চোখের চিকিৎসার জন্য শনিবার ভোরে স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় গিয়েছিলেন রনজিলা পারভীন; সেখানেই ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে তিনি প্রাণ হারান।
জীবনের প্রায় সবটা সময় বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে কেটেছে রনজিলা পারভীনের। সকালবেলায় স্কুলে এসে শিশুদের নিয়ে বসতেন। বিকালে স্কুল ছুটি শেষে শিশুদের সঙ্গেই বাড়ি ফিরতেন। শিশুদের সঙ্গেই ছিল তার সারা জীবনের সখ্যতা।
শিশুরাও তাকে মায়ের মতই ভালবাসত। রোববারও তারা আশা করেছিল, স্কুলে গিয়ে রনজিলা পারভীন ম্যাডামকে তার কক্ষে দেখবে। কিন্তু সেই শিশুদের জন্য রোববার দিনটা ছিল অন্যরকম; বেদনার।
কারণ, দুপুরেই স্কুলে মাঠে পৌঁছেছে একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স। আর সেখানে নিরব, নিথর হয়ে শুয়ে আছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক রনজিলা পারভীন।
ছোট ছোট শিশুরা কাঁদতে কাঁদতে কাচের ফাঁক দিয়ে শেষবারের মত দেখছিল প্রিয় ম্যাডামের মুখ। তাদের চোখে ছিল জল। আর কোনোদিন ম্যাডাম ক্লাসে আসবেন না; তাদের আদর করে কাছে ডাকবেন না।
কাঁদছিলেন রনজিলার সহকর্মীরাও। তাদের সঙ্গে রনজিলা পারভীনকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছিলেন অভিভাবক আর স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও। সবার চোখেই ছিল জল। সবাই নিজেদের মধ্যে রনজিলাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছিলেন।
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats