স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে এবং স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ১৮ জন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করায় সংবিধান অনুসারে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরই মধ্যে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে। বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের আওতায় সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার অধিকার নেই এবং জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা শতভাগ। ফলে, এটা অনুমান করা যায় যে—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই বাংলাদেশের ১৯তম ব্যক্তি হিসেবে রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন। তবে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ বিচারে তিনি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন।
মির্জা ফখরুল ইসলামের আগে রাষ্ট্রপতির পদে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি কে কত দিন ছিলেন, চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই তথ্য—
১. শেখ মুজিবুর রহমান
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন গঠিত প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রপতি করা হয় শেখ মুজিবুর রহমানকে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফেরার আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত এই পদে ছিলেন তিনি।
দেশে ফিরে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিন বছর পর সংবিধান পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করে দেশে রাষ্ট্রপতি-শাসিত সরকার প্রবর্তন করা হয় এবং ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি পুনরায় রাষ্ট্রপতি হন শেখ মুজিবুর রহমান। ফলে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম ও পঞ্চম রাষ্ট্রপতি। একই বছরের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিহত হওযার আগ পর্যন্ত তিনি পদটিতে বহাল ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন মির্জা ফখরুলরাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন মির্জা ফখরুল
২. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৪ সালে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ২৫ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রেপ্তারের পর সৈয়দ নজরুল ইসলাম দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বিএনপি মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুলবিএনপি মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল
৩. আবু সাঈদ চৌধুরী
১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি লন্ডন থেকে ফিরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। তবে পদে থাকা অবস্থায় নানা বিষয় নিয়ে তৈরি হওয়া অস্বস্তি এবং তাঁকে অবহেলায় রাখা হয়েছে এমন চিন্তা থেকে উদ্ভূত প্রেক্ষাপটে মাত্র দুই বছরের মাথায় ১৯৭৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন তিনি।
৪. মুহম্মদুল্লাহ
আবু সাঈদ চৌধুরীর পদত্যাগের পর জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্বে থাকা মুহম্মদুল্লাহ ১৯৭৪ সালের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত অর্থাৎ এক মাসের কিছু বেশি সময় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫০ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা মুহম্মদুল্লাহ পেশায় আইনজীবী ছিলেন। পরে শপথ নিয়ে ১৯৭৪ সালের ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে ছিলেন মুহম্মদুল্লাহ।
তৎকালীন সরকার তাঁকে খুব একটা মূল্যায়ন করতো না বলে পত্রপত্রপত্রিকায় উঠে এসেছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি মুহম্মদুল্লাহর মেয়াদ শেষ হয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিটরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিট
৫. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক আহমেদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদীয় মন্ত্রী। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রিসভায় তিনি বিদ্যুৎ, সেচ ও বন্যানিয়ন্ত্রণ এবং পরে বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে একটি অভ্যুত্থানের পর ৬ নভেম্বর তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। সেই হিসেবে তিনি মোট ৮১ দিন রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন।
৬. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
খন্দকার মোশতাক আহমেদের পর ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। পদে থাকার দেড় বছর পর ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন তিনি।
৭. জিয়াউর রহমান
১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন তৎকালীন সেনাপ্রধান এবং প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। পরে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) প্রতিষ্ঠা করেন এবং বিতর্কিত এক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে একদল সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানকে হত্যা করার আগ পর্যন্ত পদটিতে বহাল ছিলেন তিনি।
৮. আবদুস সাত্তার
জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৮১ সালের ৩০ মে উপরাষ্ট্রপতি থেকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি আবদুস সাত্তার। দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৬৬ শতাংশ ভোট পেয়ে ২০ নভেম্বর তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। মাত্র চার মাস পর ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনিই প্রথম নির্বাচিত বেসামরিক রাষ্ট্রপতি, যাঁকে সরাসরি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হলেও নাম ঘোষণা কালরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হলেও নাম ঘোষণা কাল
৯. আবুল ফজল মোহাম্মদ আহ্সান উদ্দীন চৌধুরী
আবদুস সাত্তারকে অপসারণের তিন দিন পর ২৭ মার্চ বিচারপতি আবুল ফজল মোহাম্মদ আহ্সান উদ্দীন চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব শুরু করেন। মাত্র ৯ মাস পর ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর ক্ষমতা থেকে সরে যান তিনি।
১০. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো সামরিক শাসন জারি করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৮৬ সালের ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে ছিলেন তিনি। ১৯৮৬ সালে বিতর্কিত একটি নির্বাচন আয়োজন করে আবারও রাষ্ট্রপতি হন এবং শেষে প্রবল গণ-আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন।
১১. সাহাবুদ্দীন আহমদ
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হন বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ। পরে সব বিরোধী দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ একটি ‘নিরপেক্ষ নির্দলীয় কেয়ারটেকার’ সরকার গঠন করেন, যার একমাত্র দায়িত্ব ছিল তিন মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা। দায়িত্ব শেষে ১৯৯১ সালের ৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে সরে যান তিনি। পরে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আবারও রাষ্ট্রপতি হন বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ। পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষে ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির পদ থেকে বিদায় নেন তিনি। ফলে ১২ ও ১৪তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাহাবুদ্দীন আহমদ।
১২. আবদুর রহমান বিশ্বাস
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ বিদায় নেওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি হন আবদুর রহমান বিশ্বাস। ১৯৫০-এর দশকে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন। ১৯৭৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বরিশাল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৯-৮০ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় পাটমন্ত্রী এবং ১৯৮১-৮২ সালে বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদে ছিলেন। নিজের মেয়াদ পূর্ণ করে ১৯৯৬ সালের ৯ অক্টোবর বিদায় নেন তিনি।
১৩. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
বাংলাদেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর শপথ নেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। মি. চৌধুরী জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া—দুই সরকারের সময়ই তিনি মন্ত্রী ছিলেন এবং বিভিন্ন সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু বিএনপি সংসদে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনায় মাত্র সাত মাসের মাথায় ২০০২ সালের ২১ জুন পদত্যাগ করেন তিনি।
১৪. মুহম্মদ জমির উদ্দিন সরকার
এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর ২১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। বিভিন্ন মেয়াদে জমির উদ্দিন সরকার পররাষ্ট্র, শিক্ষা, গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
১৫. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ
২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ। রাজনৈতিক উত্তাল পরিস্থিতিতে ২০০৬ সালে রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের দায়িত্বও নেন। পরে সংসদ নির্বাচন নিয়ে অব্যাহত রাজনৈতিক অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে ২০০৭ সালের প্রধান উপদেষ্টার পদ ছাড়লেও রাষ্ট্রপতি পদে বহাল ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই উপাচার্য। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি মিলিয়ে পদের মেয়াদ শেষ হবার পরও আরও দুই বছর অর্থাৎ ২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
১৬. মো. জিল্লুর রহমান
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পান মো. জিল্লুর রহমান। তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং ২০০৭ সালে শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার হলে দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালের ২০ মার্চ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মো. জিল্লুর রহমান রাষ্ট্রপতি পদে বহাল ছিলেন।
১৭. মো. আবদুল হামিদ
বাংলাদেশে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন মো. আবদুল হামিদ। জিল্লুর রহমানের অসুস্থাবস্থায় ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ স্পিকার থেকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারে থাকাকালীন ২০ মার্চ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত অস্থায়ী এবং একই বছরের ২৪ এপ্রিল থেকে ২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মেয়াদে পদটিতে বহাল ছিলেন তিনি।
১৮. মো. সাহাবুদ্দিন
সংবিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ দুই মেয়াদের দায়িত্ব পালন শেষে মো. আবদুল হামিদের পদত্যাগের পর ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হন মো. সাহাবুদ্দিন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের কয়েক মাস পর্যন্ত পদটিতে বহাল ছিলেন তিনি। পরে শারীরিক জটিলতার কারণ দেখিয়ে ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন।
Editor & Publisher
Dulal Ahmed Chowdhury
www.newsdiplomats.com
The News Diplomats
Cell: +1 (437) 365-4003 & +1 (647) 709-3389
Email: [email protected]
Toronto, Canada.
©২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || The News Diplomats