরকারের কথায় চলব, গরু কোরবানি দেবো না’ প্রতিবেদনে জানানো হয়—কলকাতার মুসলিম-অধ্যুষিত মেটিয়াবুরুজ এলাকার মুসলমানদের একাংশ ‘কোরবানিতে গরু কাটা বয়কট, আইন সবার ঊর্ধ্বে’ স্লোগান সম্বলিত ব্যানার নিয়ে মিছিল করেছে।

এমন বাস্তবতায় রাজ্যে নবগঠিত আম-জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান ও বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বিজেপি সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘আগুন নিয়ে খেলবেন না, গরু-ছাগল কুরবানি হবেই।’

তবে তার এমন বক্তব্যকে অনেকেই ‘রাজনৈতিক’ বলে আখ্যা দিয়ে এর সমালোচনা করছেন।

একইভাবে, মুসলমানদের একটি অংশ ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) এর প্রধান ও বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীরও সমালোচনা করছেন। তিনি শুভেন্দু সরকারকে ‘বিষয়টি’ বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন

উপসংহার

পশু জবাই নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষ যখন চরম দুরবস্থার মধ্যে, তখন কেউ কেউ বিজেপি ও গরু নিয়ে রসিকতার পাশাপাশি বিজেপি সরকারকে তিরস্কার করতেও ছাড়ছেন না। কেউ বলছেন, ‘গরুর জন্মসনদ চালু করা হোক’, তা না হলে কী করে বোঝা যাবে যে গরুটির বয়স ১৪ হয়েছে।

কারও বক্তব্য, ‘গরুকে গোয়াল ঘরে নয়, শোয়ার ঘরে নিয়ে রাখো।’ কারও মন্তব্য, ‘মা (গরু) বৃদ্ধ হলে (১৪ বছর) তবেই মিলবে জবাইয়ের অনুমতি, ধিক!’‘হিন্দুদের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিন্দুদের ক্ষতি করছে’ বলেও মন্তব্য করছেন অনেকে।

কেউ আবার কটাক্ষ করে বলছেন—নিজ দেশে গরু বিক্রি বন্ধ করে সেসব গরু হয়ত কম দামে খামারিদের কাছ থেকে কিনে বেশি দামে বিদেশি রপ্তানির চিন্তা করছে বিজেপি-সরকার ঘনিষ্ঠ হিন্দু ব্যবসায়ীরা। তাই গরু নিয়ে বিজেপির এত মাতামাতি।

বিশ্লেষকদের কেউ কেউ পশ্চিমবঙ্গে কুরবানি গরুর মোট বাজারকে ২ হাজার কোটি রুপির বলে মন্তব্য করছেন। কেউ বলেছেন, এটি প্রায় ৪ হাজার কোটি রুপির। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। গরুর মাংস রপ্তানিতে বিশ্বে প্রথম অবস্থানে ব্রাজিল। ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসায় আচমকা সেই ব্যবসায় হাত পড়েছে। তবে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ।

ডেইলি স্টার

ASIA/SOUTH ASIA বিভাগের অন্যান্য খবর

News Diplomats Icon

Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com

The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.

©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats

Develop by _ DigitalSolutions.Ltd
শিরোনাম ইতালিযাত্রার করুণ কাহিনী: নেই মৃত্যুসংবাদ, না আছে ফেরার আশা শিরোনাম বিয়ের গুঞ্জনে কঙ্গনা বললেন, গোপনে বিয়ে করব না, কথা দিচ্ছি শিরোনাম কার লাভ কার ক্ষতি, কুরবানির আগে পশ্চিমবঙ্গে গরু বিতর্ক শিরোনাম নারায়ণগঞ্জের ‘ডোনাল্ড টাম্প’ ভাইরাল, ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া সঠিক নয় শিরোনাম জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাবের ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিল সন্ত্রাসীরা শিরোনাম ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি নিয়ে কাড়াকাড়ি! বিতর্কের পারদ বাড়ছে